লিওনেল মেসির জীবনকে বর্তমানে দুটি অধ্যায়ে বিভক্ত করা যায়: পিতার প্রয়াণের পূর্ববর্তী ও পরবর্তী। চলমান পিতৃবিয়োগ-পরবর্তী অধ্যায়ে, ইন্টার মায়ামি তারকার জন্য এই গোলটি নিঃসন্দেহে এক অবিস্মরণীয় মুহূর্ত। কারণ, এটি তাঁর বাবার মৃত্যুর পর প্রথম গোল।
গোল উদযাপনেও মিশে ছিল গভীর আবেগ। দুই হাতের অনামিকা আকাশের দিকে তুলে এই কিংবদন্তি স্মরণ করেন প্রয়াত দাদি সেলিয়া অলিভেরা এবং বাবা হোর্হে মেসিকে। মায়ামি ফরোয়ার্ডের বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারে তাঁদের অবদান অনস্বীকার্য। শৈশবে প্রতিদিন বিকেলে দাদি তাঁকে খেলার মাঠে নিয়ে যেতেন, আর বাবা ছিলেন পরম বন্ধুর মতো, যিনি সন্তানের ফুটবল যাত্রাকে সঠিক পথে পরিচালিত করতে এজেন্টের দায়িত্বও পালন করেছেন।
দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর গত ৮ আগস্ট মেসির বাবা পরলোকগমন করেন। এটি ছিল মেসির তৃতীয় ম্যাচ। আজ সকালে চেষ্টারের সুবারু পার্কে স্বাগতিক ফিলাডেলফিয়ার বিপক্ষে মায়ামির ২-২ গোলের ড্র ম্যাচে, আর্জেন্টাইন এই কিংবদন্তি প্রথমার্ধেই একটি দৃষ্টিনন্দন গোল করেন। ম্যাচের ২৬তম মিনিটে, যখন দুই দল ১-১ গোলে সমতায় ছিল, মেসি ডান প্রান্তে পাস পেয়ে একজন ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে পেনাল্টি বক্সের জটলা থেকে বাঁকানো শটে গোলটি করেন। ক্যারিয়ারে পূর্বে করা ৯২০টি গোলের তুলনায় এই গোলটি নিঃসন্দেহে তাঁর কাছে ভিন্ন এক তাৎপর্য বহন করে।
ম্যাচের ২১তম মিনিটে ড্যানিয়েল পিন্টারের মাধ্যমে ইন্টার মায়ামির প্রথম গোলেও মেসির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল; বাঁ প্রান্ত ধরে আক্রমণ তৈরি করেছিলেন তিনি। স্বাগতিকদের পক্ষে প্রথমার্ধের ১১ মিনিটে ইন্ডিয়ান ভাসিলেভ এবং ম্যাচের ৫৮ মিনিটে নিল পিয়ের গোল করেন। এছাড়া, ভিএআরের (ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি) হস্তক্ষেপে ফিলাডেলফিয়ার একটি গোল বাতিল হয়।
১৩টি গোল নিয়ে মেসি মেজর লিগ সকারের (এমএলএস) সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছেন। এফসি ডালাসের ক্রোয়েশিয়ান ফরোয়ার্ড পেতার মুসার থেকে তিনি মাত্র এক গোলে পিছিয়ে আছেন।
বাবার প্রয়াণের পর আগের দুটি ম্যাচে মেসি গোল করতে ব্যর্থ হন। ওই দুই ম্যাচের প্রথমটিতে মেক্সিকোর লিওনের কাছে ৩-২ গোলে হেরে লিগস কাপ থেকে বিদায় নেয় মায়ামি। পরবর্তীতে, এমএলএসে ন্যাশভিলের কাছে ৪-১ গোলের বিশাল ব্যবধানে পরাজিত হয় তারা, যেখানে মেসি একটি পেনাল্টিও মিস করেন। এমএলএস ইস্টার্ন কনফারেন্স পয়েন্ট টেবিলে শীর্ষে থাকা ন্যাশভিলের থেকে ৭ পয়েন্ট পিছিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে মায়ামি (৩৯ পয়েন্ট)।
যোগ করা অতিরিক্ত সময়ে মোট ১২ মিনিট খেলা হয়। ম্যাচের একদম শেষ মুহূর্তে মায়ামির ইয়ানিক ব্রাইট এবং ফিলাডেলফিয়ার ১৬ বছর বয়সী বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মিডফিল্ডার কাভান সুলিভান লাল কার্ড প্রাপ্ত হন। এই ঘটনার সূত্রপাত হয় কাভানের ভাই কুইন সুলিভানের সঙ্গে মায়ামির ইয়ান ফ্রে-এর বাদানুবাদ থেকে, যেখানে ফ্রে একটি গুরুতর ফাউল করেছিলেন বলে প্রতীয়মান হয়। এই বাদানুবাদের জেরে মাঠে ধাক্কাধাক্কিতে জড়িয়ে পড়েন মায়ামির ইয়ানিক ব্রাইট ও ফিলাডেলফিয়ার কাভান। পরিস্থিতি শান্ত হলে রেফারি কাভান ও ব্রাইট উভয়কে লাল কার্ড প্রদর্শন করেন এবং কুইনকে হলুদ কার্ড দেখান। এর ফলস্বরূপ, ২২শে আগস্ট ফিলাডেলফিয়ার পরবর্তী ম্যাচে কাভান খেলতে পারবেন না।
১৮ বছর বয়স পূর্ণ হলেই সুলিভান প্রিমিয়ার লিগের শক্তিশালী দল ম্যানচেস্টার সিটিতে যোগ দেবেন। ২০২৬ সাল নাগাদ ফিলাডেলফিয়া ইউনিয়নের মূল একাদশে নিয়মিত স্থান করে নেওয়ার পাশাপাশি দুটি গোলও করেছেন তিনি। এই বছর ফিলাডেলফিয়ার খেলা ১৮টি ম্যাচের মধ্যে ১১টিতেই তিনি মূল একাদশের সদস্য হিসেবে মাঠে নেমেছেন।
গোল উদযাপনেও মিশে ছিল গভীর আবেগ। দুই হাতের অনামিকা আকাশের দিকে তুলে এই কিংবদন্তি স্মরণ করেন প্রয়াত দাদি সেলিয়া অলিভেরা এবং বাবা হোর্হে মেসিকে। মায়ামি ফরোয়ার্ডের বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারে তাঁদের অবদান অনস্বীকার্য। শৈশবে প্রতিদিন বিকেলে দাদি তাঁকে খেলার মাঠে নিয়ে যেতেন, আর বাবা ছিলেন পরম বন্ধুর মতো, যিনি সন্তানের ফুটবল যাত্রাকে সঠিক পথে পরিচালিত করতে এজেন্টের দায়িত্বও পালন করেছেন।
দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর গত ৮ আগস্ট মেসির বাবা পরলোকগমন করেন। এটি ছিল মেসির তৃতীয় ম্যাচ। আজ সকালে চেষ্টারের সুবারু পার্কে স্বাগতিক ফিলাডেলফিয়ার বিপক্ষে মায়ামির ২-২ গোলের ড্র ম্যাচে, আর্জেন্টাইন এই কিংবদন্তি প্রথমার্ধেই একটি দৃষ্টিনন্দন গোল করেন। ম্যাচের ২৬তম মিনিটে, যখন দুই দল ১-১ গোলে সমতায় ছিল, মেসি ডান প্রান্তে পাস পেয়ে একজন ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে পেনাল্টি বক্সের জটলা থেকে বাঁকানো শটে গোলটি করেন। ক্যারিয়ারে পূর্বে করা ৯২০টি গোলের তুলনায় এই গোলটি নিঃসন্দেহে তাঁর কাছে ভিন্ন এক তাৎপর্য বহন করে।
ম্যাচের ২১তম মিনিটে ড্যানিয়েল পিন্টারের মাধ্যমে ইন্টার মায়ামির প্রথম গোলেও মেসির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল; বাঁ প্রান্ত ধরে আক্রমণ তৈরি করেছিলেন তিনি। স্বাগতিকদের পক্ষে প্রথমার্ধের ১১ মিনিটে ইন্ডিয়ান ভাসিলেভ এবং ম্যাচের ৫৮ মিনিটে নিল পিয়ের গোল করেন। এছাড়া, ভিএআরের (ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি) হস্তক্ষেপে ফিলাডেলফিয়ার একটি গোল বাতিল হয়।
১৩টি গোল নিয়ে মেসি মেজর লিগ সকারের (এমএলএস) সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছেন। এফসি ডালাসের ক্রোয়েশিয়ান ফরোয়ার্ড পেতার মুসার থেকে তিনি মাত্র এক গোলে পিছিয়ে আছেন।
বাবার প্রয়াণের পর আগের দুটি ম্যাচে মেসি গোল করতে ব্যর্থ হন। ওই দুই ম্যাচের প্রথমটিতে মেক্সিকোর লিওনের কাছে ৩-২ গোলে হেরে লিগস কাপ থেকে বিদায় নেয় মায়ামি। পরবর্তীতে, এমএলএসে ন্যাশভিলের কাছে ৪-১ গোলের বিশাল ব্যবধানে পরাজিত হয় তারা, যেখানে মেসি একটি পেনাল্টিও মিস করেন। এমএলএস ইস্টার্ন কনফারেন্স পয়েন্ট টেবিলে শীর্ষে থাকা ন্যাশভিলের থেকে ৭ পয়েন্ট পিছিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে মায়ামি (৩৯ পয়েন্ট)।
যোগ করা অতিরিক্ত সময়ে মোট ১২ মিনিট খেলা হয়। ম্যাচের একদম শেষ মুহূর্তে মায়ামির ইয়ানিক ব্রাইট এবং ফিলাডেলফিয়ার ১৬ বছর বয়সী বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মিডফিল্ডার কাভান সুলিভান লাল কার্ড প্রাপ্ত হন। এই ঘটনার সূত্রপাত হয় কাভানের ভাই কুইন সুলিভানের সঙ্গে মায়ামির ইয়ান ফ্রে-এর বাদানুবাদ থেকে, যেখানে ফ্রে একটি গুরুতর ফাউল করেছিলেন বলে প্রতীয়মান হয়। এই বাদানুবাদের জেরে মাঠে ধাক্কাধাক্কিতে জড়িয়ে পড়েন মায়ামির ইয়ানিক ব্রাইট ও ফিলাডেলফিয়ার কাভান। পরিস্থিতি শান্ত হলে রেফারি কাভান ও ব্রাইট উভয়কে লাল কার্ড প্রদর্শন করেন এবং কুইনকে হলুদ কার্ড দেখান। এর ফলস্বরূপ, ২২শে আগস্ট ফিলাডেলফিয়ার পরবর্তী ম্যাচে কাভান খেলতে পারবেন না।
১৮ বছর বয়স পূর্ণ হলেই সুলিভান প্রিমিয়ার লিগের শক্তিশালী দল ম্যানচেস্টার সিটিতে যোগ দেবেন। ২০২৬ সাল নাগাদ ফিলাডেলফিয়া ইউনিয়নের মূল একাদশে নিয়মিত স্থান করে নেওয়ার পাশাপাশি দুটি গোলও করেছেন তিনি। এই বছর ফিলাডেলফিয়ার খেলা ১৮টি ম্যাচের মধ্যে ১১টিতেই তিনি মূল একাদশের সদস্য হিসেবে মাঠে নেমেছেন।