২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার প্রকাশিত ফলাফল পুনর্নিরীক্ষণ বা খাতা চ্যালেঞ্জের আবেদন জানানোর আজই শেষ দিন। শনিবার (৭ নভেম্বর ২০২৬) এই আবেদন প্রক্রিয়া সমাপ্ত হচ্ছে।
গত ৩১ অক্টোবর ফল প্রকাশের পর অনেক শিক্ষার্থীই তাদের প্রাপ্ত নম্বরে অসন্তুষ্ট হয়েছেন; যেখানে প্রায় ছয় লাখ পরীক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছেন। শিক্ষার্থীদের অসন্তোষ ও ফল বিপর্যয়ের প্রেক্ষিতে, বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি পুনর্নিরীক্ষণের বিস্তারিত নিয়মাবলী প্রকাশ করেছে।
গত ১ নভেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই আবেদন প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ অনলাইনে সম্পন্ন করতে হবে। কোনো ম্যানুয়াল আবেদন গ্রহণ করা হবে না।
ফল পুনর্নিরীক্ষণের জন্য শিক্ষার্থীদের নির্ধারিত ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে। সেখানে রোল নম্বর এবং রেজিস্ট্রেশন নম্বর সঠিকভাবে পূরণ করার পর বোর্ডের ড্রপডাউন তালিকা থেকে সংশ্লিষ্ট বোর্ড নির্বাচন করে ‘সাবমিট’ বাটনে ক্লিক করতে হবে।
এরপর একটি বৈধ মোবাইল নম্বর প্রদান করতে হবে, যেখানে পুনর্নিরীক্ষণের ফলাফল প্রকাশের পর এসএমএস পাঠানো হবে। পরবর্তী স্ক্রিনে শিক্ষার্থীর বিষয়ভিত্তিক ফলাফল দেখা যাবে।
এক বা একাধিক বিষয়ে আবেদন করার জন্য সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো নির্বাচন করে ‘ফি প্রদান করুন’ বাটনে ক্লিক করতে হবে। প্রতিটি পত্রের জন্য ১৫০ টাকা করে ফি নির্ধারণ করা হয়েছে।
দ্বিপত্রবিশিষ্ট বিষয়ের ক্ষেত্রে দুটি পত্রের জন্যই আবেদন করতে হবে। ফি পরিশোধের জন্য বিকাশ, নগদ, ডিবিবিএল রকেট, উপায় এবং সোনালী সেবার মতো বিভিন্ন মোবাইল ব্যাংকিং ও অনলাইন পেমেন্ট অপশন উপলব্ধ রয়েছে।
ফি পরিশোধের বিস্তারিত ধাপ পোর্টালের ‘পে’ বাটনে ক্লিক করে দেখা যাবে। সফলভাবে ফি পরিশোধের পর আবেদন পোর্টালে ফিরে এসে ‘জমা দিন’ বাটনে ক্লিক করে আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।
একবার ফি প্রদান করে আবেদন জমা দেওয়ার পর যদি আরও বিষয় যুক্ত করার প্রয়োজন হয়, তাহলে একই পদ্ধতিতে পুনরায় আবেদন করা যাবে, সেক্ষেত্রে নতুন করে মোবাইল নম্বর দেওয়ার দরকার পড়বে না। তবে, ফি পরিশোধের আগে আবেদন পরিবর্তন বা পরিমার্জনের প্রয়োজন হলে, ‘মুছে ফেলুন’ বাটনে ক্লিক করে নির্বাচিত বিষয়গুলো (যেগুলোর জন্য এখনও ফি প্রদান করা হয়নি) প্রত্যাহার করে নতুন বিষয় নির্বাচন করা যাবে।
গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, একবার ফি জমা দেওয়ার পর আবেদন করা বিষয়গুলো আর বাতিল করা যাবে না এবং এই ক্ষেত্রে কোনো অবস্থাতেই ফি ফেরত দেওয়া হবে না।
গত ৩১ অক্টোবর ফল প্রকাশের পর অনেক শিক্ষার্থীই তাদের প্রাপ্ত নম্বরে অসন্তুষ্ট হয়েছেন; যেখানে প্রায় ছয় লাখ পরীক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছেন। শিক্ষার্থীদের অসন্তোষ ও ফল বিপর্যয়ের প্রেক্ষিতে, বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি পুনর্নিরীক্ষণের বিস্তারিত নিয়মাবলী প্রকাশ করেছে।
গত ১ নভেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই আবেদন প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ অনলাইনে সম্পন্ন করতে হবে। কোনো ম্যানুয়াল আবেদন গ্রহণ করা হবে না।
ফল পুনর্নিরীক্ষণের জন্য শিক্ষার্থীদের নির্ধারিত ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে। সেখানে রোল নম্বর এবং রেজিস্ট্রেশন নম্বর সঠিকভাবে পূরণ করার পর বোর্ডের ড্রপডাউন তালিকা থেকে সংশ্লিষ্ট বোর্ড নির্বাচন করে ‘সাবমিট’ বাটনে ক্লিক করতে হবে।
এরপর একটি বৈধ মোবাইল নম্বর প্রদান করতে হবে, যেখানে পুনর্নিরীক্ষণের ফলাফল প্রকাশের পর এসএমএস পাঠানো হবে। পরবর্তী স্ক্রিনে শিক্ষার্থীর বিষয়ভিত্তিক ফলাফল দেখা যাবে।
এক বা একাধিক বিষয়ে আবেদন করার জন্য সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো নির্বাচন করে ‘ফি প্রদান করুন’ বাটনে ক্লিক করতে হবে। প্রতিটি পত্রের জন্য ১৫০ টাকা করে ফি নির্ধারণ করা হয়েছে।
দ্বিপত্রবিশিষ্ট বিষয়ের ক্ষেত্রে দুটি পত্রের জন্যই আবেদন করতে হবে। ফি পরিশোধের জন্য বিকাশ, নগদ, ডিবিবিএল রকেট, উপায় এবং সোনালী সেবার মতো বিভিন্ন মোবাইল ব্যাংকিং ও অনলাইন পেমেন্ট অপশন উপলব্ধ রয়েছে।
ফি পরিশোধের বিস্তারিত ধাপ পোর্টালের ‘পে’ বাটনে ক্লিক করে দেখা যাবে। সফলভাবে ফি পরিশোধের পর আবেদন পোর্টালে ফিরে এসে ‘জমা দিন’ বাটনে ক্লিক করে আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।
একবার ফি প্রদান করে আবেদন জমা দেওয়ার পর যদি আরও বিষয় যুক্ত করার প্রয়োজন হয়, তাহলে একই পদ্ধতিতে পুনরায় আবেদন করা যাবে, সেক্ষেত্রে নতুন করে মোবাইল নম্বর দেওয়ার দরকার পড়বে না। তবে, ফি পরিশোধের আগে আবেদন পরিবর্তন বা পরিমার্জনের প্রয়োজন হলে, ‘মুছে ফেলুন’ বাটনে ক্লিক করে নির্বাচিত বিষয়গুলো (যেগুলোর জন্য এখনও ফি প্রদান করা হয়নি) প্রত্যাহার করে নতুন বিষয় নির্বাচন করা যাবে।
গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, একবার ফি জমা দেওয়ার পর আবেদন করা বিষয়গুলো আর বাতিল করা যাবে না এবং এই ক্ষেত্রে কোনো অবস্থাতেই ফি ফেরত দেওয়া হবে না।