একসময় ওয়ানডে বিশ্বকাপে সরাসরি অংশগ্রহণের জন্য বাংলাদেশের বাছাইপর্বের যে অনিশ্চয়তা ছিল, তা এখন সম্পূর্ণরূপে দূর হয়েছে। লিটন দাসের নেতৃত্বাধীন দলটি আনুষ্ঠানিকভাবে ২০২৭ সালের আরেকটি বৈশ্বিক ওয়ানডে আসরে তাদের স্থান নিশ্চিত করেছে। ২৪ বছর পর আফ্রিকা মহাদেশে আয়োজিত হতে যাওয়া এই বিশ্বকাপে দশটি দলের সরাসরি অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হয়েছে। বাকি চারটি স্থান নির্ধারণ হবে একটি কঠোর বাছাই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে, যেখানে দুইবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ওয়েস্ট ইন্ডিজ আবারও কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। পূর্ববর্তী দুটি আসরের থেকে এবারের খেলা সম্পূর্ণ নতুন আদলে অনুষ্ঠিত হবে।
সরাসরি মূল পর্বে কারা:
সহ-আয়োজক দেশ হিসেবে দক্ষিণ আফ্রিকা ও জিম্বাবুয়ে সরাসরি মূল পর্বে খেলার টিকিট পেয়েছে। তবে, আইসিসির পূর্ণ সদস্য না হওয়ায় আরেক আয়োজক নামিবিয়াকে মূল পর্বে পৌঁছানোর জন্য বাছাইপর্বের কঠিন পথ পাড়ি দিতে হবে।
আয়োজক এই দুটি দেশের পাশাপাশি ওয়ানডে র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ অবস্থানে থাকার সুবাদে সরাসরি বিশ্বকাপ নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা এবং আফগানিস্তান।
গুরুত্বপূর্ণ দুই টেস্ট খেলুড়ে দেশ, দুইবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ওয়েস্ট ইন্ডিজ এবং আয়ারল্যান্ড সরাসরি মূল পর্বে উঠতে ব্যর্থ হয়েছে। অবশিষ্ট চারটি স্থানের জন্য তাদের নামিবিয়াসহ মোট ১০টি দলকে বাছাইপর্বের অগ্নিপরীক্ষায় অংশ নিতে হবে। এই বাছাইপর্ব থেকেই মূল পর্বের শেষ চারটি দল নির্ধারিত হবে।
তিন ধাপের নতুন রোমাঞ্চকর ফরম্যাট:
১৪টি দলের এই বিশ্বকাপে দর্শকদের জন্য বাড়তি উন্মাদনা নিশ্চিত করতে আইসিসি একটি সম্পূর্ণ নতুন তিন ধাপের ফরম্যাট চালু করেছে:
প্রথম ধাপ (সুপার সিরিজ): মূল পর্বে আসা ১৪টি দলের মধ্যে র্যাঙ্কিংয়ে সর্বনিম্নে থাকা ৩টি দল এই ধাপে একে অপরের মুখোমুখি হবে। লিগ পদ্ধতির এই পর্ব থেকে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষ দলটি পরের রাউন্ডে খেলার সুযোগ পাবে।
দ্বিতীয় ধাপ (গ্রুপ পর্ব): আগের ধাপের সেরা দল এবং মূল পর্বের বাকি ১১টি দল—সব মিলিয়ে মোট ১২টি দলকে ৬টি করে দুটি গ্রুপে ভাগ করা হবে। প্রতিটি দল তাদের গ্রুপের অন্য ৫টি দলের বিপক্ষে একটি করে ম্যাচ খেলবে।
তৃতীয় ধাপ (সুপার ৭): দুটি গ্রুপ থেকে শীর্ষ ৩টি করে মোট ৬টি দল এবং উভয় গ্রুপ মিলিয়ে পয়েন্টের দিক থেকে এগিয়ে থাকা সেরা চতুর্থ দলটি—এই ৭টি দল নিয়ে ‘সুপার ৭’ পর্ব শুরু হবে। এখানে দলগুলো মোট ২১টি রবিন-লিগ ম্যাচে একে অপরের সঙ্গে লড়বে।
শেষ চারের লড়াই ও স্বপ্নের ফাইনাল:
সুপার ৭ পর্ব শেষে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষ চারটি দল সরাসরি সেমিফাইনালের টিকিট পাবে।
প্রথম সেমিফাইনাল: পয়েন্ট টেবিলের ১ নম্বর দল বনাম ৪ নম্বর দল।
দ্বিতীয় সেমিফাইনাল: পয়েন্ট টেবিলের ২ নম্বর দল বনাম ৩ নম্বর দল।
দুটি সেমিফাইনালের বিজয়ী দল ২১শে নভেম্বর শিরোপা জয়ের চূড়ান্ত লড়াইয়ে মুখোমুখি হবে।
সরাসরি মূল পর্বে কারা:
সহ-আয়োজক দেশ হিসেবে দক্ষিণ আফ্রিকা ও জিম্বাবুয়ে সরাসরি মূল পর্বে খেলার টিকিট পেয়েছে। তবে, আইসিসির পূর্ণ সদস্য না হওয়ায় আরেক আয়োজক নামিবিয়াকে মূল পর্বে পৌঁছানোর জন্য বাছাইপর্বের কঠিন পথ পাড়ি দিতে হবে।
আয়োজক এই দুটি দেশের পাশাপাশি ওয়ানডে র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ অবস্থানে থাকার সুবাদে সরাসরি বিশ্বকাপ নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা এবং আফগানিস্তান।
গুরুত্বপূর্ণ দুই টেস্ট খেলুড়ে দেশ, দুইবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ওয়েস্ট ইন্ডিজ এবং আয়ারল্যান্ড সরাসরি মূল পর্বে উঠতে ব্যর্থ হয়েছে। অবশিষ্ট চারটি স্থানের জন্য তাদের নামিবিয়াসহ মোট ১০টি দলকে বাছাইপর্বের অগ্নিপরীক্ষায় অংশ নিতে হবে। এই বাছাইপর্ব থেকেই মূল পর্বের শেষ চারটি দল নির্ধারিত হবে।
তিন ধাপের নতুন রোমাঞ্চকর ফরম্যাট:
১৪টি দলের এই বিশ্বকাপে দর্শকদের জন্য বাড়তি উন্মাদনা নিশ্চিত করতে আইসিসি একটি সম্পূর্ণ নতুন তিন ধাপের ফরম্যাট চালু করেছে:
প্রথম ধাপ (সুপার সিরিজ): মূল পর্বে আসা ১৪টি দলের মধ্যে র্যাঙ্কিংয়ে সর্বনিম্নে থাকা ৩টি দল এই ধাপে একে অপরের মুখোমুখি হবে। লিগ পদ্ধতির এই পর্ব থেকে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষ দলটি পরের রাউন্ডে খেলার সুযোগ পাবে।
দ্বিতীয় ধাপ (গ্রুপ পর্ব): আগের ধাপের সেরা দল এবং মূল পর্বের বাকি ১১টি দল—সব মিলিয়ে মোট ১২টি দলকে ৬টি করে দুটি গ্রুপে ভাগ করা হবে। প্রতিটি দল তাদের গ্রুপের অন্য ৫টি দলের বিপক্ষে একটি করে ম্যাচ খেলবে।
তৃতীয় ধাপ (সুপার ৭): দুটি গ্রুপ থেকে শীর্ষ ৩টি করে মোট ৬টি দল এবং উভয় গ্রুপ মিলিয়ে পয়েন্টের দিক থেকে এগিয়ে থাকা সেরা চতুর্থ দলটি—এই ৭টি দল নিয়ে ‘সুপার ৭’ পর্ব শুরু হবে। এখানে দলগুলো মোট ২১টি রবিন-লিগ ম্যাচে একে অপরের সঙ্গে লড়বে।
শেষ চারের লড়াই ও স্বপ্নের ফাইনাল:
সুপার ৭ পর্ব শেষে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষ চারটি দল সরাসরি সেমিফাইনালের টিকিট পাবে।
প্রথম সেমিফাইনাল: পয়েন্ট টেবিলের ১ নম্বর দল বনাম ৪ নম্বর দল।
দ্বিতীয় সেমিফাইনাল: পয়েন্ট টেবিলের ২ নম্বর দল বনাম ৩ নম্বর দল।
দুটি সেমিফাইনালের বিজয়ী দল ২১শে নভেম্বর শিরোপা জয়ের চূড়ান্ত লড়াইয়ে মুখোমুখি হবে।