এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল (এসিসি)-এর পরবর্তী সভাপতি হিসেবে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি তামিম ইকবালের সম্ভাব্য দায়িত্ব গ্রহণের বিষয়টি এখন ক্রিকেট মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। বর্তমান সভাপতি পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) চেয়ারম্যান মোহসিন নাকভির মেয়াদ ২০২৭ সালের এপ্রিলে শেষ হওয়ার পর এই পদটি বাংলাদেশের ভাগে আসতে পারে।
এসিসির নিয়ম অনুযায়ী, এর পূর্ণ সদস্য পাঁচটি দেশ – ভারত, শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান – এর মধ্যে পর্যায়ক্রমে সভাপতির দায়িত্ব বণ্টন করা হয়। এই ধারাবাহিকতায় পরবর্তী মেয়াদে বাংলাদেশের নেতৃত্ব পাওয়ার কথা রয়েছে।
যদিও এসিসির গঠনতন্ত্রে নির্বাহী বোর্ডের সদস্যদের সম্মতিতে সভাপতির মেয়াদ বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে, তবে ভারতীয় ক্রিকেটভিত্তিক ওয়েবসাইট ক্রিকবাজের একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, বর্তমান নির্বাহী বোর্ডের মধ্যে মোহসিন নাকভির মেয়াদ বৃদ্ধির বিষয়ে ঐকমত্য নেই। সম্প্রতি এশিয়া কাপের ট্রফি বিতরণ অনুষ্ঠান ঘিরে ভারত ও এসিসির মধ্যে যে পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল, তা মোহসিন নাকভির নেতৃত্ব নিয়ে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
মোহসিন নাকভির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর ২০২৭ সালের এপ্রিল থেকে এসিসির নেতৃত্বে তামিম ইকবালকে দেখা যাবে কিনা, তা নির্ভর করবে সংগঠনটির আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া এবং সদস্য দেশগুলোর সম্মিলিত সিদ্ধান্তের ওপর। এই সম্ভাব্য পরিবর্তন এশিয়ান ক্রিকেটের আগামী দিনের গতিপথে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে পারে।
এসিসির নিয়ম অনুযায়ী, এর পূর্ণ সদস্য পাঁচটি দেশ – ভারত, শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান – এর মধ্যে পর্যায়ক্রমে সভাপতির দায়িত্ব বণ্টন করা হয়। এই ধারাবাহিকতায় পরবর্তী মেয়াদে বাংলাদেশের নেতৃত্ব পাওয়ার কথা রয়েছে।
যদিও এসিসির গঠনতন্ত্রে নির্বাহী বোর্ডের সদস্যদের সম্মতিতে সভাপতির মেয়াদ বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে, তবে ভারতীয় ক্রিকেটভিত্তিক ওয়েবসাইট ক্রিকবাজের একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, বর্তমান নির্বাহী বোর্ডের মধ্যে মোহসিন নাকভির মেয়াদ বৃদ্ধির বিষয়ে ঐকমত্য নেই। সম্প্রতি এশিয়া কাপের ট্রফি বিতরণ অনুষ্ঠান ঘিরে ভারত ও এসিসির মধ্যে যে পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল, তা মোহসিন নাকভির নেতৃত্ব নিয়ে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
মোহসিন নাকভির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর ২০২৭ সালের এপ্রিল থেকে এসিসির নেতৃত্বে তামিম ইকবালকে দেখা যাবে কিনা, তা নির্ভর করবে সংগঠনটির আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া এবং সদস্য দেশগুলোর সম্মিলিত সিদ্ধান্তের ওপর। এই সম্ভাব্য পরিবর্তন এশিয়ান ক্রিকেটের আগামী দিনের গতিপথে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে পারে।