সম্প্রতি 'দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ' হিসেবে পরিচিত ফুটবল বিশ্বকাপের ২৩তম আসর সফলভাবে সমাপ্ত হয়েছে। তবে এর রেফারিংসহ বিভিন্ন দিক নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফার সভাপতি জিয়ানি ইনফান্তিনো সমালোচকদের উদ্দেশে একটি সুনির্দিষ্ট বার্তা দিয়েছেন।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত এক পোস্টে, ইনফান্তিনো সমালোচকদের প্রতি তাঁর ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তিনি তাদের প্রতি ভুয়া খবর ছড়ানো বন্ধ করে বরং ধ্যান করতে, প্রার্থনা করতে অথবা নিছক ফুটবল ম্যাচের সৌন্দর্য উপভোগ করার আহ্বান জানিয়েছেন।
ইনফান্তিনো তাঁর ব্যক্তিগত ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে ১৫টি স্লাইডের একটি বিস্তারিত বার্তা প্রকাশ করেন, যা পরবর্তীতে ফিফার অফিসিয়াল প্ল্যাটফর্ম থেকেও প্রচারিত হয়। এই বার্তায় তিনি দৃঢ়ভাবে দাবি করেন যে, টুর্নামেন্টটি শতভাগ নিরাপদ ছিল এবং এতে কোনো প্রকার সহিংসতার ঘটনা ঘটেনি।
তিনি বিশ্বকাপ ফুটবল প্রতিযোগিতায় ইরান ও সহ-আয়োজক যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বিদ্যমান রাজনৈতিক উত্তেজনা সত্ত্বেও ইরানের অংশগ্রহণকে একটি বড় সাফল্য হিসেবে অভিহিত করেন। তাঁর মতে, ফুটবলকে কেন্দ্র করে ফিফা এই দুটি দেশের মধ্যে একটি সেতুবন্ধন তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে।
যদিও ফিফা সভাপতি টুর্নামেন্টের সফল সমাপ্তি দাবি করেছেন, তবে পুরো প্রতিযোগিতা জুড়েই বিভিন্ন সমালোচনা ও বিতর্ক অব্যাহত ছিল। ইনফান্তিনোর দাবির সম্পূর্ণ বিপরীত চিত্র তুলে ধরে ইরানের কোচ আমির ঘালেনোই তাঁর দলকে টুর্নামেন্টের সবচেয়ে নিপীড়িত দল হিসেবে আখ্যায়িত করেন। দলটিকে ভিসা সংক্রান্ত বিলম্ব, কর্মকর্তাদের ভিসা প্রত্যাখ্যান এবং মেক্সিকোতে প্রশিক্ষণ ক্যাম্প স্থানান্তরে বাধ্য হওয়াসহ বহু লজিস্টিক সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়েছে।
মার্কিন ফরোয়ার্ড ফোলারিন বালোগানের এক ম্যাচের লাল কার্ডের নিষেধাজ্ঞা ফিফা কর্তৃক স্থগিত করার ঘটনাটি তীব্র সমালোচনার জন্ম দেয়। উয়েফা ফিফার এই সিদ্ধান্তকে 'নজিরবিহীন ও অন্যায্য' বলে ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ করে।
আর্জেন্টিনা ও স্পেনের ম্যাচের পর খেলোয়াড়দের মধ্যে হাতাহাতি, সুপরিচিত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যক্তিত্ব আইশোস্পিডের প্রতি বর্ণবাদী আচরণের অভিযোগ এবং সমর্থক আটকের মতো বেশ কিছু ঘটনা থাকা সত্ত্বেও ইনফান্তিনো সমগ্র টুর্নামেন্টকে সম্পূর্ণ সহিংসতামুক্ত বলে পুনরায় দাবি করেন।
সমালোচকদের প্রতি ফিফা প্রধান তাঁর বার্তা শেষ করেন এক আবেগঘন বক্তব্যের মাধ্যমে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ‘ফুটবল বিশ্বকে ঐক্যবদ্ধ করে এবং ঘৃণা ছড়ানোর পরিবর্তে ভালোবাসার মাধ্যমে খেলাটির প্রকৃত আবেগ ও সৌন্দর্য উপভোগ করাই সকলের উচিত।’
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত এক পোস্টে, ইনফান্তিনো সমালোচকদের প্রতি তাঁর ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তিনি তাদের প্রতি ভুয়া খবর ছড়ানো বন্ধ করে বরং ধ্যান করতে, প্রার্থনা করতে অথবা নিছক ফুটবল ম্যাচের সৌন্দর্য উপভোগ করার আহ্বান জানিয়েছেন।
ইনফান্তিনো তাঁর ব্যক্তিগত ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে ১৫টি স্লাইডের একটি বিস্তারিত বার্তা প্রকাশ করেন, যা পরবর্তীতে ফিফার অফিসিয়াল প্ল্যাটফর্ম থেকেও প্রচারিত হয়। এই বার্তায় তিনি দৃঢ়ভাবে দাবি করেন যে, টুর্নামেন্টটি শতভাগ নিরাপদ ছিল এবং এতে কোনো প্রকার সহিংসতার ঘটনা ঘটেনি।
তিনি বিশ্বকাপ ফুটবল প্রতিযোগিতায় ইরান ও সহ-আয়োজক যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বিদ্যমান রাজনৈতিক উত্তেজনা সত্ত্বেও ইরানের অংশগ্রহণকে একটি বড় সাফল্য হিসেবে অভিহিত করেন। তাঁর মতে, ফুটবলকে কেন্দ্র করে ফিফা এই দুটি দেশের মধ্যে একটি সেতুবন্ধন তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে।
যদিও ফিফা সভাপতি টুর্নামেন্টের সফল সমাপ্তি দাবি করেছেন, তবে পুরো প্রতিযোগিতা জুড়েই বিভিন্ন সমালোচনা ও বিতর্ক অব্যাহত ছিল। ইনফান্তিনোর দাবির সম্পূর্ণ বিপরীত চিত্র তুলে ধরে ইরানের কোচ আমির ঘালেনোই তাঁর দলকে টুর্নামেন্টের সবচেয়ে নিপীড়িত দল হিসেবে আখ্যায়িত করেন। দলটিকে ভিসা সংক্রান্ত বিলম্ব, কর্মকর্তাদের ভিসা প্রত্যাখ্যান এবং মেক্সিকোতে প্রশিক্ষণ ক্যাম্প স্থানান্তরে বাধ্য হওয়াসহ বহু লজিস্টিক সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়েছে।
মার্কিন ফরোয়ার্ড ফোলারিন বালোগানের এক ম্যাচের লাল কার্ডের নিষেধাজ্ঞা ফিফা কর্তৃক স্থগিত করার ঘটনাটি তীব্র সমালোচনার জন্ম দেয়। উয়েফা ফিফার এই সিদ্ধান্তকে 'নজিরবিহীন ও অন্যায্য' বলে ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ করে।
আর্জেন্টিনা ও স্পেনের ম্যাচের পর খেলোয়াড়দের মধ্যে হাতাহাতি, সুপরিচিত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যক্তিত্ব আইশোস্পিডের প্রতি বর্ণবাদী আচরণের অভিযোগ এবং সমর্থক আটকের মতো বেশ কিছু ঘটনা থাকা সত্ত্বেও ইনফান্তিনো সমগ্র টুর্নামেন্টকে সম্পূর্ণ সহিংসতামুক্ত বলে পুনরায় দাবি করেন।
সমালোচকদের প্রতি ফিফা প্রধান তাঁর বার্তা শেষ করেন এক আবেগঘন বক্তব্যের মাধ্যমে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ‘ফুটবল বিশ্বকে ঐক্যবদ্ধ করে এবং ঘৃণা ছড়ানোর পরিবর্তে ভালোবাসার মাধ্যমে খেলাটির প্রকৃত আবেগ ও সৌন্দর্য উপভোগ করাই সকলের উচিত।’
