কলম্বিয়ায় ৭.৪ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানার পর মৃতের সংখ্যা অন্তত ২২৪ জনে পৌঁছেছে। ভূমিকম্পের পর দেশজুড়ে ইতোমধ্যে ৭০টিরও বেশি আফটারশক অনুভূত হওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলে নতুন করে কম্পন ও প্রাণহানির আশঙ্কা তীব্র হয়েছে। ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ভবিষ্যদ্বাণী করেছে যে, আফটারশকগুলি কয়েক দিন, সপ্তাহ এমনকি কয়েক মাস পর্যন্ত চলতে পারে।
সিএনএন সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় সময় সোমবার (১০ আগস্ট) আঘাত হানা ৭.৪ মাত্রার ভূমিকম্পে এ পর্যন্ত অন্তত ২২৪ জন নিহত হয়েছেন। বিভিন্ন সংস্থা ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষের প্রদত্ত তথ্যের ভিত্তিতে এই মৃতের সংখ্যা নিশ্চিত করা হয়েছে।
সিএনএনের উল্লিখিত হিসাবের পর, পশ্চিমাঞ্চলীয় চোকো বিভাগে আরও ৯ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। চোকোর গভর্নর নুবিয়া ক্যারোলিনা কর্দোবা-কুরি নিশ্চিত করেছেন যে, ওই বিভাগেই ১৩৮ জন আহত এবং পাঁচজন এখনো নিখোঁজ রয়েছেন।
ভূমিকম্প-পরবর্তী একের পর এক আফটারশক পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তুলেছে। কলম্বিয়ার ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা জানিয়েছে, সোমবারের সেই ভয়াবহ ভূমিকম্পের পর থেকে দেশজুড়ে ৭০টিরও বেশি আফটারশক রেকর্ড করা হয়েছে।
সর্বশেষ কম্পনটি মঙ্গলবার সকালে অনুভূত হয়েছিল, যার মাত্রা ছিল ৩.৮। মূল ভূমিকম্পের তুলনায় এটি যথেষ্ট কম শক্তিশালী হলেও, দেশের বেশ কয়েকটি শহরে এর প্রভাব অনুভূত হয়েছে।
ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা আরও জানিয়েছে যে, সর্বশেষ আফটারশকের কেন্দ্রস্থল ছিল চোকো বিভাগের সান হোসে দেল পালমার এলাকায়। এই কম্পনটির উৎপত্তি হয়েছিল ভূ-পৃষ্ঠের ৯৯ কিলোমিটার গভীরে।
সংস্থাটি সতর্ক করে বলেছে যে, আরও আফটারশক হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। মূল ভূমিকম্পের কারণে সৃষ্ট ফাটল বা ভূত্বকের পরিবর্তিত অংশে সঞ্চিত শক্তি সম্পূর্ণরূপে নির্গত হয়ে পরিস্থিতি স্থিতিশীল হতে কয়েক দিন, কয়েক সপ্তাহ, এমনকি কয়েক মাস পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। এই পুরো সময় জুড়েই আফটারশক অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা বিদ্যমান।
এর ফলস্বরূপ, কর্তৃপক্ষকে ইতোমধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলগুলিতে উদ্ধার ও ত্রাণ তৎপরতার পাশাপাশি নতুন করে কম্পনের ঝুঁকিও মোকাবিলা করতে হচ্ছে।
সিএনএন সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় সময় সোমবার (১০ আগস্ট) আঘাত হানা ৭.৪ মাত্রার ভূমিকম্পে এ পর্যন্ত অন্তত ২২৪ জন নিহত হয়েছেন। বিভিন্ন সংস্থা ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষের প্রদত্ত তথ্যের ভিত্তিতে এই মৃতের সংখ্যা নিশ্চিত করা হয়েছে।
সিএনএনের উল্লিখিত হিসাবের পর, পশ্চিমাঞ্চলীয় চোকো বিভাগে আরও ৯ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। চোকোর গভর্নর নুবিয়া ক্যারোলিনা কর্দোবা-কুরি নিশ্চিত করেছেন যে, ওই বিভাগেই ১৩৮ জন আহত এবং পাঁচজন এখনো নিখোঁজ রয়েছেন।
ভূমিকম্প-পরবর্তী একের পর এক আফটারশক পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তুলেছে। কলম্বিয়ার ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা জানিয়েছে, সোমবারের সেই ভয়াবহ ভূমিকম্পের পর থেকে দেশজুড়ে ৭০টিরও বেশি আফটারশক রেকর্ড করা হয়েছে।
সর্বশেষ কম্পনটি মঙ্গলবার সকালে অনুভূত হয়েছিল, যার মাত্রা ছিল ৩.৮। মূল ভূমিকম্পের তুলনায় এটি যথেষ্ট কম শক্তিশালী হলেও, দেশের বেশ কয়েকটি শহরে এর প্রভাব অনুভূত হয়েছে।
ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা আরও জানিয়েছে যে, সর্বশেষ আফটারশকের কেন্দ্রস্থল ছিল চোকো বিভাগের সান হোসে দেল পালমার এলাকায়। এই কম্পনটির উৎপত্তি হয়েছিল ভূ-পৃষ্ঠের ৯৯ কিলোমিটার গভীরে।
সংস্থাটি সতর্ক করে বলেছে যে, আরও আফটারশক হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। মূল ভূমিকম্পের কারণে সৃষ্ট ফাটল বা ভূত্বকের পরিবর্তিত অংশে সঞ্চিত শক্তি সম্পূর্ণরূপে নির্গত হয়ে পরিস্থিতি স্থিতিশীল হতে কয়েক দিন, কয়েক সপ্তাহ, এমনকি কয়েক মাস পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। এই পুরো সময় জুড়েই আফটারশক অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা বিদ্যমান।
এর ফলস্বরূপ, কর্তৃপক্ষকে ইতোমধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলগুলিতে উদ্ধার ও ত্রাণ তৎপরতার পাশাপাশি নতুন করে কম্পনের ঝুঁকিও মোকাবিলা করতে হচ্ছে।