ইরান, ইসরায়েল এবং পশ্চিমা বিশ্বের মধ্যে তীব্র বৈরিতা ও সামরিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটেও তেহরানের ইহুদি সম্প্রদায়ের দৈনন্দিন জীবন ও শিক্ষা কার্যক্রমে এক ভিন্ন ও অপ্রত্যাশিত চিত্র দেখা যায়। রাজধানী তেহরানের ইহুদি অধ্যুষিত একটি বিদ্যালয়ে ধর্মীয় প্রতীকের পাশাপাশি সম্মানের সঙ্গে টাঙানো রয়েছে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির প্রতিকৃতি।
এই ব্যতিক্রমী ও বাস্তব চিত্র তেহরানের ইহুদিদের জীবনযাত্রার এক বিশেষ দিক তুলে ধরে। তেহরানের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত ‘মুসা ইবনে ইমরান’ বালক বিদ্যালয় পরিদর্শনে দেখা গেছে, শ্রেণিকক্ষের দেয়ালে একদিকে ইহুদি সংস্কৃতির অন্যতম প্রধান প্রতীক ঐতিহ্যবাহী মেনোরাহ শোভা পাচ্ছে।
আর তার ঠিক পাশেই সসম্মানে প্রদর্শিত হচ্ছে দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির প্রতিকৃতি। এই বিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের প্রায় সবাই ইহুদি ধর্মাবলম্বী হলেও, শিক্ষকতায় নিয়োজিত রয়েছেন ইহুদি ও মুসলিম উভয় সম্প্রদায়ের শিক্ষকরাই, যা এক দারুণ সম্প্রীতির ইঙ্গিত দেয়।
শিক্ষার্থীরা এখানে ইরানের সাধারণ জাতীয় পাঠ্যক্রমের পাশাপাশি তাদের ধর্মীয় অনুশাসন এবং হিব্রু ভাষার পাঠ গ্রহণ করে। ধর্মীয় উৎসব সংক্রান্ত নির্দেশিকাগুলোও তাদের ফার্সি ও হিব্রু—উভয় ভাষাতেই শিক্ষা দেওয়া হয়, যা শিক্ষার্থীদের সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় পরিচিতিকে সম্মান জানায়।
একইভাবে ইহুদি বালিকা বিদ্যালয়গুলোতেও ধর্ম ও স্থানীয় সংস্কৃতির এক সুন্দর মেলবন্ধন চোখে পড়ে। সেখানে শিক্ষার্থীরা ফার্সি জনপ্রিয় গানের সঙ্গে উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠে এবং দেশটির নিয়মানুযায়ী হিজাব পরিধান করে, যা সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্যই প্রযোজ্য।
এই সমন্বিত জীবনযাপন স্থানীয় সংস্কৃতির প্রতি তাদের শ্রদ্ধা ও আনুগত্য প্রকাশ করে। শিক্ষার্থীরা স্পষ্টতই জানায় যে, মুসলিম ও ইহুদিদের মধ্যে স্থানীয়ভাবে কোনো শত্রুতা নেই; বরং তারা পরস্পরের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখে দীর্ঘকাল ধরে শান্তিতে বসবাস করে আসছে।
এই দৃশ্যপট বাহ্যিকভাবে পশ্চিমা বিশ্বে ইরান সম্পর্কে প্রচলিত ধারণার সম্পূর্ণ বিপরীত এবং অপ্রত্যাশিত, যা তেহরানের অভ্যন্তরীণ সহাবস্থানের এক গভীর বার্তা বহন করে।
এই ব্যতিক্রমী ও বাস্তব চিত্র তেহরানের ইহুদিদের জীবনযাত্রার এক বিশেষ দিক তুলে ধরে। তেহরানের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত ‘মুসা ইবনে ইমরান’ বালক বিদ্যালয় পরিদর্শনে দেখা গেছে, শ্রেণিকক্ষের দেয়ালে একদিকে ইহুদি সংস্কৃতির অন্যতম প্রধান প্রতীক ঐতিহ্যবাহী মেনোরাহ শোভা পাচ্ছে।
আর তার ঠিক পাশেই সসম্মানে প্রদর্শিত হচ্ছে দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির প্রতিকৃতি। এই বিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের প্রায় সবাই ইহুদি ধর্মাবলম্বী হলেও, শিক্ষকতায় নিয়োজিত রয়েছেন ইহুদি ও মুসলিম উভয় সম্প্রদায়ের শিক্ষকরাই, যা এক দারুণ সম্প্রীতির ইঙ্গিত দেয়।
শিক্ষার্থীরা এখানে ইরানের সাধারণ জাতীয় পাঠ্যক্রমের পাশাপাশি তাদের ধর্মীয় অনুশাসন এবং হিব্রু ভাষার পাঠ গ্রহণ করে। ধর্মীয় উৎসব সংক্রান্ত নির্দেশিকাগুলোও তাদের ফার্সি ও হিব্রু—উভয় ভাষাতেই শিক্ষা দেওয়া হয়, যা শিক্ষার্থীদের সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় পরিচিতিকে সম্মান জানায়।
একইভাবে ইহুদি বালিকা বিদ্যালয়গুলোতেও ধর্ম ও স্থানীয় সংস্কৃতির এক সুন্দর মেলবন্ধন চোখে পড়ে। সেখানে শিক্ষার্থীরা ফার্সি জনপ্রিয় গানের সঙ্গে উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠে এবং দেশটির নিয়মানুযায়ী হিজাব পরিধান করে, যা সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্যই প্রযোজ্য।
এই সমন্বিত জীবনযাপন স্থানীয় সংস্কৃতির প্রতি তাদের শ্রদ্ধা ও আনুগত্য প্রকাশ করে। শিক্ষার্থীরা স্পষ্টতই জানায় যে, মুসলিম ও ইহুদিদের মধ্যে স্থানীয়ভাবে কোনো শত্রুতা নেই; বরং তারা পরস্পরের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখে দীর্ঘকাল ধরে শান্তিতে বসবাস করে আসছে।
এই দৃশ্যপট বাহ্যিকভাবে পশ্চিমা বিশ্বে ইরান সম্পর্কে প্রচলিত ধারণার সম্পূর্ণ বিপরীত এবং অপ্রত্যাশিত, যা তেহরানের অভ্যন্তরীণ সহাবস্থানের এক গভীর বার্তা বহন করে।