ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম স্মরণীয় এবং আলোচিত মুহূর্ত হলো দিয়েগো ম্যারাডোনার বিখ্যাত ‘হ্যান্ড অব গড’ গোল। ১৯৮৬ সালের বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ব্যবহৃত বলটি সম্প্রতি এক নিলামে ৩৩ লাখ ৫০ হাজার (৩.৩৫ মিলিয়ন) মার্কিন ডলারে বিক্রি হয়েছে। দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদন এবং হেরিটেজ অকশন্সের নিজস্ব তথ্য অনুযায়ী, ডালাসভিত্তিক এই নিলাম প্রতিষ্ঠানটির আয়োজনে বলটি বিক্রি করা হয়।
আর্জেন্টিনা ২-১ গোলে জয়ী হওয়া সেই কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচে অ্যাডিডাসের ‘অ্যাজটেকা’ বলটি ব্যবহার করা হয়েছিল। এই ম্যাচেই ফুটবল কিংবদন্তী ম্যারাডোনা বিশ্বকাপের ইতিহাসে তাঁর দুটি অবিস্মরণীয় গোল করেন। ম্যাচের প্রথম গোলটিই পরবর্তীতে ‘হ্যান্ড অব গড’ নামে বিশ্বব্যাপী পরিচিতি লাভ করে। এই গোলটিতে ম্যারাডোনা গোলরক্ষক পিটার শিল্টনের মাথার ওপর দিয়ে বল জালে জড়ানোর জন্য তাঁর বাঁ হাত ব্যবহার করেছিলেন, যা ম্যাচ কর্মকর্তারা বৈধ ঘোষণা করেন।
মাত্র চার মিনিটের ব্যবধানে, আর্জেন্টাইন অধিনায়ক নিজের অর্ধে বল নিয়ে একে একে পাঁচজন ইংলিশ খেলোয়াড়কে কাটিয়ে অবিশ্বাস্য একক প্রচেষ্টায় আরেকটি গোল করেন। ফুটবল ইতিহাসে এটি পরবর্তীতে ফিফার ভোটে ‘গোল অব দ্য সেঞ্চুরি’ হিসেবে স্বীকৃতি পায়।
হেরিটেজ অকশন্স নিশ্চিত করেছে যে, ম্যাচ চলাকালীন তোলা ছবির সঙ্গে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে মিলিয়ে বিশেষজ্ঞরা বলটির সঠিক পরিচয় নিশ্চিত করেছেন। যদিও নিলামের পূর্বে বলটির সম্ভাব্য মূল্য অন্তত ১ কোটি ডলার অনুমান করা হয়েছিল, তবে ৩৩ লাখ ৫০ হাজার ডলারের চূড়ান্ত বিক্রিমূল্য প্রত্যাশার তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম।
এই ঐতিহাসিক ম্যাচের তিউনিসিয়ান রেফারি আলি বিন নাসের ৩৬ বছর ধরে বলটি সযত্নে নিজের কাছে সংরক্ষণ করেছিলেন। এর আগে, ২০২২ সালে লন্ডনে অনুষ্ঠিত একটি নিলামে বলটি প্রায় ২০ লাখ পাউন্ড (যা প্রায় ২৩ লাখ ৭০ হাজার মার্কিন ডলারের সমতুল্য) মূল্যে বিক্রি হয়েছিল। উল্লেখ্য, একই বছর ম্যারাডোনার সেই ম্যাচে পরিহিত জার্সিটিও সোথবির নিলামে প্রায় ৯৩ লাখ ডলারে বিক্রি হয়েছিল।
তবে, এইবারের বিক্রয় কোনো ক্রীড়া বলের নিলামের নতুন রেকর্ড গড়তে ব্যর্থ হয়েছে। ২০২৪ সালে মেজর লিগ বেসবলের ঐতিহাসিক মৌসুমে শোহেই ওতানির ৫০তম হোম রান করা বলটি ৪৩ লাখ ৯২ হাজার ডলারে বিক্রি হয়েছিল, যা এই ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ। সামগ্রিকভাবে, ক্রীড়া স্মারকের নিলামের রেকর্ড এখনো কিংবদন্তী বেবে রুথের জার্সির দখলে। নিউইয়র্ক ইয়াঙ্কিজের এই কিংবদন্তী খেলোয়াড় ১৯৩২ সালের ওয়ার্ল্ড সিরিজের তৃতীয় ম্যাচে যে জার্সিটি পরেছিলেন, তা ২০২৪ সালে হেরিটেজ অকশন্স কর্তৃক ২ কোটি ৪১ লাখ ২০ হাজার ডলারে বিক্রি হয়, যা ক্রীড়া স্মারক নিলামের ইতিহাসে সর্বোচ্চ।
আর্জেন্টিনা ২-১ গোলে জয়ী হওয়া সেই কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচে অ্যাডিডাসের ‘অ্যাজটেকা’ বলটি ব্যবহার করা হয়েছিল। এই ম্যাচেই ফুটবল কিংবদন্তী ম্যারাডোনা বিশ্বকাপের ইতিহাসে তাঁর দুটি অবিস্মরণীয় গোল করেন। ম্যাচের প্রথম গোলটিই পরবর্তীতে ‘হ্যান্ড অব গড’ নামে বিশ্বব্যাপী পরিচিতি লাভ করে। এই গোলটিতে ম্যারাডোনা গোলরক্ষক পিটার শিল্টনের মাথার ওপর দিয়ে বল জালে জড়ানোর জন্য তাঁর বাঁ হাত ব্যবহার করেছিলেন, যা ম্যাচ কর্মকর্তারা বৈধ ঘোষণা করেন।
মাত্র চার মিনিটের ব্যবধানে, আর্জেন্টাইন অধিনায়ক নিজের অর্ধে বল নিয়ে একে একে পাঁচজন ইংলিশ খেলোয়াড়কে কাটিয়ে অবিশ্বাস্য একক প্রচেষ্টায় আরেকটি গোল করেন। ফুটবল ইতিহাসে এটি পরবর্তীতে ফিফার ভোটে ‘গোল অব দ্য সেঞ্চুরি’ হিসেবে স্বীকৃতি পায়।
হেরিটেজ অকশন্স নিশ্চিত করেছে যে, ম্যাচ চলাকালীন তোলা ছবির সঙ্গে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে মিলিয়ে বিশেষজ্ঞরা বলটির সঠিক পরিচয় নিশ্চিত করেছেন। যদিও নিলামের পূর্বে বলটির সম্ভাব্য মূল্য অন্তত ১ কোটি ডলার অনুমান করা হয়েছিল, তবে ৩৩ লাখ ৫০ হাজার ডলারের চূড়ান্ত বিক্রিমূল্য প্রত্যাশার তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম।
এই ঐতিহাসিক ম্যাচের তিউনিসিয়ান রেফারি আলি বিন নাসের ৩৬ বছর ধরে বলটি সযত্নে নিজের কাছে সংরক্ষণ করেছিলেন। এর আগে, ২০২২ সালে লন্ডনে অনুষ্ঠিত একটি নিলামে বলটি প্রায় ২০ লাখ পাউন্ড (যা প্রায় ২৩ লাখ ৭০ হাজার মার্কিন ডলারের সমতুল্য) মূল্যে বিক্রি হয়েছিল। উল্লেখ্য, একই বছর ম্যারাডোনার সেই ম্যাচে পরিহিত জার্সিটিও সোথবির নিলামে প্রায় ৯৩ লাখ ডলারে বিক্রি হয়েছিল।
তবে, এইবারের বিক্রয় কোনো ক্রীড়া বলের নিলামের নতুন রেকর্ড গড়তে ব্যর্থ হয়েছে। ২০২৪ সালে মেজর লিগ বেসবলের ঐতিহাসিক মৌসুমে শোহেই ওতানির ৫০তম হোম রান করা বলটি ৪৩ লাখ ৯২ হাজার ডলারে বিক্রি হয়েছিল, যা এই ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ। সামগ্রিকভাবে, ক্রীড়া স্মারকের নিলামের রেকর্ড এখনো কিংবদন্তী বেবে রুথের জার্সির দখলে। নিউইয়র্ক ইয়াঙ্কিজের এই কিংবদন্তী খেলোয়াড় ১৯৩২ সালের ওয়ার্ল্ড সিরিজের তৃতীয় ম্যাচে যে জার্সিটি পরেছিলেন, তা ২০২৪ সালে হেরিটেজ অকশন্স কর্তৃক ২ কোটি ৪১ লাখ ২০ হাজার ডলারে বিক্রি হয়, যা ক্রীড়া স্মারক নিলামের ইতিহাসে সর্বোচ্চ।