সৌদি আরবে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য জেদ্দায় অবস্থিত বাংলাদেশ কনস্যুলেট সম্প্রতি একটি জরুরি সতর্কতামূলক নির্দেশনা জারি করেছে। দেশের আইন ও বিধিবিধান কঠোরভাবে মেনে চলার উপর গুরুত্বারোপ করে এই বিজ্ঞপ্তিতে প্রবাসীদের নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক জীবন নিশ্চিত করার পাশাপাশি দেশের ভাবমূর্তি অক্ষুণ্ণ রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্টত উল্লেখ করা হয়েছে যে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম যেমন ফেসবুক, ইউটিউব অথবা এক্স (পূর্বের টুইটার)-এ এমন কোনো পোস্ট বা ভিডিও আপলোড করা যাবে না যা সৌদি আরবের আইন বা শৃঙ্খলা পরিপন্থী। একইসাথে, এ ধরনের পোস্টে লাইক দেওয়া, মন্তব্য করা কিংবা শেয়ার করা থেকেও বিরত থাকতে বলা হয়েছে।
কোনো কাগজ ভালোমতো না পড়ে তাতে স্বাক্ষর বা আঙুলের ছাপ দিতে নিষেধ করা হয়েছে, বিশেষ করে সাদা কাগজে কোনো অবস্থাতেই স্বাক্ষর করা যাবে না। এছাড়া, নিজের আকামা (ইকামা) ব্যবহার করে অন্য কারও নামে সিম কার্ড, গাড়ি বা অন্য কোনো সামগ্রী ক্রয় করা থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
কনস্যুলেট আরও সতর্ক করেছে যে, এক মালিকের আকামা ব্যবহার করে অন্য জায়গায় কাজ করা, রাস্তায় পড়ে থাকা জিনিসপত্র কুড়িয়ে বিক্রি করা, অনুমতিবিহীন ব্যবসা পরিচালনা করা অথবা অবৈধভাবে পানি বিক্রি করার মতো কার্যকলাপগুলো সৌদি আইনে কঠোর শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে।
অপরিচিত বা পরিচিত কারো সাথে যেকোনো ধরনের অবৈধ আর্থিক লেনদেন এবং চাকরির নামে ভুয়া প্রলোভন থেকে সবাইকে সতর্ক থাকতেও আহ্বান জানানো হয়েছে।
কনস্যুলেটের মতে, এই নির্দেশনাগুলো মেনে চললে প্রবাসীদের জীবন যেমন নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক হবে, তেমনি বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশের সুনাম ও ভাবমূর্তিও ইতিবাচক থাকবে।
বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্টত উল্লেখ করা হয়েছে যে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম যেমন ফেসবুক, ইউটিউব অথবা এক্স (পূর্বের টুইটার)-এ এমন কোনো পোস্ট বা ভিডিও আপলোড করা যাবে না যা সৌদি আরবের আইন বা শৃঙ্খলা পরিপন্থী। একইসাথে, এ ধরনের পোস্টে লাইক দেওয়া, মন্তব্য করা কিংবা শেয়ার করা থেকেও বিরত থাকতে বলা হয়েছে।
কোনো কাগজ ভালোমতো না পড়ে তাতে স্বাক্ষর বা আঙুলের ছাপ দিতে নিষেধ করা হয়েছে, বিশেষ করে সাদা কাগজে কোনো অবস্থাতেই স্বাক্ষর করা যাবে না। এছাড়া, নিজের আকামা (ইকামা) ব্যবহার করে অন্য কারও নামে সিম কার্ড, গাড়ি বা অন্য কোনো সামগ্রী ক্রয় করা থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
কনস্যুলেট আরও সতর্ক করেছে যে, এক মালিকের আকামা ব্যবহার করে অন্য জায়গায় কাজ করা, রাস্তায় পড়ে থাকা জিনিসপত্র কুড়িয়ে বিক্রি করা, অনুমতিবিহীন ব্যবসা পরিচালনা করা অথবা অবৈধভাবে পানি বিক্রি করার মতো কার্যকলাপগুলো সৌদি আইনে কঠোর শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে।
অপরিচিত বা পরিচিত কারো সাথে যেকোনো ধরনের অবৈধ আর্থিক লেনদেন এবং চাকরির নামে ভুয়া প্রলোভন থেকে সবাইকে সতর্ক থাকতেও আহ্বান জানানো হয়েছে।
কনস্যুলেটের মতে, এই নির্দেশনাগুলো মেনে চললে প্রবাসীদের জীবন যেমন নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক হবে, তেমনি বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশের সুনাম ও ভাবমূর্তিও ইতিবাচক থাকবে।