আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা দ্রুত ফুরিয়ে আসছে। আগামী ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৩ তারিখ পর্যন্ত জরিমানা ছাড়াই নির্ধারিত কর পরিশোধ করে আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়া যাবে।
তবে ১ জানুয়ারি, ২০২৪ থেকে রিটার্ন দাখিল করলে করদাতাদের জরিমানার সম্মুখীন হতে হবে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এই বছর থেকে সকল করদাতার জন্য অনলাইনে রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক করেছে।
করের পরিমাণ স্বয়ংক্রিয়ভাবে নির্ধারিত হওয়ায়, ১ জানুয়ারি থেকে শুধু নির্ধারিত কর দিয়ে রিটার্ন জমা দিতে চাইলে এনবিআরের সিস্টেম তা গ্রহণ করবে না, বরং জরিমানা যুক্ত হবে। বর্তমানে সোয়া এক কোটি কর শনাক্তকরণ নম্বরধারী (টিআইএন) থাকলেও, প্রতি বছর মাত্র ৫০ লাখের মতো করদাতা রিটার্ন দাখিল করেন।
চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিক (জুলাই-সেপ্টেম্বর) জুড়ে যারা আয়কর রিটার্ন দাখিল করেছেন, তারা পরিশোধিত করের ওপর ৫ শতাংশ অথবা ২৫ হাজার টাকা, এর মধ্যে যেটি কম, সেই পরিমাণ ছাড় পেয়েছেন। তবে এই ছাড় কেবল রিটার্ন দাখিলের সময় পরিশোধিত করের ওপর প্রযোজ্য হবে।
দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর), অর্থাৎ বর্তমান সময়ে যারা রিটার্ন জমা দেবেন, তারা কোনো ধরনের ছাড় বা প্রণোদনা পাবেন না। এই ক্ষেত্রে কেবল নির্ধারিত কর পরিশোধ করলেই হবে।
তবে ১ জানুয়ারি থেকে মার্চ মাসের মধ্যে রিটার্ন দাখিল করলে পরিশোধযোগ্য করের ২ শতাংশ অথবা তিন হাজার টাকা, এর মধ্যে যেটি বেশি, সেই পরিমাণ জরিমানা দিতে হবে। মার্চ মাস পার হলে জরিমানার পরিমাণ আরও বাড়বে।
এপ্রিল থেকে জুন মাসের মধ্যে রিটার্ন জমা দিলে পরিশোধযোগ্য করের ৫ শতাংশ অথবা পাঁচ হাজার টাকা, এর মধ্যে যেটি বেশি, সেই পরিমাণ অর্থ জরিমানা হিসেবে প্রদান করতে হবে। করদাতারা এখন সহজেই ঘরে বসে অনলাইনে আয়কর পরিশোধ করতে পারছেন।
ব্যাংক ট্রান্সফার, ডেবিট কার্ড, ক্রেডিট কার্ড, বিকাশ, রকেট, নগদ অথবা অন্যান্য মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (MFS) অ্যাপ ব্যবহার করে কর পরিশোধ করা যায় এবং তারপর অনলাইনে রিটার্ন দাখিল করা যায়। অনলাইনে রিটার্ন দাখিলে কোনো সমস্যার সম্মুখীন হলে, তা দ্রুত সমাধানের জন্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের কর্মীরা কল সেন্টার এবং অন্যান্য ইলেকট্রনিক মাধ্যমের সাহায্যে সার্বক্ষণিক সহায়তা প্রদান করছেন।
শুধু আয়কর রিটার্ন জমা দিলেই করদাতার দায়িত্ব শেষ হয় না। ভবিষ্যৎ নিরীক্ষার প্রয়োজনে সকল প্রয়োজনীয় নথিপত্র নির্ধারিত সময় পর্যন্ত সতর্কতার সাথে সংরক্ষণ করা অত্যন্ত জরুরি।
এতে ভবিষ্যতে কর কর্মকর্তাদের নিরীক্ষার সম্মুখীন হলে তথ্য প্রমাণ হিসেবে তা সহজে উপস্থাপন করা যাবে। এছাড়াও, ভুল বা অসম্পূর্ণ তথ্য দিয়ে রিটার্ন দাখিল করলে বিভিন্ন ধরনের জটিলতা ও ঝুঁকির সৃষ্টি হতে পারে।
তাই নির্ভুল তথ্য দিয়ে রিটার্ন পূরণ করা উচিত।
তবে ১ জানুয়ারি, ২০২৪ থেকে রিটার্ন দাখিল করলে করদাতাদের জরিমানার সম্মুখীন হতে হবে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এই বছর থেকে সকল করদাতার জন্য অনলাইনে রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক করেছে।
করের পরিমাণ স্বয়ংক্রিয়ভাবে নির্ধারিত হওয়ায়, ১ জানুয়ারি থেকে শুধু নির্ধারিত কর দিয়ে রিটার্ন জমা দিতে চাইলে এনবিআরের সিস্টেম তা গ্রহণ করবে না, বরং জরিমানা যুক্ত হবে। বর্তমানে সোয়া এক কোটি কর শনাক্তকরণ নম্বরধারী (টিআইএন) থাকলেও, প্রতি বছর মাত্র ৫০ লাখের মতো করদাতা রিটার্ন দাখিল করেন।
চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিক (জুলাই-সেপ্টেম্বর) জুড়ে যারা আয়কর রিটার্ন দাখিল করেছেন, তারা পরিশোধিত করের ওপর ৫ শতাংশ অথবা ২৫ হাজার টাকা, এর মধ্যে যেটি কম, সেই পরিমাণ ছাড় পেয়েছেন। তবে এই ছাড় কেবল রিটার্ন দাখিলের সময় পরিশোধিত করের ওপর প্রযোজ্য হবে।
দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর), অর্থাৎ বর্তমান সময়ে যারা রিটার্ন জমা দেবেন, তারা কোনো ধরনের ছাড় বা প্রণোদনা পাবেন না। এই ক্ষেত্রে কেবল নির্ধারিত কর পরিশোধ করলেই হবে।
তবে ১ জানুয়ারি থেকে মার্চ মাসের মধ্যে রিটার্ন দাখিল করলে পরিশোধযোগ্য করের ২ শতাংশ অথবা তিন হাজার টাকা, এর মধ্যে যেটি বেশি, সেই পরিমাণ জরিমানা দিতে হবে। মার্চ মাস পার হলে জরিমানার পরিমাণ আরও বাড়বে।
এপ্রিল থেকে জুন মাসের মধ্যে রিটার্ন জমা দিলে পরিশোধযোগ্য করের ৫ শতাংশ অথবা পাঁচ হাজার টাকা, এর মধ্যে যেটি বেশি, সেই পরিমাণ অর্থ জরিমানা হিসেবে প্রদান করতে হবে। করদাতারা এখন সহজেই ঘরে বসে অনলাইনে আয়কর পরিশোধ করতে পারছেন।
ব্যাংক ট্রান্সফার, ডেবিট কার্ড, ক্রেডিট কার্ড, বিকাশ, রকেট, নগদ অথবা অন্যান্য মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (MFS) অ্যাপ ব্যবহার করে কর পরিশোধ করা যায় এবং তারপর অনলাইনে রিটার্ন দাখিল করা যায়। অনলাইনে রিটার্ন দাখিলে কোনো সমস্যার সম্মুখীন হলে, তা দ্রুত সমাধানের জন্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের কর্মীরা কল সেন্টার এবং অন্যান্য ইলেকট্রনিক মাধ্যমের সাহায্যে সার্বক্ষণিক সহায়তা প্রদান করছেন।
শুধু আয়কর রিটার্ন জমা দিলেই করদাতার দায়িত্ব শেষ হয় না। ভবিষ্যৎ নিরীক্ষার প্রয়োজনে সকল প্রয়োজনীয় নথিপত্র নির্ধারিত সময় পর্যন্ত সতর্কতার সাথে সংরক্ষণ করা অত্যন্ত জরুরি।
এতে ভবিষ্যতে কর কর্মকর্তাদের নিরীক্ষার সম্মুখীন হলে তথ্য প্রমাণ হিসেবে তা সহজে উপস্থাপন করা যাবে। এছাড়াও, ভুল বা অসম্পূর্ণ তথ্য দিয়ে রিটার্ন দাখিল করলে বিভিন্ন ধরনের জটিলতা ও ঝুঁকির সৃষ্টি হতে পারে।
তাই নির্ভুল তথ্য দিয়ে রিটার্ন পূরণ করা উচিত।