কারিগরি ও ভোকেশনাল শিক্ষায় ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন শুরু ১৫ নভেম্বর

কারিগরি ও ভোকেশনাল শিক্ষায় ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন শুরু ১৫ নভেম্বর
২০২৭ শিক্ষাবর্ষে সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জুনিয়র সেকেন্ডারি (ভোকেশনাল) এবং জুনিয়র দাখিল (ভোকেশনাল) শিক্ষাক্রমের ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তির আবেদন গ্রহণ আগামী ১৫ নভেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে। এই আবেদন প্রক্রিয়া চলবে ২০২২ সালের ২২ ডিসেম্বর পর্যন্ত।

উল্লেখ্য, সাপ্তাহিক ছুটি ও সরকারি ছুটির দিনে কোনো আবেদনপত্র গ্রহণ করা হবে না। বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড সম্প্রতি প্রকাশিত এক নির্দেশিকায় ভর্তি সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জানিয়েছে।

এই নির্দেশিকা অনুযায়ী, লটারির মাধ্যমে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের তালিকা প্রকাশ করা হবে ২৩ ডিসেম্বর। এরপর নির্বাচিতদের ভর্তি কার্যক্রম আগামী ২৭ ডিসেম্বর থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে।

নতুন শিক্ষাবর্ষের ক্লাস এবং বই বিতরণ কার্যক্রম ৩ জানুয়ারি থেকে শুরু হবে। ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য অনুমোদিত বিদ্যালয় বা মাদ্রাসা থেকে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী, ইবতেদায়ি সমাপনী অথবা সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে।

শিক্ষার্থীদের বয়স ৩১ ডিসেম্বর তারিখে ১০ থেকে ১৩ বছরের মধ্যে থাকতে হবে। তবে দ্বিতীয় শিফটের প্রতিষ্ঠান এবং বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে বয়সের ঊর্ধ্বসীমা শিথিলযোগ্য।

ষষ্ঠ শ্রেণিতে যদি আসনের তুলনায় বেশি আবেদন জমা পড়ে, তবে লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী নির্বাচন করা হবে। অন্যদিকে, সাধারণ ও মাদ্রাসা শিক্ষাধারার ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণি উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা শূন্য আসন থাকা সাপেক্ষে যথাক্রমে সপ্তম ও অষ্টম শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন করতে পারবে।

এসব শ্রেণিতে যদি শূন্য আসনের চেয়ে বেশি আবেদন জমা পড়ে, তাহলে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে। ভর্তির আবেদন ফরমের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১১০ টাকা।

তবে দরিদ্র, মেধাবী ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানগুলোকে আবেদন ফি মওকুফের ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। ভর্তির নির্দেশিকায় বিভিন্ন শ্রেণির জন্য সংরক্ষিত আসনের বিস্তারিত বিবরণ দেওয়া হয়েছে।

এর মধ্যে বীর মুক্তিযোদ্ধা বা শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তান ও নাতি-নাতনিদের জন্য ৫ শতাংশ, প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের সন্তানদের জন্য ২ শতাংশ, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের জন্য ২ শতাংশ, সহোদর বা যমজ ভাই-বোনের জন্য ৩ শতাংশ এবং ক্যাচমেন্ট এলাকার শিক্ষার্থীদের জন্য ৪০ শতাংশ আসন সংরক্ষিত থাকবে। এছাড়াও, বদলিজনিত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য প্রতি শ্রেণিতে ২ শতাংশ অতিরিক্ত আসন রাখা হয়েছে।

সংরক্ষিত আসনে যোগ্য প্রার্থী না পাওয়া গেলে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে তা পূরণ করা হবে।