ফুটবল মাঠে আর্লিং হলান্ড যেন এক অপ্রতিরোধ্য শক্তি। গোল করার সহজাত ক্ষমতা, প্রতিপক্ষের ডিফেন্স ভেদ করার অবিশ্বাস্য গতি, ক্ষিপ্রতা আর নির্ভুল ফিনিশিং তাকে বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সেরা স্ট্রাইকারের আসনে বসিয়েছে। তবে, খেলার তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার বাইরে ব্যক্তিগত জীবনে তিনি কেমন? কীভাবে কাটে তাঁর অবসর সময়? কোন সিনেমা তাঁকে মুগ্ধ করে, কোন টিভি সিরিজ মন্ত্রমুগ্ধের মতো দেখতে পারেন, কিংবা কোন গান তাঁকে অনুপ্রেরণা যোগায়?
ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে আর্লিং হলান্ড সচরাচর খুব বেশি তথ্য প্রকাশ করেন না। তবে, বিভিন্ন সাক্ষাৎকার, ক্লাবের প্রকাশিত ভিডিও, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং গণমাধ্যমে তাঁর দেওয়া বক্তব্য থেকে তাঁর বিনোদনমূলক পছন্দ-অপছন্দের একটি স্পষ্ট চিত্র পাওয়া যায়।
তাঁর পছন্দের সিনেমার তালিকায় শীর্ষে রয়েছে রিডলি স্কট পরিচালিত ২০০০ সালের ঐতিহাসিক চলচ্চিত্র ‘গ্ল্যাডিয়েটর’। হলান্ড একাধিকবার জানিয়েছেন, এটি তাঁর প্রিয় সিনেমাগুলোর মধ্যে অন্যতম। রাসেল ক্রো অভিনীত রোমান সেনাপতি ম্যাক্সিমাসের সংগ্রাম তাকে গভীরভাবে আকৃষ্ট করে। এই সিনেমাটির প্রতি হলান্ডের আকর্ষণের কারণ অনুধাবন করা কঠিন নয়। একজন যোদ্ধার অবিচল লড়াই, আত্মবিশ্বাস এবং প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে ঘুরে দাঁড়ানোর মানসিকতা তাঁর নিজস্ব খেলোয়াড়ি দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে দারুণভাবে মিলে যায়। জানা যায়, ম্যাচের আগে মানসিকভাবে প্রস্তুত হতে তিনি অনুপ্রেরণামূলক গল্প পছন্দ করেন।
ক্রিস্টোফার নোলানের চলচ্চিত্রের প্রতিও হলান্ডের বিশেষ অনুরাগ রয়েছে। তিনি বিভিন্ন সময়ে নোলানের কাজের প্রশংসা করেছেন, বিশেষত ‘দ্য ডার্ক নাইট’ তাঁর পছন্দের তালিকায় স্থান করে নিয়েছে। জটিল কাহিনিবিন্যাস, মনস্তাত্ত্বিক টানাপোড়েন এবং শক্তিশালী চরিত্রের গভীরতা তাকে আকর্ষণ করে। অ্যাকশন ও থ্রিলারধর্মী সিনেমার প্রতি তাঁর আগ্রহ স্পষ্ট। সুপারহিরো ঘরানার চলচ্চিত্রও তিনি উপভোগ করেন, যা তাঁর বিনোদনমূলক রুচির বহুমুখী দিক তুলে ধরে।
নরওয়ের সন্তান হিসেবে ভাইকিং ইতিহাসের প্রতি আর্লিং হলান্ডের গভীর ও দীর্ঘদিনের আকর্ষণ রয়েছে। এ কারণে ঐতিহাসিক এবং যুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র তাঁর কাছে এক ভিন্ন আবেদন তৈরি করে। নরওয়ের নিজস্ব ইতিহাস এবং উত্তর ইউরোপের কিংবদন্তি নিয়ে নির্মিত বিভিন্ন চলচ্চিত্রও তিনি আগ্রহ নিয়ে দেখেন।
হলান্ডের সবচেয়ে আলোচিত প্রিয় টিভি সিরিজগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো ‘প্রিজন ব্রেক’। একাধিক সাক্ষাৎকারে তিনি উল্লেখ করেছেন যে, সুযোগ পেলেই তিনি এই সিরিজটি দেখেন। মাইকেল স্কোফিল্ডের বুদ্ধিমত্তা, সুচিন্তিত পরিকল্পনা এবং রুদ্ধশ্বাস কাহিনি তাকে মুগ্ধ করেছে। এছাড়া, ‘গেম অব থ্রোনস’ও তিনি দেখেছেন বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়। যুদ্ধ, ক্ষমতার তীব্র দ্বন্দ্ব এবং চরিত্রের নাটকীয় বিবর্তন তাকে আকর্ষণ করেছে। ভাইকিং ঐতিহ্যের প্রতি তাঁর আগ্রহের কারণে মধ্যযুগীয় কল্পকাহিনিনির্ভর সিরিজগুলোর প্রতিও তাঁর এক বিশেষ টান রয়েছে।
শুধু কল্পকাহিনি নয়, হলান্ড খেলাধুলাভিত্তিক ডকুমেন্টারি এবং বিখ্যাত ক্রীড়াবিদদের জীবন নিয়ে নির্মিত অনুষ্ঠানও নিয়মিত দেখেন। এগুলো থেকে তিনি অনুপ্রেরণা গ্রহণ করেন বলে বিভিন্ন সময়ে জানিয়েছেন।
আর্লিং হলান্ডের প্লেলিস্ট বেশ বৈচিত্র্যপূর্ণ হলেও কয়েকটি বিষয় স্পষ্ট। ম্যাচের আগে নিজেকে উদ্দীপ্ত করতে তিনি প্রায়শই র্যাপ ও হিপহপ গান শোনেন। বিশেষত, মার্কিন র্যাপশিল্পীদের গান তাঁর প্লেলিস্টে নিয়মিত স্থান পায়। দ্রুত ছন্দ, শক্তিশালী বিট এবং আত্মবিশ্বাসী গানের কথা ম্যাচের আগে তাকে মানসিকভাবে প্রস্তুত করে তোলে। নিজ দেশের শিল্পীদের প্রতিও হলান্ডের আগ্রহ লক্ষণীয়। নরওয়ের জনপ্রিয় শিল্পীদের গানও তিনি শোনেন, যা জাতীয় পরিচয়ের সঙ্গে তাঁর সংযোগের বিষয়টি তুলে ধরে। হলান্ড একবার বলেছিলেন, গান নির্বাচন করার সময় তিনি শিল্পীর চেয়ে তার সৃষ্ট অনুভূতিকে বেশি গুরুত্ব দেন। কোনো গান যদি তাঁকে ইতিবাচক মানসিকতায় নিয়ে যায়, সেটিই তাঁর কাছে অধিক গুরুত্বপূর্ণ।
ফুটবলের ব্যস্ত সূচির বাইরে হলান্ডের অন্যতম প্রিয় বিনোদন হলো ভিডিও গেম খেলা। বিশেষ করে বন্ধুদের সঙ্গে অনলাইনে সময় কাটাতে তিনি আনন্দ পান। এর পাশাপাশি, পরিবারের সদস্য কিংবা বন্ধুদের সঙ্গে সিনেমা দেখা তাঁর একটি নিয়মিত অভ্যাস।
বড় পর্দায় এবার এক নতুন অধ্যায় শুরু করতে যাচ্ছেন নরওয়ের তারকা স্ট্রাইকার আর্লিং হলান্ড। অ্যানিমেশন চলচ্চিত্র ‘ভাইকুইন্স’-এর মাধ্যমে ম্যানচেস্টার সিটির এই ফুটবলারের অভিনয় জগতে অভিষেক হতে চলেছে। ছবিতে তিনি ‘হলান্ড’ নামের এক ভাইকিং যোদ্ধার চরিত্রে কণ্ঠ দেবেন। দ্য হলিউড রিপোর্টার সূত্রে জানা গেছে, এই ছবিতে হলান্ড নিজেকেই অ্যানিমেটেড রূপে উপস্থাপন করবেন। ডাচ-নরওয়েজীয় নির্মাতা হারাল্ড জোয়ার্ট, যিনি ‘দ্য কারাতে কিড’ ও ‘এজেন্ট কোডি ব্যাংকস’ এর মতো চলচ্চিত্র পরিচালনা করেছেন, তিনিই ছবিটির পরিচালনা ও সহচিত্রনাট্য লিখেছেন।
আইএমডিবি-র দেওয়া কাহিনিসংক্ষেপে বলা হয়েছে, ‘ভাইকুইন্স’ এর গল্পে দুই সাহসী ভাইকিং কিশোরী এক গোপন যাত্রীকে তার দেশে ফিরিয়ে দিতে নরওয়ে থেকে চীনে যাত্রা করে। সেই রোমাঞ্চকর অভিযানে তারা নানা গোপন রহস্যের মুখোমুখি হয়, ড্রাগন ঘুড়ি ও আতশবাজির কৌশল শেখে, কুংফুতে পারদর্শী হয়ে ওঠে এবং শেষ পর্যন্ত উপলব্ধি করে যে, শত্রুর কাছ থেকে ছিনিয়ে নেওয়া সম্পদের চেয়ে বন্ধুত্বের উপহার অনেক বেশি মূল্যবান।
পরিচালক হারাল্ড জোয়ার্ট বলেন, ‘আর্লিং এখন সারা বিশ্বের কাছে এক বাস্তব জীবনের ভাইকিং প্রতীকে পরিণত হয়েছেন – শক্তিশালী, নির্ভীক এবং স্বতন্ত্র নরওয়েজীয়। তাঁকে তাঁর নিজস্ব চরিত্রে এই চলচ্চিত্রের জগতে নিয়ে আসা ছবিটিকে এক ভিন্ন মাত্রা ও বিশ্বাসযোগ্যতা দিয়েছে, যা এই গল্পের জন্য একেবারেই উপযুক্ত।’ ছবির দুই প্রধান চরিত্র হেডভিগ ও ইনগ্রিডের কণ্ঠ দেবেন সংগীতশিল্পী রিটা ওরা এবং টেলিভিশন সিরিজ ‘ইয়েলোজ্যাকেটস’-এর অভিনেত্রী এলা পারনেল। এছাড়াও জনপ্রিয় টক শো উপস্থাপক অ্যালান কার ‘গানের কথা লিখতে অপারগ এক রাজকীয় লিপিকার’-এর ছোট কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে কণ্ঠ দেবেন। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে ‘ভাইকুইন্স’ আগামী বড়দিনের সময়ে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে আর্লিং হলান্ড সচরাচর খুব বেশি তথ্য প্রকাশ করেন না। তবে, বিভিন্ন সাক্ষাৎকার, ক্লাবের প্রকাশিত ভিডিও, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং গণমাধ্যমে তাঁর দেওয়া বক্তব্য থেকে তাঁর বিনোদনমূলক পছন্দ-অপছন্দের একটি স্পষ্ট চিত্র পাওয়া যায়।
তাঁর পছন্দের সিনেমার তালিকায় শীর্ষে রয়েছে রিডলি স্কট পরিচালিত ২০০০ সালের ঐতিহাসিক চলচ্চিত্র ‘গ্ল্যাডিয়েটর’। হলান্ড একাধিকবার জানিয়েছেন, এটি তাঁর প্রিয় সিনেমাগুলোর মধ্যে অন্যতম। রাসেল ক্রো অভিনীত রোমান সেনাপতি ম্যাক্সিমাসের সংগ্রাম তাকে গভীরভাবে আকৃষ্ট করে। এই সিনেমাটির প্রতি হলান্ডের আকর্ষণের কারণ অনুধাবন করা কঠিন নয়। একজন যোদ্ধার অবিচল লড়াই, আত্মবিশ্বাস এবং প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে ঘুরে দাঁড়ানোর মানসিকতা তাঁর নিজস্ব খেলোয়াড়ি দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে দারুণভাবে মিলে যায়। জানা যায়, ম্যাচের আগে মানসিকভাবে প্রস্তুত হতে তিনি অনুপ্রেরণামূলক গল্প পছন্দ করেন।
ক্রিস্টোফার নোলানের চলচ্চিত্রের প্রতিও হলান্ডের বিশেষ অনুরাগ রয়েছে। তিনি বিভিন্ন সময়ে নোলানের কাজের প্রশংসা করেছেন, বিশেষত ‘দ্য ডার্ক নাইট’ তাঁর পছন্দের তালিকায় স্থান করে নিয়েছে। জটিল কাহিনিবিন্যাস, মনস্তাত্ত্বিক টানাপোড়েন এবং শক্তিশালী চরিত্রের গভীরতা তাকে আকর্ষণ করে। অ্যাকশন ও থ্রিলারধর্মী সিনেমার প্রতি তাঁর আগ্রহ স্পষ্ট। সুপারহিরো ঘরানার চলচ্চিত্রও তিনি উপভোগ করেন, যা তাঁর বিনোদনমূলক রুচির বহুমুখী দিক তুলে ধরে।
নরওয়ের সন্তান হিসেবে ভাইকিং ইতিহাসের প্রতি আর্লিং হলান্ডের গভীর ও দীর্ঘদিনের আকর্ষণ রয়েছে। এ কারণে ঐতিহাসিক এবং যুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র তাঁর কাছে এক ভিন্ন আবেদন তৈরি করে। নরওয়ের নিজস্ব ইতিহাস এবং উত্তর ইউরোপের কিংবদন্তি নিয়ে নির্মিত বিভিন্ন চলচ্চিত্রও তিনি আগ্রহ নিয়ে দেখেন।
হলান্ডের সবচেয়ে আলোচিত প্রিয় টিভি সিরিজগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো ‘প্রিজন ব্রেক’। একাধিক সাক্ষাৎকারে তিনি উল্লেখ করেছেন যে, সুযোগ পেলেই তিনি এই সিরিজটি দেখেন। মাইকেল স্কোফিল্ডের বুদ্ধিমত্তা, সুচিন্তিত পরিকল্পনা এবং রুদ্ধশ্বাস কাহিনি তাকে মুগ্ধ করেছে। এছাড়া, ‘গেম অব থ্রোনস’ও তিনি দেখেছেন বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়। যুদ্ধ, ক্ষমতার তীব্র দ্বন্দ্ব এবং চরিত্রের নাটকীয় বিবর্তন তাকে আকর্ষণ করেছে। ভাইকিং ঐতিহ্যের প্রতি তাঁর আগ্রহের কারণে মধ্যযুগীয় কল্পকাহিনিনির্ভর সিরিজগুলোর প্রতিও তাঁর এক বিশেষ টান রয়েছে।
শুধু কল্পকাহিনি নয়, হলান্ড খেলাধুলাভিত্তিক ডকুমেন্টারি এবং বিখ্যাত ক্রীড়াবিদদের জীবন নিয়ে নির্মিত অনুষ্ঠানও নিয়মিত দেখেন। এগুলো থেকে তিনি অনুপ্রেরণা গ্রহণ করেন বলে বিভিন্ন সময়ে জানিয়েছেন।
আর্লিং হলান্ডের প্লেলিস্ট বেশ বৈচিত্র্যপূর্ণ হলেও কয়েকটি বিষয় স্পষ্ট। ম্যাচের আগে নিজেকে উদ্দীপ্ত করতে তিনি প্রায়শই র্যাপ ও হিপহপ গান শোনেন। বিশেষত, মার্কিন র্যাপশিল্পীদের গান তাঁর প্লেলিস্টে নিয়মিত স্থান পায়। দ্রুত ছন্দ, শক্তিশালী বিট এবং আত্মবিশ্বাসী গানের কথা ম্যাচের আগে তাকে মানসিকভাবে প্রস্তুত করে তোলে। নিজ দেশের শিল্পীদের প্রতিও হলান্ডের আগ্রহ লক্ষণীয়। নরওয়ের জনপ্রিয় শিল্পীদের গানও তিনি শোনেন, যা জাতীয় পরিচয়ের সঙ্গে তাঁর সংযোগের বিষয়টি তুলে ধরে। হলান্ড একবার বলেছিলেন, গান নির্বাচন করার সময় তিনি শিল্পীর চেয়ে তার সৃষ্ট অনুভূতিকে বেশি গুরুত্ব দেন। কোনো গান যদি তাঁকে ইতিবাচক মানসিকতায় নিয়ে যায়, সেটিই তাঁর কাছে অধিক গুরুত্বপূর্ণ।
ফুটবলের ব্যস্ত সূচির বাইরে হলান্ডের অন্যতম প্রিয় বিনোদন হলো ভিডিও গেম খেলা। বিশেষ করে বন্ধুদের সঙ্গে অনলাইনে সময় কাটাতে তিনি আনন্দ পান। এর পাশাপাশি, পরিবারের সদস্য কিংবা বন্ধুদের সঙ্গে সিনেমা দেখা তাঁর একটি নিয়মিত অভ্যাস।
বড় পর্দায় এবার এক নতুন অধ্যায় শুরু করতে যাচ্ছেন নরওয়ের তারকা স্ট্রাইকার আর্লিং হলান্ড। অ্যানিমেশন চলচ্চিত্র ‘ভাইকুইন্স’-এর মাধ্যমে ম্যানচেস্টার সিটির এই ফুটবলারের অভিনয় জগতে অভিষেক হতে চলেছে। ছবিতে তিনি ‘হলান্ড’ নামের এক ভাইকিং যোদ্ধার চরিত্রে কণ্ঠ দেবেন। দ্য হলিউড রিপোর্টার সূত্রে জানা গেছে, এই ছবিতে হলান্ড নিজেকেই অ্যানিমেটেড রূপে উপস্থাপন করবেন। ডাচ-নরওয়েজীয় নির্মাতা হারাল্ড জোয়ার্ট, যিনি ‘দ্য কারাতে কিড’ ও ‘এজেন্ট কোডি ব্যাংকস’ এর মতো চলচ্চিত্র পরিচালনা করেছেন, তিনিই ছবিটির পরিচালনা ও সহচিত্রনাট্য লিখেছেন।
আইএমডিবি-র দেওয়া কাহিনিসংক্ষেপে বলা হয়েছে, ‘ভাইকুইন্স’ এর গল্পে দুই সাহসী ভাইকিং কিশোরী এক গোপন যাত্রীকে তার দেশে ফিরিয়ে দিতে নরওয়ে থেকে চীনে যাত্রা করে। সেই রোমাঞ্চকর অভিযানে তারা নানা গোপন রহস্যের মুখোমুখি হয়, ড্রাগন ঘুড়ি ও আতশবাজির কৌশল শেখে, কুংফুতে পারদর্শী হয়ে ওঠে এবং শেষ পর্যন্ত উপলব্ধি করে যে, শত্রুর কাছ থেকে ছিনিয়ে নেওয়া সম্পদের চেয়ে বন্ধুত্বের উপহার অনেক বেশি মূল্যবান।
পরিচালক হারাল্ড জোয়ার্ট বলেন, ‘আর্লিং এখন সারা বিশ্বের কাছে এক বাস্তব জীবনের ভাইকিং প্রতীকে পরিণত হয়েছেন – শক্তিশালী, নির্ভীক এবং স্বতন্ত্র নরওয়েজীয়। তাঁকে তাঁর নিজস্ব চরিত্রে এই চলচ্চিত্রের জগতে নিয়ে আসা ছবিটিকে এক ভিন্ন মাত্রা ও বিশ্বাসযোগ্যতা দিয়েছে, যা এই গল্পের জন্য একেবারেই উপযুক্ত।’ ছবির দুই প্রধান চরিত্র হেডভিগ ও ইনগ্রিডের কণ্ঠ দেবেন সংগীতশিল্পী রিটা ওরা এবং টেলিভিশন সিরিজ ‘ইয়েলোজ্যাকেটস’-এর অভিনেত্রী এলা পারনেল। এছাড়াও জনপ্রিয় টক শো উপস্থাপক অ্যালান কার ‘গানের কথা লিখতে অপারগ এক রাজকীয় লিপিকার’-এর ছোট কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে কণ্ঠ দেবেন। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে ‘ভাইকুইন্স’ আগামী বড়দিনের সময়ে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।