বসাদ লাগা, ওজন হ্রাস, অতিরিক্ত পানি পিপাসা, প্রস্রাব বা প্রস্রাবের বেগ পাওয়া, ক্ষত দেরীতে শুকানো ইত্যাদি ডায়াবেটিসের প্রাথমিক লক্ষণ।
পুষ্টি গুণের কারণে একে আদর্শ খাবার বলা হয়। কাঁচা দুধের পুষ্টির পরিমাণ বিভিন্ন প্রাণির ক্ষেত্রে ভিন্ন হলেও তাতে প্রচুর পরিমাণে সম্পৃক্ত স্নেহ পদার্থ, প্রোটিন, ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন সি পাওয়া যায়।
খাওয়ার আগে হাত ধোয়ার অভ্যাস এখন বেশির ভাগ মানুষেরই আছে। তবে নখের ক্ষেত্রে ঠিক তার বিপরীত। অনেক সচেতন মানুষ শুধু ফ্যাশনের জন্য নখ পরিষ্কার না করে নিজেদের বিপদ ডেকে আনেন।
নাক দিয়ে রক্ত পড়া খুব সাধারণ একটি সমস্যা না হলেও অনেকের ক্ষেত্রেই হয়ে থাকে। আমাদের দেহের নাকের ভিতরের রক্ত প্রবাহের নালীটি খুবই ক্ষুদ্র এবং নাক দেহের সবচেয়ে বেশি সেনসেটিভ অঙ্গ। য
তাহমিনা হঠাৎ করে আসা জ্বরে তীব্র গায়ে ও জয়েন্টে ব্যথা। এমনকি হাটতে বা বসতেও পারছেন না। চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পর তিনি জানলেন, এই রোগের নাম চিকুনগুনিয়া, আর এই জ্বর ভালো হলেও আরও অন্তত দুইমাস ভোগান্তি পোহাতে হবে।
আমাদের এই উপমহাদেশে হলুদের ব্যবহার আজ থেকে আড়াই হাজার বছরের পূর্বে। আমরা রান্নার স্বাদ ও রং এর জন্য হলুদ ব্যবহার করি। রূপচচ্চাতেও হলুদের অনেক সমাদর।
তীব্র গরমে আমাদের সবার শরীর কম-বেশি ঘামেই। শরীর ঘামলে তা স্বাভাবিক, বরং না ঘামলে তা অস্বাভাবিক। স্বাভাবিক মাত্রার ঘাম কোন রোগ নয়। তবে যখন অন্যান্য সবার চেয়ে বেশি মাত্রায় ঘামের সৃষ্টি হবে, বুঝতে হবে কোন সমস্যা রয়েছে। আর এই সমস্যা হল পানিশূন্যতা।
গুণাগুণে ভরপুর আমলকি। আমলকিকে বলা হয় ভিটামিন সি এর রাজা। শরীরের ভিটামিন সি-এর অভাব পূরণে আমলকির জুড়ি নেই।
শরীরে ভিটামিনের ঘাটতি পূরণে সহায়ক ভিটামিন ই ক্যাপসুল। এর পাশাপাশি এই ক্যাপসুলের রয়েছে অজানা আরো অনেক ব্যবহার। যার মাধ্যমে আপনি পেতে পারেন সুন্দর ত্বক ও চুল। চলুন জেনে নেয়া যাক তেমনই কিছু ব্যবহার- চুল বাড়াতে সাহায্য করে ভিটামিন ই।
বাঙ্গালি কি দুপুরে ভাত না খেয়ে থাতে পারে? কিন্তু খাওয়ার পরেও কিছু নিয়ম না মানলেও বিপদ হতে পারে। দুপুরে খাওয়ার পর ব্রাশ করেন? অথবা, আয়েশ করে একটা সিগারেট ধরান? হজমের জন্য হাঁটাহাঁটি করেন?
দীর্ঘায়ু কে না চান? কিন্তু বেঁচে থাকতে হলে আজীবন নীরোগ আর সুস্থ থাকতে হবে তো। জেনে নিন কোন পাঁচটি খাবার খেলে সব রোগবালাইয়ের থেকে নিজেকে অনেক দূরে রাখা সম্ভব।
গত প্রায় দেড় হাজার বছর ধরে নানা উপকারে লাগলেও আজও স্বাস্থ্য সচেতনদের পছন্দের লিস্টে জায়গা করে উঠতে পারেনি ছোট্ট এই ফলটি। সুস্বাদু এই মরু ফলটির শরীরে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় ফাইবার, খনিজ এবং ভিটামিন।
খাবার আমাদের বেঁচে থাকার জন্য অত্যাবশ্যকীয় একটি উপাদান। কিন্তু কিছু খাবার ঋতুভেদে আমাদের শরীরের জন্য পুষ্টিগুণ বিচার করে খেতে হয়। অন্যান্য সময়ের তুলনায় গ্রীষ্মকালে রোগবালাই এবং ত্বকের নানান সমস্যার পরিমাণ তুলনামূলক বেশি দেখা দেয়।
যতো দিন গড়াচ্ছে ততই এই রোগটি যেন মাথা চাঁড়া দিয়ে উঠছে। বিশেষজ্ঞরা বলছে, আগামী ২০৫০ সাল নাগাদ শুধু উন্নত বিশ্ব নয়, তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোতেও হার্টের রোগী এতো পরিমাণে বাড়বে যে, প্রতি তিনজনের মধ্যে একজনের হার্টের সমস্যা থাকবে
পুষ্টিকর উপাদানে ভরপুর দুধ সব বয়সি মানুষের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় একটি খাবার। দুধের বেশ কিছু উপকারিতা আছে যা অনেকেরই অজানা। পুষ্টিবিষয়ক একটি সাইটে দুধের এমনই কিছু উপকারিতা তুলে ধরা হয়। ওই বিষয়গুলো এই প্রতিবেদনে তুলে ধরা হলো।
হাঁপানির সমস্যায় ভুগছেন বা বাড়ছে কোলেস্টেরল। ওষুধে বিশেষ কাজ হচ্ছে না। তাহলে বাতাবি লেবু খান। সব রোগের মহৌষধি। সতেজ রাখবে আপনার হার্টও। ফলের ফ্যামিলিতে বাতাবি লেবু হল এককথায় অলরাউন্ডার।
তেঁতুলে টারটারিক এসিড থাকায় খাবার হজমে সহায়তা করে। পেটের বায়ু, হাত-পা জ্বালায় তেঁতুলের শরবত খুব উপকারী। রক্তে কোলেস্টেরল কমানোর কাজে আধুনিককালে তেঁতুল ব্যবহার হচ্ছে। জ্বরে ভোগা রোগীর জ্বর কমানোর জন্য ও তেঁতুল ব্যবহৃত হয়।
শরীরের ইম্যিউন সিস্টেম বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে খাবার ও ব্যায়াম বা শরীর চর্চার কোনো বিকল্প নেই। বিশেষজ্ঞগণ গবেষণায় দেখেছেন ওষুধ ছাড়াই আপনি বাড়াতে পারেন আপনার শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা।
রান্নাবান্নার একটি উৎকৃষ্ট উপাদান আদা। তবে মানুষ একে বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যা সমাধানের ঘরোয়া উপাদান হিসেবে বহুকাল ধরে ব্যবহার করছে। যেমন বমি বমি ভাব, হজমের সমস্যা ও ব্যথা ইত্যাদি।
সস্থায় সুস্থ থাকতে ডিমের কোনও বিকল্প নেই বললেই চলে। কিন্তু একথাও ঠিক যে প্রতিদিন ডিম খেলে মস্তিষ্কের ভেতরে নানা পরিবর্তন হতে শুরু করে। আর এই পরিবর্তন আদৌ স্বাস্থ্যকর কিনা সে বিষয়ে জানা আছে কি?
আপনার ফুসফসকে – কিছু খারাপ এবং ক্ষতিকারক অভ্যাস যেমন ধূমপান ছেড়ে দেবার কথা চিন্তা করা কারোর পক্ষে অসম্ভব মনে হয়। আপনি যদি ৫ বছর ধরে ধূমপান করে থাকেন সেক্ষেত্রে এই নেশা আপনার কাছে বিপদজনক।
যে কোনও রোগের ক্ষেত্রেই প্রথমে যেটা আমরা বলি, প্রিভেনশন ইজ বেটার দ্যান কিওর, তাই আগামী দিনে আবহাওয়া পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে আপনার শিশুকে রক্ষা করতে আগে এটাই আপনাকে ভাবতে হবে।
তেষ্টা মেটানোর জন্য জল তো সবাই খাই। কিন্তু জানেন কি জল খাওয়ারও নিয়ম আছে ? যখন-তখন ইচ্ছে হলেই জল খেয়ে নিলেই হবে না।
অসুখে-বিসুখে প্রায়ই আমাদের নানান রকমের ওষুধ নিতে হয়। কখনো পেইন কিলার তো কখনো চোখের ড্রপ। কিন্তু এসব ব্যবহারের ক্ষেত্রে টুকটাক ভুল করি আমরা প্রায় সকলেই।
সাধারণত অ্যালার্জি, ঠাণ্ডা সমস্যা, শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণ এবং চাপের কারণে হাঁপানি রোগীরা শ্বাস নিতে পারেন না। শীতকালে এই রোগের প্রকোপ অনেক বেড়ে যায়। তাই এ সময় অ্যাজমা রোগীদের কিছু বাড়তি সতর্কতা নেওয়া জরুরি।
ধীরে ধীরে গরম বাড়তে শুরু করেছে। বোঝা যাচ্ছে, প্রতিবারের মতো এবারও প্রচণ্ড গরম পড়বে। গ্রীষ্মের দাবদাহে সবাই দিশেহারা হয়ে যাবে। গরমে অতিরিক্ত ঘামের কারণে অনেকেই দুর্বল হয়ে যান। তারপরেও আমাদের প্রতিদিনের কাজকর্ম চালিয়ে যেতে হবে।