দুই পরাশক্তি ব্রাজিল ও উরুগুয়ের বিপক্ষে জমকালো প্রীতি ম্যাচ আয়োজন করে এবার বড় ধরনের আর্থিক সংকটে পড়েছে ভারতীয় ফুটবল। অল ইন্ডিয়া ফুটবল ফেডারেশন (এআইএফএফ) এখনো পর্যন্ত এই দুই দক্ষিণ আমেরিকান দলকে তাদের সম্পূর্ণ ম্যাচ ফি পরিশোধ করতে পারেনি।
বকেয়া মেটাতে নিজেদের ২০ কোটি টাকার স্থায়ী আমানত ভাঙার প্রস্তাব দেওয়া হলেও তাতে আপাতত সাধারণ পরিষদের সদস্যদের সায় মেলেনি। ফলে, পাওনা পরিশোধের সময় বাড়ানোর আবেদন করেছে এআইএফএফ।
গত মাসে কলকাতার সল্টলেক স্টেডিয়ামে ব্রাজিল ও উরুগুয়ের বিপক্ষে দুটি আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচের আয়োজন করেছিল এআইএফএফ। এর আগে বেঙ্গালুরুতে পানামার বিপক্ষেও খেলেছিল ভারতীয় দল।
তবে এই তিনটি ম্যাচের আয়োজন থেকে প্রত্যাশিত অর্থ আয় না হওয়ায় ফেডারেশন এখন এক জটিল আর্থিক পরিস্থিতিতে পড়েছে। জানা গেছে, ব্রাজিল ও উরুগুয়ে এখন পর্যন্ত তাদের প্রাপ্য ম্যাচ ফির প্রায় অর্ধেক পেয়েছে।
ব্রাজিলের আনুমানিক ১৯ কোটি রুপি এবং উরুগুয়ের ৪ কোটি ৭০ লাখ রুপি এখনো বকেয়া রয়েছে। তবে তুলনামূলকভাবে কম পাওনা হওয়ায় পানামার অর্থ অবশ্য পুরোপুরি মিটিয়ে দেওয়া হয়েছে।
এই বিশাল অঙ্কের অর্থ জোগাড় করতে এআইএফএফ সভাপতি কল্যাণ চৌবে ২০ কোটি রুপির একটি স্থায়ী আমানত মেয়াদপূর্তির আগেই ভাঙার প্রস্তাব দেন। কিন্তু সাধারণ পরিষদের অধিকাংশ সদস্য এই প্রস্তাবে আপত্তি জানান।
তাদের যুক্তি ছিল, জরুরি বা অস্বাভাবিক পরিস্থিতি ছাড়া এই তহবিল ব্যবহার করা উচিত নয়। পরবর্তীতে বিষয়টি গভীরভাবে পর্যালোচনার জন্য সহসভাপতি এনএ হারিসের নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এআইএফএফ টিকিট বিক্রি থেকে প্রায় ৩০ থেকে ৪০ কোটি রুপি আয়ের আশা করেছিল। কিন্তু টিকিটের চড়া দাম এবং প্রত্যাশার তুলনায় কম বিক্রির কারণে সেই লক্ষ্য পূরণ হয়নি।
এমনকি ব্রাজিল বনাম ভারতের ম্যাচে টিকিটের সঙ্গে ‘একটি কিনলে একটি বিনামূল্যে’ (বাই ওয়ান গেট ওয়ান ফ্রি) অফারও দিতে হয়েছিল। এছাড়া, টিকিটিং পার্টনারের কাছ থেকে নেওয়া ২৫ কোটি রুপির অগ্রিম অর্থের একাংশ ফেরত দেওয়ার চাপও তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
বকেয়া মেটাতে নিজেদের ২০ কোটি টাকার স্থায়ী আমানত ভাঙার প্রস্তাব দেওয়া হলেও তাতে আপাতত সাধারণ পরিষদের সদস্যদের সায় মেলেনি। ফলে, পাওনা পরিশোধের সময় বাড়ানোর আবেদন করেছে এআইএফএফ।
গত মাসে কলকাতার সল্টলেক স্টেডিয়ামে ব্রাজিল ও উরুগুয়ের বিপক্ষে দুটি আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচের আয়োজন করেছিল এআইএফএফ। এর আগে বেঙ্গালুরুতে পানামার বিপক্ষেও খেলেছিল ভারতীয় দল।
তবে এই তিনটি ম্যাচের আয়োজন থেকে প্রত্যাশিত অর্থ আয় না হওয়ায় ফেডারেশন এখন এক জটিল আর্থিক পরিস্থিতিতে পড়েছে। জানা গেছে, ব্রাজিল ও উরুগুয়ে এখন পর্যন্ত তাদের প্রাপ্য ম্যাচ ফির প্রায় অর্ধেক পেয়েছে।
ব্রাজিলের আনুমানিক ১৯ কোটি রুপি এবং উরুগুয়ের ৪ কোটি ৭০ লাখ রুপি এখনো বকেয়া রয়েছে। তবে তুলনামূলকভাবে কম পাওনা হওয়ায় পানামার অর্থ অবশ্য পুরোপুরি মিটিয়ে দেওয়া হয়েছে।
এই বিশাল অঙ্কের অর্থ জোগাড় করতে এআইএফএফ সভাপতি কল্যাণ চৌবে ২০ কোটি রুপির একটি স্থায়ী আমানত মেয়াদপূর্তির আগেই ভাঙার প্রস্তাব দেন। কিন্তু সাধারণ পরিষদের অধিকাংশ সদস্য এই প্রস্তাবে আপত্তি জানান।
তাদের যুক্তি ছিল, জরুরি বা অস্বাভাবিক পরিস্থিতি ছাড়া এই তহবিল ব্যবহার করা উচিত নয়। পরবর্তীতে বিষয়টি গভীরভাবে পর্যালোচনার জন্য সহসভাপতি এনএ হারিসের নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এআইএফএফ টিকিট বিক্রি থেকে প্রায় ৩০ থেকে ৪০ কোটি রুপি আয়ের আশা করেছিল। কিন্তু টিকিটের চড়া দাম এবং প্রত্যাশার তুলনায় কম বিক্রির কারণে সেই লক্ষ্য পূরণ হয়নি।
এমনকি ব্রাজিল বনাম ভারতের ম্যাচে টিকিটের সঙ্গে ‘একটি কিনলে একটি বিনামূল্যে’ (বাই ওয়ান গেট ওয়ান ফ্রি) অফারও দিতে হয়েছিল। এছাড়া, টিকিটিং পার্টনারের কাছ থেকে নেওয়া ২৫ কোটি রুপির অগ্রিম অর্থের একাংশ ফেরত দেওয়ার চাপও তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।