চুলে ঘি ব্যবহারে কি উপকার
খাবারের স্বাদকে কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিতে ঘি এর জুড়ি মেলা ভার। এটি এমন এক উপাদান, যা মুখরোচক সব ধরনের খাবারেই ব্যবহৃত হয়। শুধু খাবার নয়, রূপচর্চায়ও কিন্তু এটি বেশ উপকারী।
খাবারের স্বাদকে কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিতে ঘি এর জুড়ি মেলা ভার। এটি এমন এক উপাদান, যা মুখরোচক সব ধরনের খাবারেই ব্যবহৃত হয়। শুধু খাবার নয়, রূপচর্চায়ও কিন্তু এটি বেশ উপকারী।
ত্বকের যত্নের ব্যাপারে উদাসীন হয়ে থাকেন ব্যস্ত পুরুষরা। শোবিজ বা কর্পোরেট অফিসে যারা কাজ করেন তাদের ত্বকের উজ্জ্বলতা ধরে রাখা কামনীয়। নারীদের তুলনায় তারা কম সচেতন থাকেন বলেই অল্প বয়সে বুড়িয়ে যান।
চুল পড়ে যাওয়ার অন্যতম কারণ খুশকি। ধুলাবালি ও ময়লা জমে খুশকি হতে পারে। শুষ্ক ত্বকের অধিকারী যারা, তাদের মধ্যে খুশকির প্রকোপ বেশি দেখা যায়। নিয়মিত যত্নে দূর হতে পারে খুশকি।
স্যালাড হবে, অথচ সেই স্যালাডে শশা থাকবেনা তা সম্ভব নয়। খাওয়ার পাতে স্যালাড না হলেও শুধু শশা পেঁয়াজ অনেকেই খান। সালাদ
শীতের বাতাসে ত্বক বিবর্ণ হয়ে যাচ্ছে? রুক্ষ ও প্রাণহীন ত্বকের যত্নে ব্যবহার করতে পারেন মধু ও দইয়ের ফেসপ্যাক। দইয়ে রয়েছে ল্যাক্টিক অ্যাসিড ও উপকারী ব্যাকটেরিয়া।
ছেলেদের হাত যেহেতু বেশিরভাগ সময় খোলা থাকে, তাই সূর্যের তাপ ও বাইরের ধুলাবালির কারণে শরীরের অন্য স্থানের চেয়ে হাতের ত্বকের ক্ষতিটা একটু বেশি হয়ে থাকে। বাইরে বের হলে সূর্যের তাপ ও বাইরের ধুলাবালি সবচেয়ে বেশি লাগে হাতে।
ব্যস্ত জীবনে ত্বকের উপর দিয়ে কত না অত্যাচার যায়! এতে ত্বক হয়ে যায় রুক্ষ। এই ড্যামেজ রিপেয়ার করতে একটি রিজুভিনেটিং ফেশিয়াল করিয়ে নিন।
কৃত্রিম জিনিসগুলিতে চুল যত না কালো থাকে তার থেকে বেশি ক্ষতি হয় চুলের। তার পরেও এমন কিছু প্রাকৃতিক জিনিস রয়েছে, যাদের সাহায্য নিলে চুল থাকবে কালো এবং সুন্দর এবং চুলের তো কোনও ক্ষতি হবেই না, বরং স্বাস্থ্যোজ্জ্বল হয়ে উঠবে চুল
আধুনিক যুগে ত্বকের যত্নের জন্যে স্পার জুরি নেই। আপনি আপনার ত্বকের ধরণ অনুসারে কোনো লাইসেন্স প্রাপ্ত উন্নতমানের বিউটি পার্লার থেকে স্পা করাতে পারেন।
ব্রণের সমস্যায় আমরা অনেকেই ভুগি। সাধারণত ত্বকের তৈলগ্রন্থি বা ওয়েল গ্ল্যান্ড ব্যাকটেরিয়ার মাধ্যমে সংক্রমিত হলে ব্রণ হয়। ত্বকের উজ্জ্বলতা, সৌন্দর্য নষ্ট করতে ব্রণই দায়ী।