সৌদি আরবের পবিত্র নগরী মক্কায় মুষলধারে বৃষ্টির মধ্যেও ওমরাহ পালন ও অন্যান্য ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান অব্যাহত রেখেছেন মুসল্লিরা। গতকাল সোমবার মসজিদুল হারামে প্রবল বৃষ্টি চলাকালেও তাদের অবিচলভাবে ইবাদতে মগ্ন থাকতে দেখা যায়।
মক্কায় বৃষ্টির কারণে পবিত্র এই স্থানে এক ভিন্ন আধ্যাত্মিক পরিবেশের সৃষ্টি হয়। প্রতিকূল আবহাওয়া উপেক্ষা করে মুসল্লিদের নিরবচ্ছিন্ন ইবাদত বিশ্বজুড়ে ধর্মপ্রাণ মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।
সৌদি আরবের জাতীয় আবহাওয়া কেন্দ্র (NCM) মক্কাসহ দেশের বেশ কয়েকটি অঞ্চলে ভারী বৃষ্টি এবং বজ্রঝড়ের পূর্বাভাস দিয়েছিল। গত ১৯ অক্টোবর মক্কায় ভারী বৃষ্টির কারণে সর্বোচ্চ সতর্কতা বা রেড অ্যালার্ট জারি করা হয়, যেখানে প্রবল বাতাস, দৃষ্টিসীমা কমে যাওয়া, শিলাবৃষ্টি এবং আকস্মিক বন্যার আশঙ্কা ছিল।
এর আগেও গত ১৪ অক্টোবর মক্কা, জাজান এবং আল-বাহা অঞ্চলের কয়েকটি এলাকায় একই ধরনের ভারী বৃষ্টির আশঙ্কায় রেড অ্যালার্ট জারি করা হয়েছিল। আবহাওয়া বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, বৃষ্টিপাতের সঙ্গে আকস্মিক বন্যা ও প্রবল বাতাসের ঝুঁকি থাকায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সতর্কতা মেনে চলা জরুরি।
পবিত্র মক্কায় প্রবল বৃষ্টির মধ্যে মুসল্লিদের ওমরাহ পালন ও ইবাদতের এই দৃশ্য বিশ্বজুড়ে মুসলমানদের আবারও অনুপ্রাণিত করেছে। তবে, এই বৃষ্টিপাতের কারণে কোনো হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটেছে কি না, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো তথ্য এখনও পাওয়া যায়নি।
মক্কায় বৃষ্টির কারণে পবিত্র এই স্থানে এক ভিন্ন আধ্যাত্মিক পরিবেশের সৃষ্টি হয়। প্রতিকূল আবহাওয়া উপেক্ষা করে মুসল্লিদের নিরবচ্ছিন্ন ইবাদত বিশ্বজুড়ে ধর্মপ্রাণ মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।
সৌদি আরবের জাতীয় আবহাওয়া কেন্দ্র (NCM) মক্কাসহ দেশের বেশ কয়েকটি অঞ্চলে ভারী বৃষ্টি এবং বজ্রঝড়ের পূর্বাভাস দিয়েছিল। গত ১৯ অক্টোবর মক্কায় ভারী বৃষ্টির কারণে সর্বোচ্চ সতর্কতা বা রেড অ্যালার্ট জারি করা হয়, যেখানে প্রবল বাতাস, দৃষ্টিসীমা কমে যাওয়া, শিলাবৃষ্টি এবং আকস্মিক বন্যার আশঙ্কা ছিল।
এর আগেও গত ১৪ অক্টোবর মক্কা, জাজান এবং আল-বাহা অঞ্চলের কয়েকটি এলাকায় একই ধরনের ভারী বৃষ্টির আশঙ্কায় রেড অ্যালার্ট জারি করা হয়েছিল। আবহাওয়া বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, বৃষ্টিপাতের সঙ্গে আকস্মিক বন্যা ও প্রবল বাতাসের ঝুঁকি থাকায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সতর্কতা মেনে চলা জরুরি।
পবিত্র মক্কায় প্রবল বৃষ্টির মধ্যে মুসল্লিদের ওমরাহ পালন ও ইবাদতের এই দৃশ্য বিশ্বজুড়ে মুসলমানদের আবারও অনুপ্রাণিত করেছে। তবে, এই বৃষ্টিপাতের কারণে কোনো হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটেছে কি না, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো তথ্য এখনও পাওয়া যায়নি।