মরক্কোর রাজনৈতিক ইতিহাসে প্রথমবারের মতো একজন নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিযুক্ত হলেন ফাতিমা জাহরা এল মানসুরি। দেশটির নগর পরিকল্পনামন্ত্রী ও একজন অভিজ্ঞ আইনজীবী, ৫০ বছর বয়সী ফাতিমা জাহরা এল মানসুরিকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন রাজা ষষ্ঠ মোহাম্মদ।
রাজপ্রাসাদ থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে যে, মানসুরিকে নতুন সরকার গঠনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার পূর্বে তিনি মারাকেশের মেয়র হিসেবেও সফলভাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। সংসদ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার চার দিন পরই এই ঐতিহাসিক নিয়োগের ঘোষণা আসে। নির্বাচনে ফাতিমার মধ্যপন্থী দল, অথেনটিসিটি অ্যান্ড মডার্নিটি পার্টি (পিএএম), সর্বাধিক ভোট পেয়েছিল।
মরক্কোর নির্বাচনি ব্যবস্থার প্রকৃতি এমন যে, কোনো একক রাজনৈতিক দলের পক্ষে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন প্রায়শই কঠিন। তাই ধারণা করা হচ্ছে, আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই ফাতিমা জাহরাকে একটি জোট সরকার গঠন করতে হবে। এই নিয়োগের মাধ্যমে তিনি আরব বিশ্বে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করা দ্বিতীয় নারী হিসেবে ইতিহাসে নিজের স্থান করে নিলেন।
এর আগে, তিউনিসিয়ায় নাজলা বাউডেন দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
মরক্কোর সংবিধান অনুসারে, রাজা হলেন দেশটির সর্বোচ্চ ক্ষমতার অধিকারী এবং তিনিই প্রধানমন্ত্রী নিয়োগের চূড়ান্ত ক্ষমতা রাখেন। তবে, সংসদ নির্বাচনে সর্বাধিক আসন লাভকারী দল থেকে একজন প্রার্থীকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বেছে নেওয়ার সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে। ২০১১ সালের পূর্বে রাজা কোনো প্রকার বিধিনিষেধ ছাড়াই প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ করতে পারতেন।
রাজপ্রাসাদ থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে যে, মানসুরিকে নতুন সরকার গঠনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার পূর্বে তিনি মারাকেশের মেয়র হিসেবেও সফলভাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। সংসদ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার চার দিন পরই এই ঐতিহাসিক নিয়োগের ঘোষণা আসে। নির্বাচনে ফাতিমার মধ্যপন্থী দল, অথেনটিসিটি অ্যান্ড মডার্নিটি পার্টি (পিএএম), সর্বাধিক ভোট পেয়েছিল।
মরক্কোর নির্বাচনি ব্যবস্থার প্রকৃতি এমন যে, কোনো একক রাজনৈতিক দলের পক্ষে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন প্রায়শই কঠিন। তাই ধারণা করা হচ্ছে, আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই ফাতিমা জাহরাকে একটি জোট সরকার গঠন করতে হবে। এই নিয়োগের মাধ্যমে তিনি আরব বিশ্বে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করা দ্বিতীয় নারী হিসেবে ইতিহাসে নিজের স্থান করে নিলেন।
এর আগে, তিউনিসিয়ায় নাজলা বাউডেন দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
মরক্কোর সংবিধান অনুসারে, রাজা হলেন দেশটির সর্বোচ্চ ক্ষমতার অধিকারী এবং তিনিই প্রধানমন্ত্রী নিয়োগের চূড়ান্ত ক্ষমতা রাখেন। তবে, সংসদ নির্বাচনে সর্বাধিক আসন লাভকারী দল থেকে একজন প্রার্থীকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বেছে নেওয়ার সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে। ২০১১ সালের পূর্বে রাজা কোনো প্রকার বিধিনিষেধ ছাড়াই প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ করতে পারতেন।