কুমিল্লার বুড়িচংয়ে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) পরিচয়ে যানবাহনে তল্লাশি চালানোর অভিযোগে তিন যুবককে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে স্থানীয় জনতা। গতকাল বুধবার রাত ১১টায় বুড়িচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লুৎফুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
একই দিন দুপুরে উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের চড়ানল এলাকায় কুমিল্লা-বাগড়া সড়কে এই ঘটনা ঘটে। আটককৃতরা হলেন বুড়িচং উপজেলার বাকশীমূল ইউনিয়নের মীরপুর উত্তরপাড়ার মৃত রুহুল আমিনের ছেলে মো. সাদ্দাম হোসেন রিয়াজ (২৩), রাজাপুর ইউনিয়নের মসজিদপাড়ার আলমগীর হোসেনের ছেলে মো. ফাহিম হোসেন ওরফে সাইম (১৯) এবং একই এলাকার মো. আবুল হোসেনের ছেলে মো. এনামুল হাসান (১৯)।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চড়ানল এলাকায় কুমিল্লা-বাগড়া সড়কে ডিবি পুলিশ পরিচয় দিয়ে ওই তিন যুবক বিভিন্ন পরিবহনে তল্লাশি চালাচ্ছিলেন। তাদের আচরণ ও তল্লাশির ধরন সন্দেহজনক মনে হওয়ায় স্থানীয়রা তাদের ঘিরে ফেলে এবং আটক করে।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাদের নিজেদের হেফাজতে নেয়। স্থানীয় বাসিন্দা ইব্রাহিম জানান, “ওই তিন যুবকের তল্লাশির নমুনা এবং শারীরিক গঠন দেখে আমাদের সন্দেহ হয়।
এরপর আমরা তাদের আটক করি এবং পুলিশকে খবর দিই।” এ বিষয়ে বুড়িচং থানার ওসি লুৎফুর রহমান বলেছেন, আটককৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হবে।
একই দিন দুপুরে উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের চড়ানল এলাকায় কুমিল্লা-বাগড়া সড়কে এই ঘটনা ঘটে। আটককৃতরা হলেন বুড়িচং উপজেলার বাকশীমূল ইউনিয়নের মীরপুর উত্তরপাড়ার মৃত রুহুল আমিনের ছেলে মো. সাদ্দাম হোসেন রিয়াজ (২৩), রাজাপুর ইউনিয়নের মসজিদপাড়ার আলমগীর হোসেনের ছেলে মো. ফাহিম হোসেন ওরফে সাইম (১৯) এবং একই এলাকার মো. আবুল হোসেনের ছেলে মো. এনামুল হাসান (১৯)।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চড়ানল এলাকায় কুমিল্লা-বাগড়া সড়কে ডিবি পুলিশ পরিচয় দিয়ে ওই তিন যুবক বিভিন্ন পরিবহনে তল্লাশি চালাচ্ছিলেন। তাদের আচরণ ও তল্লাশির ধরন সন্দেহজনক মনে হওয়ায় স্থানীয়রা তাদের ঘিরে ফেলে এবং আটক করে।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাদের নিজেদের হেফাজতে নেয়। স্থানীয় বাসিন্দা ইব্রাহিম জানান, “ওই তিন যুবকের তল্লাশির নমুনা এবং শারীরিক গঠন দেখে আমাদের সন্দেহ হয়।
এরপর আমরা তাদের আটক করি এবং পুলিশকে খবর দিই।” এ বিষয়ে বুড়িচং থানার ওসি লুৎফুর রহমান বলেছেন, আটককৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হবে।