আজ রাতে বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে ইউরোপীয় ফুটবলের দুই পরাশক্তি ফ্রান্স ও ইংল্যান্ড পরস্পরের মুখোমুখি হবে। ঐতিহ্যগতভাবে, এই ম্যাচকে অনেকেই 'সান্ত্বনার লড়াই' হিসেবে দেখেন, যেখানে দল ও দর্শকদের মধ্যে আগ্রহ তুলনামূলকভাবে কম থাকে। ইংল্যান্ড কোচ থমাস টুখেলের মন্তব্য, তার দলের কোনো খেলোয়াড় এই ম্যাচ খেলতে আগ্রহী নয়, যা এই ধারণাকে আরও প্রতিষ্ঠিত করে। তবে, এবারের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী লড়াইটি সম্পূর্ণ গুরুত্বহীন নয়। দুই দলের অন্তত চারজন খেলোয়াড়ের কাছে এর বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে।
যদিও সেমিফাইনালে হারের মাধ্যমে বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন শেষ হয়ে গেছে, টুর্নামেন্টের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার গোল্ডেন বুট জেতার সুযোগ এখনও উন্মুক্ত। কিলিয়ান এমবাপ্পে, উসমান দেম্বেলে, হ্যারি কেইন এবং জুড বেলিংহ্যামের মতো খেলোয়াড়দের সামনে এই সম্মানজনক পুরস্কারটি নিজেদের করে নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এর কারণ হলো, তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে করা গোলও টুর্নামেন্টের মোট গোলসংখ্যায় যোগ হয় এবং গোল্ডেন বুটের গণনায় বিবেচিত হয়।
বর্তমানে, টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ গোলদাতা পুরস্কার গোল্ডেন বুটের দৌড়ে লিওনেল মেসি ও কিলিয়ান এমবাপ্পে যৌথভাবে শীর্ষে রয়েছেন, প্রত্যেকের গোলসংখ্যা ৮টি। তবে, একটি বেশি অ্যাসিস্ট থাকায় মেসি আপাতত এগিয়ে আছেন। নরওয়ের আর্লিং হল্যান্ডের গোল ৭টি হলেও, কোয়ার্টার ফাইনালেই তার দল বিদায় নেওয়ায় এই ম্যানচেস্টার সিটি তারকার আর গোল বাড়ানোর সুযোগ নেই।
অন্যদিকে, ইংল্যান্ডের হ্যারি কেইন ও জুড বেলিংহ্যামের গোলসংখ্যা ৬টি করে, এবং ফ্রান্সের উসমান দেম্বেলে ও স্পেনের মিকেল ওইয়ারসাবালের গোল ৫টি করে। অতএব, ইংল্যান্ড ও ফ্রান্সের মধ্যকার এই ম্যাচটি কেবল তৃতীয় স্থান নির্ধারণের লড়াই নয়, এটি গোল্ডেন বুটের ভাগ্যও অনেকাংশে নির্ধারণ করে দিতে পারে।
ফিফার নিয়ম অনুযায়ী, যদি একাধিক খেলোয়াড়ের গোলসংখ্যা সমান হয়, তবে প্রথমে তাদের অ্যাসিস্টের সংখ্যা বিবেচনা করা হয়। সেখানেও সমতা থাকলে, যিনি কম সময় খেলে এই গোল করেছেন, তাকে প্রাধান্য দেওয়া হয়। অর্থাৎ, গোল্ডেন বুট নির্ধারণে ফিফার ক্রম হলো: সর্বোচ্চ গোল, সর্বোচ্চ অ্যাসিস্ট এবং সবচেয়ে কম খেলার সময়। এ কারণেই ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্পে, উসমান দেম্বেলে এবং ইংল্যান্ডের হ্যারি কেইন ও জুড বেলিংহ্যাম এখনও গোল্ডেন বুট জয়ের প্রতিযোগিতায় টিকে আছেন।
বিশ্বকাপের ইতিহাসে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ গোল্ডেন বুট নির্ধারণে অতীতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। সাতজন গোল্ডেন বুটজয়ী এই ধরনের ম্যাচে গোল করেছিলেন। তাদের মধ্যে জার্মানির টমাস মুলার (২০১০), ক্রোয়েশিয়ার ডেভর সুকর (১৯৯৮), ইতালির সালভাতোরে শিলাচি (১৯৯০) এবং ব্রাজিলের লিওনিদাস (১৯৩৮) তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে করা গোলের সুবাদেই শেষ পর্যন্ত সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার জিতেছিলেন।
এছাড়াও, পোল্যান্ডের গ্রেজেগোর্জ লাতো (১৯৭৪), পর্তুগালের ইউসেবিও (১৯৬৬) এবং ফ্রান্সের জাস্ট ফন্টেইনও (১৯৫৮) তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে গোল করেছিলেন। যদিও ওই গোলগুলো ছাড়াও তারা গোল্ডেন বুট জিততে সক্ষম হতেন।
যদিও সেমিফাইনালে হারের মাধ্যমে বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন শেষ হয়ে গেছে, টুর্নামেন্টের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার গোল্ডেন বুট জেতার সুযোগ এখনও উন্মুক্ত। কিলিয়ান এমবাপ্পে, উসমান দেম্বেলে, হ্যারি কেইন এবং জুড বেলিংহ্যামের মতো খেলোয়াড়দের সামনে এই সম্মানজনক পুরস্কারটি নিজেদের করে নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এর কারণ হলো, তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে করা গোলও টুর্নামেন্টের মোট গোলসংখ্যায় যোগ হয় এবং গোল্ডেন বুটের গণনায় বিবেচিত হয়।
বর্তমানে, টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ গোলদাতা পুরস্কার গোল্ডেন বুটের দৌড়ে লিওনেল মেসি ও কিলিয়ান এমবাপ্পে যৌথভাবে শীর্ষে রয়েছেন, প্রত্যেকের গোলসংখ্যা ৮টি। তবে, একটি বেশি অ্যাসিস্ট থাকায় মেসি আপাতত এগিয়ে আছেন। নরওয়ের আর্লিং হল্যান্ডের গোল ৭টি হলেও, কোয়ার্টার ফাইনালেই তার দল বিদায় নেওয়ায় এই ম্যানচেস্টার সিটি তারকার আর গোল বাড়ানোর সুযোগ নেই।
অন্যদিকে, ইংল্যান্ডের হ্যারি কেইন ও জুড বেলিংহ্যামের গোলসংখ্যা ৬টি করে, এবং ফ্রান্সের উসমান দেম্বেলে ও স্পেনের মিকেল ওইয়ারসাবালের গোল ৫টি করে। অতএব, ইংল্যান্ড ও ফ্রান্সের মধ্যকার এই ম্যাচটি কেবল তৃতীয় স্থান নির্ধারণের লড়াই নয়, এটি গোল্ডেন বুটের ভাগ্যও অনেকাংশে নির্ধারণ করে দিতে পারে।
ফিফার নিয়ম অনুযায়ী, যদি একাধিক খেলোয়াড়ের গোলসংখ্যা সমান হয়, তবে প্রথমে তাদের অ্যাসিস্টের সংখ্যা বিবেচনা করা হয়। সেখানেও সমতা থাকলে, যিনি কম সময় খেলে এই গোল করেছেন, তাকে প্রাধান্য দেওয়া হয়। অর্থাৎ, গোল্ডেন বুট নির্ধারণে ফিফার ক্রম হলো: সর্বোচ্চ গোল, সর্বোচ্চ অ্যাসিস্ট এবং সবচেয়ে কম খেলার সময়। এ কারণেই ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্পে, উসমান দেম্বেলে এবং ইংল্যান্ডের হ্যারি কেইন ও জুড বেলিংহ্যাম এখনও গোল্ডেন বুট জয়ের প্রতিযোগিতায় টিকে আছেন।
বিশ্বকাপের ইতিহাসে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ গোল্ডেন বুট নির্ধারণে অতীতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। সাতজন গোল্ডেন বুটজয়ী এই ধরনের ম্যাচে গোল করেছিলেন। তাদের মধ্যে জার্মানির টমাস মুলার (২০১০), ক্রোয়েশিয়ার ডেভর সুকর (১৯৯৮), ইতালির সালভাতোরে শিলাচি (১৯৯০) এবং ব্রাজিলের লিওনিদাস (১৯৩৮) তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে করা গোলের সুবাদেই শেষ পর্যন্ত সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার জিতেছিলেন।
এছাড়াও, পোল্যান্ডের গ্রেজেগোর্জ লাতো (১৯৭৪), পর্তুগালের ইউসেবিও (১৯৬৬) এবং ফ্রান্সের জাস্ট ফন্টেইনও (১৯৫৮) তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে গোল করেছিলেন। যদিও ওই গোলগুলো ছাড়াও তারা গোল্ডেন বুট জিততে সক্ষম হতেন।