ভারতের মাটিতে সাদা বলের ক্রিকেটে নিজেদের ঝলক দেখালেও, সম্পূর্ণ ভিন্ন ফরম্যাটের লড়াইয়ে নামতে চলেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। টেস্টে সাম্প্রতিক সময়ে তাদের রেকর্ড খুব একটা উজ্জ্বল নয়, তবে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের বর্তমান চক্রে শেষটা দারুণভাবে রাঙাতে চান উইন্ডিজ কোচ ড্যারেন স্যামি।
সোমবার মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে সংবাদ সম্মেলনে সিরিজের প্রস্তুতি নিয়ে কথা বলেন তিনি। সিরিজ নিয়ে স্যামি বলেন, “বাংলাদেশ ভালো ক্রিকেট খেলছে, আমরাও এই বছর ভালো ক্রিকেট খেলেছি।
আমরা সিরিজের জন্য উন্মুখ হয়ে আছি। প্রতিপক্ষকে আমরা যথেষ্ট সম্মান করি, তাদের নিয়ে গবেষণা করছি এবং জয়ের জন্য আমাদের পরিকল্পনা প্রস্তুত।” ঘরের মাঠে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রেকর্ড বেশ শক্তিশালী; সর্বশেষ চারটি ম্যাচেই জয় পেয়েছে স্বাগতিকরা।
বাংলাদেশের বিপক্ষে খেলতে কোনো চাপ অনুভব করছেন কিনা, এমন প্রশ্নের উত্তরে স্যামি জানান, “জীবনে সবসময়ই চাপ থাকে। কীভাবে আপনি তা সামলান, সেটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল সাধারণত সবারই দ্বিতীয় পছন্দের দল।” তিনি যোগ করেন, “এই বাংলাদেশেই আমার সেরা টি-টোয়েন্টি ম্যাচগুলোর একটি হয়েছে। তাদের বিপক্ষে আমাদের কিছু দারুণ সিরিজ কেটেছে।” বর্তমান বছর দুই দলের পারফরম্যান্সের দিকে ইঙ্গিত করে স্যামি বলেন, “এই বছর উভয় দল যেভাবে খেলেছে, তাতে এটি একটি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ সিরিজ হতে চলেছে।
শেষ পর্যন্ত, যে দল মোমেন্টাম নিজেদের পক্ষে বেশি ধরে রাখতে পারবে, তারাই জিতবে। আমরা এখানে সেই লক্ষ্যেই এসেছি।” বাংলাদেশের প্রশংসায় তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশ এই বছর ভালো করেছে, তারা অস্ট্রেলিয়ায় গিয়ে ভালো খেলেছে, তাদের আত্মবিশ্বাস এখন অনেক উঁচুতে।
ছেলেরা খেলছে এবং পারফর্ম করছে, ঠিক যেমন আমার দলের ছেলেরাও এই বছর খেলছে ও খুব ভালো করছে। আমি সিরিজটি নিয়ে রোমাঞ্চিত।” টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের বর্তমান চক্রে ওয়েস্ট ইন্ডিজের অবস্থান তেমন ভালো নয়, ৯ দলের মধ্যে তারা অষ্টম স্থানে রয়েছে।
তবে শেষটা ভালোভাবে করতে মরিয়া তারা, আর এজন্য ক্রিকেটারদের সর্বোচ্চটা উজাড় করে দেওয়ার বার্তা দিয়েছেন কোচ। এ প্রসঙ্গে স্যামি বলেন, “এই বছর আমরা যেভাবে টেস্ট ক্রিকেট খেলেছি, তাতে কোনো সিরিজ হারিনি।
সিরিজ না হেরে একটি পুরো বছর পার করা বড় ব্যাপার।” এটি তাদের টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের শেষ সিরিজ উল্লেখ করে স্যামি তার খেলোয়াড়দের উদ্দেশে বলেন, “ছেলেরা, সবকিছু উজাড় করে দাও। এই চক্রে আমাদের জন্য টেস্ট ক্রিকেটের আর সম্ভাব্য দশ দিন বাকি আছে এবং মাঠে নেমে নিজেদের সেরাটা দিয়ে দাও।
যা-ই তোমাদের অনুপ্রাণিত করুক না কেন, তা ব্যবহার করেই মাঠে পারফরম্যান্স বের করে আনো।” কোচ আরও জানান, তারা খুব ভালো প্রস্তুতি নিয়েছেন এবং টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের শুরুতেই তাদের লক্ষ্য ছিল কোথায় শেষ করতে চান। তিনি মনে করেন, প্রতিপক্ষকে বিবেচনা করে তারা সেই লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য খুব ভালো অবস্থানে আছেন।
স্যামি আরও বলেন, “আমি এটি নিয়ে বহুবার কথা বলেছি, আমাদের দলের কাছে সাফল্যের অর্থ কী। ছেলেদের প্রতি আমার বার্তা, এই টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে, যদি শীর্ষ পাঁচে শেষ করতে পার, তবে অতিরিক্ত প্রণোদনা রয়েছে।” তিনি আইসিসি ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে পুরস্কার অর্থের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, “প্রাইজমানির দিক থেকে আইসিসি প্রচুর অর্থ বিনিয়োগ করেছে এবং এটি আমাদের ছেলেদের জন্য গত দুটি সাইকেলে আট নম্বরে শেষ করা থেকে উঠে আসার একটি সুযোগ।” স্যামি তার খেলোয়াড়দের চ্যালেঞ্জ জানিয়ে বলেন, “মাঠে আমাদের পারফরম্যান্সের মাধ্যমে দলকে আরও ভালো অবস্থানে নিয়ে যেতে হবে, যাতে স্পন্সরদের আকর্ষণ করা যায়।
সাদা বলে দল ভারতে কাজটি অত্যন্ত ভালোভাবে করেছে এবং আশা করি এখানে লাল বলের দল হিসেবেও সেটা করতে পারব।” চার-ছক্কায় দর্শকদের বিনোদিত করার ক্ষেত্রে ওয়েস্ট ইন্ডিজের যথেষ্ট সুনাম রয়েছে। এই সিরিজেও তারা সেই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে চান।
স্যামির বিশ্বাস, যদি তারা দর্শকদের বিনোদন দিতে পারেন, তাহলে জয় নিয়েই মাঠ ছাড়বে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। তিনি বলেন, “বাংলাদেশের মতো দলের বিপক্ষে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ শেষ করতে পেরে আমি রোমাঞ্চিত।
এটা প্রমাণিত যে তাদের ঘরের মাঠে হারানো অত্যন্ত কঠিন। আশা করি আমরা দর্শকদের বিনোদন দিতে পারব, আর যখন আমরা বিনোদন দেই, ওয়েস্ট ইন্ডিজ বিজয়ী হয়েই মাঠ ছাড়ে।” ভারতের বিপক্ষে সাদা বলের সিরিজে অনবদ্য পারফর্ম করেছেন উইন্ডিজ ব্যাটার শাই হোপ।
বাংলাদেশ সফরে তাকে বিশ্রাম দিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। হোপের অভাব কতটা ভোগাবে তাদের, সেই প্রশ্নের উত্তরে স্যামি বলেন, “শাই হোপ যা করেছে তা আমরা দেখেছি।
যেহেতু সে সব ফরম্যাটে খেলছে, সে আমাদের জন্য দারুণ ছিল।” তবে একজন ব্যক্তির ওপর নির্ভরতা অস্বীকার করে স্যামি বলেন, “জাস্টিন গ্রিভস, জাঙ্গু, জন ক্যাম্পবেল—তাদের যেভাবে উন্নতি হয়েছে, টেস্ট ক্রিকেটে ব্রেন্ডন কিংয়ের আগমন, ওয়ারিকান, শামার জোসেফ, জেডন সিলস—তারাও কম নয়। আমরা একজন ব্যক্তির ওপর নির্ভর করি না।” তিনি যোগ করেন, “শাই হোপকে মিস করছি, তবে এটি অন্য কারোর জন্য নিজেকে মেলে ধরার এবং নাম তৈরি করার একটি সুযোগ।”
সোমবার মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে সংবাদ সম্মেলনে সিরিজের প্রস্তুতি নিয়ে কথা বলেন তিনি। সিরিজ নিয়ে স্যামি বলেন, “বাংলাদেশ ভালো ক্রিকেট খেলছে, আমরাও এই বছর ভালো ক্রিকেট খেলেছি।
আমরা সিরিজের জন্য উন্মুখ হয়ে আছি। প্রতিপক্ষকে আমরা যথেষ্ট সম্মান করি, তাদের নিয়ে গবেষণা করছি এবং জয়ের জন্য আমাদের পরিকল্পনা প্রস্তুত।” ঘরের মাঠে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রেকর্ড বেশ শক্তিশালী; সর্বশেষ চারটি ম্যাচেই জয় পেয়েছে স্বাগতিকরা।
বাংলাদেশের বিপক্ষে খেলতে কোনো চাপ অনুভব করছেন কিনা, এমন প্রশ্নের উত্তরে স্যামি জানান, “জীবনে সবসময়ই চাপ থাকে। কীভাবে আপনি তা সামলান, সেটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল সাধারণত সবারই দ্বিতীয় পছন্দের দল।” তিনি যোগ করেন, “এই বাংলাদেশেই আমার সেরা টি-টোয়েন্টি ম্যাচগুলোর একটি হয়েছে। তাদের বিপক্ষে আমাদের কিছু দারুণ সিরিজ কেটেছে।” বর্তমান বছর দুই দলের পারফরম্যান্সের দিকে ইঙ্গিত করে স্যামি বলেন, “এই বছর উভয় দল যেভাবে খেলেছে, তাতে এটি একটি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ সিরিজ হতে চলেছে।
শেষ পর্যন্ত, যে দল মোমেন্টাম নিজেদের পক্ষে বেশি ধরে রাখতে পারবে, তারাই জিতবে। আমরা এখানে সেই লক্ষ্যেই এসেছি।” বাংলাদেশের প্রশংসায় তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশ এই বছর ভালো করেছে, তারা অস্ট্রেলিয়ায় গিয়ে ভালো খেলেছে, তাদের আত্মবিশ্বাস এখন অনেক উঁচুতে।
ছেলেরা খেলছে এবং পারফর্ম করছে, ঠিক যেমন আমার দলের ছেলেরাও এই বছর খেলছে ও খুব ভালো করছে। আমি সিরিজটি নিয়ে রোমাঞ্চিত।” টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের বর্তমান চক্রে ওয়েস্ট ইন্ডিজের অবস্থান তেমন ভালো নয়, ৯ দলের মধ্যে তারা অষ্টম স্থানে রয়েছে।
তবে শেষটা ভালোভাবে করতে মরিয়া তারা, আর এজন্য ক্রিকেটারদের সর্বোচ্চটা উজাড় করে দেওয়ার বার্তা দিয়েছেন কোচ। এ প্রসঙ্গে স্যামি বলেন, “এই বছর আমরা যেভাবে টেস্ট ক্রিকেট খেলেছি, তাতে কোনো সিরিজ হারিনি।
সিরিজ না হেরে একটি পুরো বছর পার করা বড় ব্যাপার।” এটি তাদের টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের শেষ সিরিজ উল্লেখ করে স্যামি তার খেলোয়াড়দের উদ্দেশে বলেন, “ছেলেরা, সবকিছু উজাড় করে দাও। এই চক্রে আমাদের জন্য টেস্ট ক্রিকেটের আর সম্ভাব্য দশ দিন বাকি আছে এবং মাঠে নেমে নিজেদের সেরাটা দিয়ে দাও।
যা-ই তোমাদের অনুপ্রাণিত করুক না কেন, তা ব্যবহার করেই মাঠে পারফরম্যান্স বের করে আনো।” কোচ আরও জানান, তারা খুব ভালো প্রস্তুতি নিয়েছেন এবং টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের শুরুতেই তাদের লক্ষ্য ছিল কোথায় শেষ করতে চান। তিনি মনে করেন, প্রতিপক্ষকে বিবেচনা করে তারা সেই লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য খুব ভালো অবস্থানে আছেন।
স্যামি আরও বলেন, “আমি এটি নিয়ে বহুবার কথা বলেছি, আমাদের দলের কাছে সাফল্যের অর্থ কী। ছেলেদের প্রতি আমার বার্তা, এই টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে, যদি শীর্ষ পাঁচে শেষ করতে পার, তবে অতিরিক্ত প্রণোদনা রয়েছে।” তিনি আইসিসি ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে পুরস্কার অর্থের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, “প্রাইজমানির দিক থেকে আইসিসি প্রচুর অর্থ বিনিয়োগ করেছে এবং এটি আমাদের ছেলেদের জন্য গত দুটি সাইকেলে আট নম্বরে শেষ করা থেকে উঠে আসার একটি সুযোগ।” স্যামি তার খেলোয়াড়দের চ্যালেঞ্জ জানিয়ে বলেন, “মাঠে আমাদের পারফরম্যান্সের মাধ্যমে দলকে আরও ভালো অবস্থানে নিয়ে যেতে হবে, যাতে স্পন্সরদের আকর্ষণ করা যায়।
সাদা বলে দল ভারতে কাজটি অত্যন্ত ভালোভাবে করেছে এবং আশা করি এখানে লাল বলের দল হিসেবেও সেটা করতে পারব।” চার-ছক্কায় দর্শকদের বিনোদিত করার ক্ষেত্রে ওয়েস্ট ইন্ডিজের যথেষ্ট সুনাম রয়েছে। এই সিরিজেও তারা সেই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে চান।
স্যামির বিশ্বাস, যদি তারা দর্শকদের বিনোদন দিতে পারেন, তাহলে জয় নিয়েই মাঠ ছাড়বে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। তিনি বলেন, “বাংলাদেশের মতো দলের বিপক্ষে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ শেষ করতে পেরে আমি রোমাঞ্চিত।
এটা প্রমাণিত যে তাদের ঘরের মাঠে হারানো অত্যন্ত কঠিন। আশা করি আমরা দর্শকদের বিনোদন দিতে পারব, আর যখন আমরা বিনোদন দেই, ওয়েস্ট ইন্ডিজ বিজয়ী হয়েই মাঠ ছাড়ে।” ভারতের বিপক্ষে সাদা বলের সিরিজে অনবদ্য পারফর্ম করেছেন উইন্ডিজ ব্যাটার শাই হোপ।
বাংলাদেশ সফরে তাকে বিশ্রাম দিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। হোপের অভাব কতটা ভোগাবে তাদের, সেই প্রশ্নের উত্তরে স্যামি বলেন, “শাই হোপ যা করেছে তা আমরা দেখেছি।
যেহেতু সে সব ফরম্যাটে খেলছে, সে আমাদের জন্য দারুণ ছিল।” তবে একজন ব্যক্তির ওপর নির্ভরতা অস্বীকার করে স্যামি বলেন, “জাস্টিন গ্রিভস, জাঙ্গু, জন ক্যাম্পবেল—তাদের যেভাবে উন্নতি হয়েছে, টেস্ট ক্রিকেটে ব্রেন্ডন কিংয়ের আগমন, ওয়ারিকান, শামার জোসেফ, জেডন সিলস—তারাও কম নয়। আমরা একজন ব্যক্তির ওপর নির্ভর করি না।” তিনি যোগ করেন, “শাই হোপকে মিস করছি, তবে এটি অন্য কারোর জন্য নিজেকে মেলে ধরার এবং নাম তৈরি করার একটি সুযোগ।”