আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদির অভিযোগ করেছেন যে, কার্যালয়ে অস্ত্রধারীদের তাণ্ডব ও হামলার শিকার হওয়ার পর ভুক্তভোগী হিসেবে নিরাপত্তা চাওয়ায় রাষ্ট্রযন্ত্র, বিভিন্ন সংস্থা এবং গণমাধ্যম তার বিরুদ্ধে সম্মিলিতভাবে সংঘবদ্ধ আক্রমণ চালাচ্ছে।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় তিনি দাবি করেন যে, অপরাধীদের শনাক্ত করার পরিবর্তে তাকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নোংরা প্রচারণার শিকার করা হচ্ছে, তার পরিবারকে লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে এবং আর্থিক নথি তদন্তের অজুহাতে তাকে হয়রানি করা হচ্ছে।
ভিডিও বার্তায় সালমান মুক্তাদির ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "পুরো রাষ্ট্র, তার বিভিন্ন সংস্থা, সংবাদ মাধ্যম, টিভি চ্যানেল, নিউজ পোর্টাল, মিডিয়া সেল, সংবাদকর্মী, পেজ এবং রাজনৈতিক নেতাকর্মীরা যেভাবে গত কয়েক দিন ধরে আমার বিরুদ্ধে দলবদ্ধভাবে লেগে পড়েছেন, এই বিপুল শক্তি ও সম্পদ যদি দেশের কল্যাণের জন্য মাত্র একটি দিনও কাজে লাগানো যেত, তাহলে হয়তো বাংলাদেশ এক দিনের জন্য হলেও অপরাধমুক্ত দেশে পরিণত হতে পারত।" তিনি আরও দাবি করেন যে, কোনো ব্যক্তিগত প্রত্যাশা ছাড়াই কেবল একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে কথা বলার কারণেই তাকে এই ধরনের আক্রমণের শিকার হতে হচ্ছে।
মামলার বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন যে, চট্টগ্রাম থেকে নির্ঘুম অবস্থায় সরাসরি থানায় গিয়ে দীর্ঘ সময় ধরে বিস্তারিত তথ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করা সত্ত্বেও কেন মামলাটি নথিভুক্ত হয়নি, তার জবাব দেওয়ার দায়িত্ব প্রশাসনের। বিচার পাওয়ার পরিবর্তে গণমাধ্যমে বিষয়টি রাজনৈতিক মোড়ক পাচ্ছে অভিযোগ করে সালমান মুক্তাদির বলেন, "অনেকে দাবি করছেন যে তারা জুলাইয়ের গণআন্দোলনে আমার সাথে একযোগে লড়াই করেছেন। তবে এটি সম্পূর্ণ ভুল তথ্য। আমরা কখনোই একসাথে সংগ্রাম করিনি। আপনারা করেছেন দলীয় স্বার্থে, আর আমার কোনো দল ছিল না। আমি দাঁড়িয়েছিলাম মানুষের জন্য, নিজের জন্য এবং দেশের জন্য।"
হামলার ভয়াবহতা বর্ণনা করে তিনি বলেন যে, রাজধানীর অভ্যন্তরে তার কর্মস্থলে, যেখানে রাতে তার স্ত্রী-সন্তানরা অবস্থান করেন এবং সহকর্মীরা কাজ করেন, সেখানে একাধিক ট্রাকে অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মুখোশধারী দুর্বৃত্তরা প্রকাশ্য দিবালোকে তাণ্ডব চালিয়েছে। তিনি আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেন যে, অপরাধের বিচার না চেয়ে উল্টো তার মানসিক প্রতিক্রিয়া, দৃঢ় মনোভাব ও অবস্থান নিয়ে অহেতুক প্রশ্ন তোলা হচ্ছে এবং অশালীনভাবে ভিকটিম ব্লেমিং করা হচ্ছে।
আর্থিক নজরদারির চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে সালমান মুক্তাদির প্রশ্ন তোলেন, "আমার কণ্ঠস্বর উত্তোলনের পরপরই কেন হঠাৎ করে ব্যাংক হিসাব তলবের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিল? ব্যাংক হিসাব, চুক্তিপত্র, আর্থিক লেনদেন, অংশীদারিত্ব বা অফিস ভাড়ার দলিল—আপনাদের যা কিছু চাওয়ার বৈধ অধিকার আছে, তলব করুন; সবকিছু নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে সম্পন্ন হয়েছে।" একই সঙ্গে তিনি ক্ষোভের সঙ্গে বলেন যে, সাবেক সরকারকে ফ্যাসিবাদ বলে আখ্যায়িত করা হলেও বর্তমান পরিস্থিতিতে সরকারের সমালোচনা করা, নিরাপত্তা চাওয়া বা প্রশ্ন উত্থাপনের অধিকার সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েছে। তিনি সতর্ক করেন যে, এভাবে ভুক্তভোগীকে হেনস্তা করা হলে ভবিষ্যতে কেউ আর কোনো সরকারের বিরুদ্ধে কথা বলতে বা দেশের পক্ষে দাঁড়াতে সাহস পাবে না।
এরই মধ্যে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) সালমান মোহাম্মদ মুক্তাদিরের সব ব্যাংক হিসাবের তথ্য এবং লেনদেনের পূর্ণাঙ্গ বিবরণ চেয়ে দেশের সরকারি, বেসরকারি ও বিদেশি ব্যাংকগুলোতে জরুরি নির্দেশনা পাঠিয়েছে। গত ৩০ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টা ৩৮ মিনিটে পাঠানো ওই নির্দেশনায় সংস্থাটি সালমান মুক্তাদিরের হিসাব খোলার ফরম (এওএফ), গ্রাহকের পরিচিতি-সংক্রান্ত তথ্য (কেওয়াইসি), ব্যাংক বিবরণী, অর্জিত সুদের আয় ও উৎসে করের (টিডিএস) সব নথি এক ঘণ্টার মধ্যে জরুরি ভিত্তিতে গোএমএল মেসেজ বোর্ডের মাধ্যমে প্রেরণের নির্দেশ দেয়।
উল্লেখ্য, গত শনিবার রাত সাড়ে দশটার দিকে রাজধানীর ইসিবি চত্বরের নিউগিনি প্রপার্টিজে অবস্থিত সালমান মুক্তাদিরের কার্যালয়ে একদল দুর্বৃত্ত প্রবেশ করে ব্যাপক ভাঙচুর চালায়। হামলার পরপরই ধারণ করা একটি ব্যঙ্গাত্মক ভিডিওতে তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের দিকে ইঙ্গিত করে দেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে অসন্তোষ ব্যক্ত করেন। প্রাথমিকভাবে তিনি হামলার পেছনে চাঁদাবাজির অভিযোগ তুললেও পরবর্তীতে জানান যে কোনো চাঁদা দাবি করা হয়নি। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সরকারের পক্ষ থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দায়িত্বশীল আচরণের আহ্বান জানানো হয়। পরবর্তীতে তার ব্যাংক হিসাব তলব এবং ফেসবুক জুড়ে তীব্র পাল্টাপাল্টি সমালোচনার প্রেক্ষাপটেই সালমান মুক্তাদির এই দীর্ঘ ও ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় তিনি দাবি করেন যে, অপরাধীদের শনাক্ত করার পরিবর্তে তাকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নোংরা প্রচারণার শিকার করা হচ্ছে, তার পরিবারকে লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে এবং আর্থিক নথি তদন্তের অজুহাতে তাকে হয়রানি করা হচ্ছে।
ভিডিও বার্তায় সালমান মুক্তাদির ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "পুরো রাষ্ট্র, তার বিভিন্ন সংস্থা, সংবাদ মাধ্যম, টিভি চ্যানেল, নিউজ পোর্টাল, মিডিয়া সেল, সংবাদকর্মী, পেজ এবং রাজনৈতিক নেতাকর্মীরা যেভাবে গত কয়েক দিন ধরে আমার বিরুদ্ধে দলবদ্ধভাবে লেগে পড়েছেন, এই বিপুল শক্তি ও সম্পদ যদি দেশের কল্যাণের জন্য মাত্র একটি দিনও কাজে লাগানো যেত, তাহলে হয়তো বাংলাদেশ এক দিনের জন্য হলেও অপরাধমুক্ত দেশে পরিণত হতে পারত।" তিনি আরও দাবি করেন যে, কোনো ব্যক্তিগত প্রত্যাশা ছাড়াই কেবল একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে কথা বলার কারণেই তাকে এই ধরনের আক্রমণের শিকার হতে হচ্ছে।
মামলার বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন যে, চট্টগ্রাম থেকে নির্ঘুম অবস্থায় সরাসরি থানায় গিয়ে দীর্ঘ সময় ধরে বিস্তারিত তথ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করা সত্ত্বেও কেন মামলাটি নথিভুক্ত হয়নি, তার জবাব দেওয়ার দায়িত্ব প্রশাসনের। বিচার পাওয়ার পরিবর্তে গণমাধ্যমে বিষয়টি রাজনৈতিক মোড়ক পাচ্ছে অভিযোগ করে সালমান মুক্তাদির বলেন, "অনেকে দাবি করছেন যে তারা জুলাইয়ের গণআন্দোলনে আমার সাথে একযোগে লড়াই করেছেন। তবে এটি সম্পূর্ণ ভুল তথ্য। আমরা কখনোই একসাথে সংগ্রাম করিনি। আপনারা করেছেন দলীয় স্বার্থে, আর আমার কোনো দল ছিল না। আমি দাঁড়িয়েছিলাম মানুষের জন্য, নিজের জন্য এবং দেশের জন্য।"
হামলার ভয়াবহতা বর্ণনা করে তিনি বলেন যে, রাজধানীর অভ্যন্তরে তার কর্মস্থলে, যেখানে রাতে তার স্ত্রী-সন্তানরা অবস্থান করেন এবং সহকর্মীরা কাজ করেন, সেখানে একাধিক ট্রাকে অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মুখোশধারী দুর্বৃত্তরা প্রকাশ্য দিবালোকে তাণ্ডব চালিয়েছে। তিনি আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেন যে, অপরাধের বিচার না চেয়ে উল্টো তার মানসিক প্রতিক্রিয়া, দৃঢ় মনোভাব ও অবস্থান নিয়ে অহেতুক প্রশ্ন তোলা হচ্ছে এবং অশালীনভাবে ভিকটিম ব্লেমিং করা হচ্ছে।
আর্থিক নজরদারির চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে সালমান মুক্তাদির প্রশ্ন তোলেন, "আমার কণ্ঠস্বর উত্তোলনের পরপরই কেন হঠাৎ করে ব্যাংক হিসাব তলবের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিল? ব্যাংক হিসাব, চুক্তিপত্র, আর্থিক লেনদেন, অংশীদারিত্ব বা অফিস ভাড়ার দলিল—আপনাদের যা কিছু চাওয়ার বৈধ অধিকার আছে, তলব করুন; সবকিছু নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে সম্পন্ন হয়েছে।" একই সঙ্গে তিনি ক্ষোভের সঙ্গে বলেন যে, সাবেক সরকারকে ফ্যাসিবাদ বলে আখ্যায়িত করা হলেও বর্তমান পরিস্থিতিতে সরকারের সমালোচনা করা, নিরাপত্তা চাওয়া বা প্রশ্ন উত্থাপনের অধিকার সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েছে। তিনি সতর্ক করেন যে, এভাবে ভুক্তভোগীকে হেনস্তা করা হলে ভবিষ্যতে কেউ আর কোনো সরকারের বিরুদ্ধে কথা বলতে বা দেশের পক্ষে দাঁড়াতে সাহস পাবে না।
এরই মধ্যে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) সালমান মোহাম্মদ মুক্তাদিরের সব ব্যাংক হিসাবের তথ্য এবং লেনদেনের পূর্ণাঙ্গ বিবরণ চেয়ে দেশের সরকারি, বেসরকারি ও বিদেশি ব্যাংকগুলোতে জরুরি নির্দেশনা পাঠিয়েছে। গত ৩০ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টা ৩৮ মিনিটে পাঠানো ওই নির্দেশনায় সংস্থাটি সালমান মুক্তাদিরের হিসাব খোলার ফরম (এওএফ), গ্রাহকের পরিচিতি-সংক্রান্ত তথ্য (কেওয়াইসি), ব্যাংক বিবরণী, অর্জিত সুদের আয় ও উৎসে করের (টিডিএস) সব নথি এক ঘণ্টার মধ্যে জরুরি ভিত্তিতে গোএমএল মেসেজ বোর্ডের মাধ্যমে প্রেরণের নির্দেশ দেয়।
উল্লেখ্য, গত শনিবার রাত সাড়ে দশটার দিকে রাজধানীর ইসিবি চত্বরের নিউগিনি প্রপার্টিজে অবস্থিত সালমান মুক্তাদিরের কার্যালয়ে একদল দুর্বৃত্ত প্রবেশ করে ব্যাপক ভাঙচুর চালায়। হামলার পরপরই ধারণ করা একটি ব্যঙ্গাত্মক ভিডিওতে তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের দিকে ইঙ্গিত করে দেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে অসন্তোষ ব্যক্ত করেন। প্রাথমিকভাবে তিনি হামলার পেছনে চাঁদাবাজির অভিযোগ তুললেও পরবর্তীতে জানান যে কোনো চাঁদা দাবি করা হয়নি। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সরকারের পক্ষ থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দায়িত্বশীল আচরণের আহ্বান জানানো হয়। পরবর্তীতে তার ব্যাংক হিসাব তলব এবং ফেসবুক জুড়ে তীব্র পাল্টাপাল্টি সমালোচনার প্রেক্ষাপটেই সালমান মুক্তাদির এই দীর্ঘ ও ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন।