নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা, ৬ নভেম্বর ২০২৬
সরকারি তিতুমীর কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ২০০৪-০৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের বর্ণাঢ্য মিলনমেলা অনুষ্ঠিত
দীর্ঘদিন পর এক ছাদের নিচে সহপাঠী ও শিক্ষকদের মিলন, স্মৃতিচারণ আর আনন্দ-আড্ডায় মুখরিত দিন
দীর্ঘদিনের অপেক্ষা, পুরোনো দিনের স্মৃতি আর বন্ধুত্বের অটুট বন্ধনকে নতুন করে উদ্যাপন করতে অনুষ্ঠিত হলো সরকারি তিতুমীর কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ২০০৪-০৫ শিক্ষাবর্ষের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের বর্ণাঢ্য মিলনমেলা। গত ৬ নভেম্বর ঢাকার অদূরে একটি মনোরম রিসোর্টে আনন্দঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশে এই মিলনমেলার আয়োজন করা হয়।
বহু বছর পর একসঙ্গে মিলিত হওয়ার সুযোগ পেয়ে উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠেন ২০০৪-০৫ শিক্ষাবর্ষের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা। কেউ এসেছেন ব্যস্ত ব্যবসায়িক জীবন থেকে, কেউ সরকারি চাকরির দায়িত্ব সামলে, কেউ শিক্ষকতা পেশা থেকে, আবার কেউ আইন পেশা কিংবা পুলিশ বিভাগে কর্মরত অবস্থায় সময় বের করে ছুটে এসেছেন পুরোনো বন্ধুদের কাছে।
পেশা, অবস্থান ও জীবনের ব্যস্ততা আলাদা হলেও সবার পরিচয় এক জায়গায়—তাঁরা সরকারি তিতুমীর কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের একই পরিবারের সদস্য।
কর্মজীবনের ব্যস্ততা পেরিয়ে বন্ধুত্বের টানে একত্রিত
শিক্ষাজীবনের সেই পরিচিত মুখগুলোকে দীর্ঘদিন পর একসঙ্গে দেখে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন অনেকেই। ক্যাম্পাসের পুরোনো দিন, শ্রেণিকক্ষের স্মৃতি, শিক্ষকদের পাঠদান, বন্ধুদের সঙ্গে কাটানো আনন্দময় মুহূর্ত এবং শিক্ষাজীবনের নানা ঘটনা নিয়ে চলে প্রাণবন্ত আলোচনা ও স্মৃতিচারণ।
একসময় যাঁরা একই বেঞ্চে বসে ক্লাস করেছেন, একসঙ্গে পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়েছেন, ক্যাম্পাসে আড্ডা দিয়েছেন, আজ তাঁরা দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে নিজেদের অবস্থান তৈরি করেছেন। কেউ উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ী, কেউ সরকারি কর্মকর্তা, কেউ কলেজ ও স্কুলের শিক্ষক, কেউ আইনজীবী কিংবা আইন পেশার সঙ্গে যুক্ত, আবার কেউ পুলিশ বিভাগে দায়িত্ব পালন করছেন।
জীবনের এই ভিন্ন ভিন্ন পথচলার মাঝেও পুরোনো সহপাঠীদের সঙ্গে সম্পর্ক ও আন্তরিকতা যে অটুট রয়েছে, মিলনমেলার প্রতিটি মুহূর্তে তারই প্রতিফলন দেখা যায়।
শিক্ষকদের উপস্থিতিতে মিলনমেলা পেল ভিন্ন মাত্রা
এই আয়োজনের অন্যতম আকর্ষণ ছিল রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সম্মানিত শিক্ষকদের উপস্থিতি। বিশেষ অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সরকারি তিতুমীর কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ইসরাত বানু, অধ্যাপক ফাতেমা বেগম এবং সহযোগী অধ্যাপক আঞ্জুমান আরা সুলতানা।
প্রিয় শিক্ষকদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি আরও আবেগঘন ও অর্থবহ হয়ে ওঠে। শিক্ষকদের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের স্মৃতি, শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার সম্পর্ক নতুন করে প্রাণ ফিরে পায়।
প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের আন্তরিক অভ্যর্থনা, ভালোবাসা ও আতিথেয়তায় মুগ্ধ হন উপস্থিত শিক্ষকরা।
শিক্ষার্থীদের এমন সুন্দর উদ্যোগের প্রশংসা করে শিক্ষকরা তাঁদের অনুভূতি প্রকাশ করেন। তাঁরা বলেন, শিক্ষার্থীরা নিজেদের কর্মজীবনে প্রতিষ্ঠিত হয়ে এভাবে একত্রিত হচ্ছে, শিক্ষকদের স্মরণ করছে এবং পারস্পরিক সম্পর্ক ধরে রাখছে—এটি তাঁদের জন্য অত্যন্ত আনন্দের বিষয়।
শিক্ষার্থীদের এমন ইতিবাচক কর্মকাণ্ড তাঁদের ভালো লেগেছে বলেও তাঁরা জানান।
শিক্ষকরা আরও প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন, প্রত্যেকে যেন নিজ নিজ অবস্থান থেকে ভালো কাজ করেন, সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন এবং দেশ ও সমাজের উন্নয়নে ভূমিকা রাখেন। তাঁদের প্রত্যাশা, শিক্ষার্থীরা শুধু ব্যক্তিগত সাফল্য অর্জনেই সীমাবদ্ধ থাকবে না; বরং নিজেদের কর্মক্ষেত্রেও ইতিবাচক পরিবর্তন ও মানবিক মূল্যবোধের চর্চা অব্যাহত রাখবে।
সম্পর্কের বন্ধন আরও দৃঢ় করার প্রত্যয়
মিলনমেলার পুরো আয়োজনজুড়ে ছিল আনন্দ, হাসি, আড্ডা, ছবি তোলা এবং পুরোনো স্মৃতি ভাগাভাগির নানা আয়োজন। দীর্ঘদিন পর একে অপরকে কাছে পেয়ে সহপাঠীরা নিজেদের বর্তমান কর্মজীবন, পরিবার, সামাজিক অবস্থান ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে কথা বলেন।
এ ধরনের আয়োজন শুধু আনন্দ উদ্যাপনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ, সহযোগিতা ও সামাজিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষ। একই বিভাগের শিক্ষার্থীরা দেশের বিভিন্ন পেশা ও প্রতিষ্ঠানে কাজ করায় ভবিষ্যতে তাঁদের অভিজ্ঞতা, দক্ষতা ও পারস্পরিক সহযোগিতা নতুন প্রজন্মের জন্যও ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।
আয়োজকদের প্রত্যাশা, এই মিলনমেলার মধ্য দিয়ে সহপাঠীদের মধ্যে যোগাযোগ আরও সুদৃঢ় হবে। পাশাপাশি শিক্ষা, পেশা, ব্যবসা ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে একে অপরের পাশে দাঁড়ানোর একটি সুন্দর পরিবেশ তৈরি হবে।
আয়োজকদের আন্তরিক প্রচেষ্টায় সফল আয়োজন
এই মিলনমেলাকে সফল ও স্মরণীয় করে তুলতে আয়োজক প্যানেলের বন্ধুদের ছিল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। আয়োজনের পরিকল্পনা, সমন্বয় এবং বাস্তবায়নে আন্তরিকভাবে কাজ করেন আরিফুর রহমান, মহাসিন ইকবাল, সালমান, সামিম, আজমল রনি, খাইরুল, জুয়েল, লাভলী ও পান্নু।
তাঁদের সম্মিলিত উদ্যোগ ও সহপাঠীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানটি হয়ে ওঠে আনন্দমুখর ও স্মরণীয়। বিশেষ করে প্রিয় শিক্ষকদের আমন্ত্রণ জানানো এবং তাঁদের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের পুনর্মিলনের সুযোগ তৈরি করা ছিল এই আয়োজনের অন্যতম বিশেষ দিক।
বন্ধুত্বের গল্প চলুক প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে
শিক্ষাজীবন শেষ হলেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শিক্ষক ও সহপাঠীদের সঙ্গে গড়ে ওঠা সম্পর্ক কখনো শেষ হয় না। সময়ের পরিবর্তনে মানুষের কর্মক্ষেত্র, সামাজিক অবস্থান ও জীবনযাত্রা বদলে যায়, কিন্তু শিক্ষাজীবনের স্মৃতি ও বন্ধুত্বের অনুভূতি থেকে যায় আজীবন।
সরকারি তিতুমীর কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ২০০৪-০৫ শিক্ষাবর্ষের এই মিলনমেলা সেই চিরন্তন বন্ধুত্ব, শ্রদ্ধা ও ভালোবাসারই এক সুন্দর বহিঃপ্রকাশ। দিনশেষে সবাই ফিরে গেলেন নিজ নিজ কর্মব্যস্ত জীবনে, তবে সঙ্গে নিয়ে গেলেন একগুচ্ছ আনন্দময় স্মৃতি, প্রিয় শিক্ষকদের আশীর্বাদ এবং পুরোনো বন্ধুদের সঙ্গে আবারও দেখা হওয়ার প্রত্যাশা।
একই ক্যাম্পাস, একই বিভাগ, একই সময়ের অসংখ্য স্মৃতি—জীবনের পথ আলাদা হলেও বন্ধুত্বের ঠিকানা যে একই থাকে, তিতুমীর কলেজের ২০০৪-০৫ শিক্ষাবর্ষের এই মিলনমেলা যেন তারই এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।
সরকারি তিতুমীর কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ২০০৪-০৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের বর্ণাঢ্য মিলনমেলা অনুষ্ঠিত
দীর্ঘদিন পর এক ছাদের নিচে সহপাঠী ও শিক্ষকদের মিলন, স্মৃতিচারণ আর আনন্দ-আড্ডায় মুখরিত দিন
দীর্ঘদিনের অপেক্ষা, পুরোনো দিনের স্মৃতি আর বন্ধুত্বের অটুট বন্ধনকে নতুন করে উদ্যাপন করতে অনুষ্ঠিত হলো সরকারি তিতুমীর কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ২০০৪-০৫ শিক্ষাবর্ষের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের বর্ণাঢ্য মিলনমেলা। গত ৬ নভেম্বর ঢাকার অদূরে একটি মনোরম রিসোর্টে আনন্দঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশে এই মিলনমেলার আয়োজন করা হয়।
বহু বছর পর একসঙ্গে মিলিত হওয়ার সুযোগ পেয়ে উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠেন ২০০৪-০৫ শিক্ষাবর্ষের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা। কেউ এসেছেন ব্যস্ত ব্যবসায়িক জীবন থেকে, কেউ সরকারি চাকরির দায়িত্ব সামলে, কেউ শিক্ষকতা পেশা থেকে, আবার কেউ আইন পেশা কিংবা পুলিশ বিভাগে কর্মরত অবস্থায় সময় বের করে ছুটে এসেছেন পুরোনো বন্ধুদের কাছে।
পেশা, অবস্থান ও জীবনের ব্যস্ততা আলাদা হলেও সবার পরিচয় এক জায়গায়—তাঁরা সরকারি তিতুমীর কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের একই পরিবারের সদস্য।
কর্মজীবনের ব্যস্ততা পেরিয়ে বন্ধুত্বের টানে একত্রিত
শিক্ষাজীবনের সেই পরিচিত মুখগুলোকে দীর্ঘদিন পর একসঙ্গে দেখে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন অনেকেই। ক্যাম্পাসের পুরোনো দিন, শ্রেণিকক্ষের স্মৃতি, শিক্ষকদের পাঠদান, বন্ধুদের সঙ্গে কাটানো আনন্দময় মুহূর্ত এবং শিক্ষাজীবনের নানা ঘটনা নিয়ে চলে প্রাণবন্ত আলোচনা ও স্মৃতিচারণ।
একসময় যাঁরা একই বেঞ্চে বসে ক্লাস করেছেন, একসঙ্গে পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়েছেন, ক্যাম্পাসে আড্ডা দিয়েছেন, আজ তাঁরা দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে নিজেদের অবস্থান তৈরি করেছেন। কেউ উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ী, কেউ সরকারি কর্মকর্তা, কেউ কলেজ ও স্কুলের শিক্ষক, কেউ আইনজীবী কিংবা আইন পেশার সঙ্গে যুক্ত, আবার কেউ পুলিশ বিভাগে দায়িত্ব পালন করছেন।
জীবনের এই ভিন্ন ভিন্ন পথচলার মাঝেও পুরোনো সহপাঠীদের সঙ্গে সম্পর্ক ও আন্তরিকতা যে অটুট রয়েছে, মিলনমেলার প্রতিটি মুহূর্তে তারই প্রতিফলন দেখা যায়।
শিক্ষকদের উপস্থিতিতে মিলনমেলা পেল ভিন্ন মাত্রা
এই আয়োজনের অন্যতম আকর্ষণ ছিল রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সম্মানিত শিক্ষকদের উপস্থিতি। বিশেষ অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সরকারি তিতুমীর কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ইসরাত বানু, অধ্যাপক ফাতেমা বেগম এবং সহযোগী অধ্যাপক আঞ্জুমান আরা সুলতানা।
প্রিয় শিক্ষকদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি আরও আবেগঘন ও অর্থবহ হয়ে ওঠে। শিক্ষকদের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের স্মৃতি, শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার সম্পর্ক নতুন করে প্রাণ ফিরে পায়।
প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের আন্তরিক অভ্যর্থনা, ভালোবাসা ও আতিথেয়তায় মুগ্ধ হন উপস্থিত শিক্ষকরা।
শিক্ষার্থীদের এমন সুন্দর উদ্যোগের প্রশংসা করে শিক্ষকরা তাঁদের অনুভূতি প্রকাশ করেন। তাঁরা বলেন, শিক্ষার্থীরা নিজেদের কর্মজীবনে প্রতিষ্ঠিত হয়ে এভাবে একত্রিত হচ্ছে, শিক্ষকদের স্মরণ করছে এবং পারস্পরিক সম্পর্ক ধরে রাখছে—এটি তাঁদের জন্য অত্যন্ত আনন্দের বিষয়।
শিক্ষার্থীদের এমন ইতিবাচক কর্মকাণ্ড তাঁদের ভালো লেগেছে বলেও তাঁরা জানান।
শিক্ষকরা আরও প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন, প্রত্যেকে যেন নিজ নিজ অবস্থান থেকে ভালো কাজ করেন, সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন এবং দেশ ও সমাজের উন্নয়নে ভূমিকা রাখেন। তাঁদের প্রত্যাশা, শিক্ষার্থীরা শুধু ব্যক্তিগত সাফল্য অর্জনেই সীমাবদ্ধ থাকবে না; বরং নিজেদের কর্মক্ষেত্রেও ইতিবাচক পরিবর্তন ও মানবিক মূল্যবোধের চর্চা অব্যাহত রাখবে।
সম্পর্কের বন্ধন আরও দৃঢ় করার প্রত্যয়
মিলনমেলার পুরো আয়োজনজুড়ে ছিল আনন্দ, হাসি, আড্ডা, ছবি তোলা এবং পুরোনো স্মৃতি ভাগাভাগির নানা আয়োজন। দীর্ঘদিন পর একে অপরকে কাছে পেয়ে সহপাঠীরা নিজেদের বর্তমান কর্মজীবন, পরিবার, সামাজিক অবস্থান ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে কথা বলেন।
এ ধরনের আয়োজন শুধু আনন্দ উদ্যাপনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ, সহযোগিতা ও সামাজিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষ। একই বিভাগের শিক্ষার্থীরা দেশের বিভিন্ন পেশা ও প্রতিষ্ঠানে কাজ করায় ভবিষ্যতে তাঁদের অভিজ্ঞতা, দক্ষতা ও পারস্পরিক সহযোগিতা নতুন প্রজন্মের জন্যও ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।
আয়োজকদের প্রত্যাশা, এই মিলনমেলার মধ্য দিয়ে সহপাঠীদের মধ্যে যোগাযোগ আরও সুদৃঢ় হবে। পাশাপাশি শিক্ষা, পেশা, ব্যবসা ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে একে অপরের পাশে দাঁড়ানোর একটি সুন্দর পরিবেশ তৈরি হবে।
আয়োজকদের আন্তরিক প্রচেষ্টায় সফল আয়োজন
এই মিলনমেলাকে সফল ও স্মরণীয় করে তুলতে আয়োজক প্যানেলের বন্ধুদের ছিল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। আয়োজনের পরিকল্পনা, সমন্বয় এবং বাস্তবায়নে আন্তরিকভাবে কাজ করেন আরিফুর রহমান, মহাসিন ইকবাল, সালমান, সামিম, আজমল রনি, খাইরুল, জুয়েল, লাভলী ও পান্নু।
তাঁদের সম্মিলিত উদ্যোগ ও সহপাঠীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানটি হয়ে ওঠে আনন্দমুখর ও স্মরণীয়। বিশেষ করে প্রিয় শিক্ষকদের আমন্ত্রণ জানানো এবং তাঁদের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের পুনর্মিলনের সুযোগ তৈরি করা ছিল এই আয়োজনের অন্যতম বিশেষ দিক।
বন্ধুত্বের গল্প চলুক প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে
শিক্ষাজীবন শেষ হলেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শিক্ষক ও সহপাঠীদের সঙ্গে গড়ে ওঠা সম্পর্ক কখনো শেষ হয় না। সময়ের পরিবর্তনে মানুষের কর্মক্ষেত্র, সামাজিক অবস্থান ও জীবনযাত্রা বদলে যায়, কিন্তু শিক্ষাজীবনের স্মৃতি ও বন্ধুত্বের অনুভূতি থেকে যায় আজীবন।
সরকারি তিতুমীর কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ২০০৪-০৫ শিক্ষাবর্ষের এই মিলনমেলা সেই চিরন্তন বন্ধুত্ব, শ্রদ্ধা ও ভালোবাসারই এক সুন্দর বহিঃপ্রকাশ। দিনশেষে সবাই ফিরে গেলেন নিজ নিজ কর্মব্যস্ত জীবনে, তবে সঙ্গে নিয়ে গেলেন একগুচ্ছ আনন্দময় স্মৃতি, প্রিয় শিক্ষকদের আশীর্বাদ এবং পুরোনো বন্ধুদের সঙ্গে আবারও দেখা হওয়ার প্রত্যাশা।
একই ক্যাম্পাস, একই বিভাগ, একই সময়ের অসংখ্য স্মৃতি—জীবনের পথ আলাদা হলেও বন্ধুত্বের ঠিকানা যে একই থাকে, তিতুমীর কলেজের ২০০৪-০৫ শিক্ষাবর্ষের এই মিলনমেলা যেন তারই এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।