Fri 10th Jul 2026, 12:03 am

আমদানি-রপ্তানি

কাস্টম নিলামে আদার কেজি ২৩ আর পেঁয়াজ ৭ টাকা

বর্তমানে বাজারে পেঁয়াজের কেজি ৫০ টাকার কাছাকাছি, যেখানে আদার কেজি পেঁয়াজের দ্বিগুণ, সর্বনিম্ন ১০০ টাকা। তবে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে খালাস না নেওয়া পেঁয়াজের সর্বোচ্চ দর উঠে ৭.৩৬ টাকা এবং আদার ২৩.৫৪ টাকা। গত সোমবার চট্টগ্রাম কাস্টমসের নিলামে এই দাম ওঠে।

রোজা উপলক্ষে পণ্য আমদানির চাহিদা বৃদ্ধি

চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে রমজানকে সামনে রেখে ভোগ্যপণ্যের চাহিদার চেয়ে বেশি আমদানি করা হলেও, দাম কমছে না। বরং কিছু কিছু পণ্যের দাম বেড়ে গেছে। এর পেছনে অভিযোগ উঠেছে যে, আমদানিকারকরা পণ্য খালাস না করে সাগরে ভাসমান গুদামে রেখেছেন, যাতে দাম বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হয়। এর ফলে, পণ্য বেশি আসলেও রমজানে দাম বাড়ার শঙ্কা রয়ে গেছে।

ভোজ্যতেলের চাহিদার অর্ধেকও পূরণ হচ্ছে না

চট্টগ্রামে ভোজ্যতেলের সংকট অব্যাহত রয়েছে, যেখানে চাহিদার অর্ধেকও সরবরাহ পাচ্ছে না। চাক্তাই-খাতুনগঞ্জে একাধিক সিন্ডিকেট ভোজ্যতেলের সরবরাহ কমিয়ে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করার অভিযোগ উঠেছে। এতে বোতলজাত সয়াবিন তেলের জন্য বাজারে হাহাকার চলছে। বিশেষ করে এক ও দুই লিটারের বোতলের সরবরাহ প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে, যার ফলে ভোগান্তি পড়ছেন ক্রেতারা। সিন্ডিকেটের কারণে বাজারে তেলের সংকট আরও গভীর হয়েছে, এবং দামও বেড়ে গেছে।

রমজান মাস উপলক্ষে নিত্যপণ্যের আমদানি দ্রুত বৃদ্ধি

পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে নিত্যপণ্যের আমদানি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে, এবং জানুয়ারি মাসে বিপুল পরিমাণ পণ্য আমদানি হয়েছে, যা রোজার পুরো মাসের চাহিদার সমান বা কিছু ক্ষেত্রে তা ছাড়িয়ে গেছে। ব্যবসায়ীরা জানাচ্ছেন, ফেব্রুয়ারি মাসজুড়ে আরও পণ্য আমদানি হবে, ফলে সরবরাহ বাড়বে। রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর কিছু বড় শিল্পগ্রুপের আমদানি কমে যাওয়ার আশঙ্কা থাকলেও নতুন আমদানিকারকরা সক্রিয় হয়েছেন এবং নতুন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোও নিত্যপণ্য আমদানিতে যুক্ত হয়েছে, ফলে সরবরাহে কোনো সমস্যা হয়নি।

রমজান উপলক্ষে ছোলার দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে

রমজান শুরু হতে দেড় মাস বাকি থাকলেও ব্যবসায়ীরা ইতোমধ্যে ছোলা আমদানি শুরু করেছেন, তবে দাম কমছে না। বর্তমানে পাইকারি বাজারে ছোলার কেজি ১০০ টাকার ওপরে, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় বেশিই। ব্যবসায়ীদের মতে, যথেষ্ট পরিমাণে ছোলা আমদানি হলেও আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো দাম কমাচ্ছে না, ফলে দাম আগের তুলনায় বাড়তে থাকছে।

ভারত থেকে বিদ্যুৎ আমদানি ঝুলে যাচ্ছে

বাংলাদেশের কাছে ভারতের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বিদ্যুৎ প্রতিষ্ঠান ন্যাশনাল থার্মাল পাওয়ার করপোরেশন (এনটিপিসি) লিমিটেডের বিদ্যুৎ বিক্রি নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে দেশটির বেসরকারি বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো।