বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের ভাইস চেয়ারম্যান সালমান এফ রহমান কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ থেকে পদত্যাগের অভিপ্রায় ব্যক্ত করেছেন। কোম্পানিটি বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনকে (বিএসইসি) গত ৩ সেপ্টেম্বর এক চিঠিতে এই সিদ্ধান্তের কথা জানায়, যেখানে প্রতিকূল পরিস্থিতি এবং ব্যবসায়িক জটিলতাকে কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান, ২০২৪ সালের আগস্টে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকে কারাগারে রয়েছেন।
বিএসইসিকে দেওয়া চিঠিতে বেক্সিমকো আরও জানিয়েছে যে, একই কারণে সালমান এফ রহমান বাংলাদেশ এক্সপোর্ট ইমপোর্ট কোম্পানি, শাইনপুকুর সিরামিকস এবং বেক্সিমকো সিকিউরিটিজ লিমিটেডের পর্ষদ থেকেও পদত্যাগের পরিকল্পনা করছেন।
বেক্সিমকো ফার্মার তথ্য অনুযায়ী, তার এই পদত্যাগের ফলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর পরিচালনা পর্ষদ পুনর্গঠন প্রক্রিয়া সহজতর হবে। চিঠিতে কোম্পানিটি উল্লেখ করেছে যে, সালমান এফ রহমান পদত্যাগ করার পরিকল্পনা করেছেন যাতে কোম্পানি তার শেয়ারহোল্ডার এবং কর্মীদের সর্বোত্তম স্বার্থে 'কোনো প্রকার বাধা ও হস্তক্ষেপ ব্যতীত' কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারে।
সালমান এফ রহমান ১৯৭৬ সালে বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস সহ-প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি দীর্ঘকাল ধরে কোম্পানিটির পর্ষদে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং বর্তমানে এর ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে অধিষ্ঠিত।
তার পদত্যাগের পর কোম্পানিটি তাদের পরিচালনা পর্ষদ পুনর্গঠনের একটি প্রস্তাব দিয়েছে। এতে বিদেশি শেয়ারহোল্ডারদের মনোনীত চারজন পরিচালক, স্থানীয় আর্থিক প্রতিষ্ঠান আইএফআইসি ব্যাংক থেকে একজন পরিচালক, স্পন্সরদের প্রতিনিধিত্বকারী তিনজন পরিচালক, করপোরেট গভর্ন্যান্স কোড অনুযায়ী দুজন স্বতন্ত্র পরিচালক এবং একজন নতুন নিযুক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক অন্তর্ভুক্ত থাকবেন। কোম্পানি জানিয়েছে যে, প্রস্তাবিত এই নিয়োগসমূহ প্রযোজ্য নিয়ন্ত্রক ও অন্যান্য নীতিমালার ওপর নির্ভরশীল।
লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জের অল্টারনেটিভ ইনভেস্টমেন্ট মার্কেটে (এইআইএম) তালিকাভুক্ত বেক্সিমকো ফার্মা আরও জানিয়েছে, পরিচালক নিয়োগ সংক্রান্ত এইআইএমের নিয়মাবলী তাদের কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে। প্রতিষ্ঠানটি আরও উল্লেখ করেছে যে, যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া সাধারণত ৪-৬ সপ্তাহ সময় নেয় এবং পর্ষদ পুনর্গঠন সম্পন্ন হতে ৬-৮ সপ্তাহ সময় লাগতে পারে।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর অর্থ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে বিএসইসি বেক্সিমকো ফার্মায় ৯ জন স্বতন্ত্র পরিচালক নিয়োগ দিয়েছিল। ওই নিয়োগকে চ্যালেঞ্জ করে কোম্পানিটি আদালতে যায়। এরপর থেকে কোম্পানিটির হিসাব অনুমোদন বা আর্থিক ফলাফল প্রকাশের জন্য পর্ষদের কোনো সভা অনুষ্ঠিত হয়নি। ফলে গত বছরের জুনে লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জ থেকে কোম্পানিটির তালিকাচ্যুত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছিল। পরবর্তীতে বিএসইসি কোম্পানিটিকে পর্ষদ সভা করার এবং বকেয়া হিসাব অনুমোদনের অনুমতি দেওয়ার পর সমস্যার সমাধান হয়।
বিএসইসির মুখপাত্র মো. আবুল কালাম গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন যে, তারা চিঠিটি পেয়েছেন। তিনি বলেন, সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে কোম্পানিটি তাদের স্মারক, বিধি ও কোম্পানি আইন অনুযায়ী পর্ষদ পুনর্গঠন করতে পারে। তিনি আরও যোগ করেন, নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে তারা পরীক্ষা করে দেখবেন কোম্পানিটি করপোরেট গভর্ন্যান্স কোড মেনে চলছে কি না, যার মধ্যে অন্তত এক-পঞ্চমাংশ স্বতন্ত্র পরিচালক থাকার বাধ্যবাধকতা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
আজ ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের শেয়ার দর ১.৪২ শতাংশ বেড়ে ১৪৯ টাকা ৭০ পয়সায় পৌঁছেছে।
উল্লেখ্য, পূর্বে বিভ্রান্তিকর নামে বন্ড এনে বিনিয়োগকারীদের বিভ্রান্ত করার দায়ে বিএসইসি ইতোমধ্যে সালমান এফ রহমানকে শেয়ারবাজার থেকে স্থায়ীভাবে নিষিদ্ধ করেছে।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান, ২০২৪ সালের আগস্টে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকে কারাগারে রয়েছেন।
বিএসইসিকে দেওয়া চিঠিতে বেক্সিমকো আরও জানিয়েছে যে, একই কারণে সালমান এফ রহমান বাংলাদেশ এক্সপোর্ট ইমপোর্ট কোম্পানি, শাইনপুকুর সিরামিকস এবং বেক্সিমকো সিকিউরিটিজ লিমিটেডের পর্ষদ থেকেও পদত্যাগের পরিকল্পনা করছেন।
বেক্সিমকো ফার্মার তথ্য অনুযায়ী, তার এই পদত্যাগের ফলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর পরিচালনা পর্ষদ পুনর্গঠন প্রক্রিয়া সহজতর হবে। চিঠিতে কোম্পানিটি উল্লেখ করেছে যে, সালমান এফ রহমান পদত্যাগ করার পরিকল্পনা করেছেন যাতে কোম্পানি তার শেয়ারহোল্ডার এবং কর্মীদের সর্বোত্তম স্বার্থে 'কোনো প্রকার বাধা ও হস্তক্ষেপ ব্যতীত' কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারে।
সালমান এফ রহমান ১৯৭৬ সালে বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস সহ-প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি দীর্ঘকাল ধরে কোম্পানিটির পর্ষদে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং বর্তমানে এর ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে অধিষ্ঠিত।
তার পদত্যাগের পর কোম্পানিটি তাদের পরিচালনা পর্ষদ পুনর্গঠনের একটি প্রস্তাব দিয়েছে। এতে বিদেশি শেয়ারহোল্ডারদের মনোনীত চারজন পরিচালক, স্থানীয় আর্থিক প্রতিষ্ঠান আইএফআইসি ব্যাংক থেকে একজন পরিচালক, স্পন্সরদের প্রতিনিধিত্বকারী তিনজন পরিচালক, করপোরেট গভর্ন্যান্স কোড অনুযায়ী দুজন স্বতন্ত্র পরিচালক এবং একজন নতুন নিযুক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক অন্তর্ভুক্ত থাকবেন। কোম্পানি জানিয়েছে যে, প্রস্তাবিত এই নিয়োগসমূহ প্রযোজ্য নিয়ন্ত্রক ও অন্যান্য নীতিমালার ওপর নির্ভরশীল।
লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জের অল্টারনেটিভ ইনভেস্টমেন্ট মার্কেটে (এইআইএম) তালিকাভুক্ত বেক্সিমকো ফার্মা আরও জানিয়েছে, পরিচালক নিয়োগ সংক্রান্ত এইআইএমের নিয়মাবলী তাদের কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে। প্রতিষ্ঠানটি আরও উল্লেখ করেছে যে, যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া সাধারণত ৪-৬ সপ্তাহ সময় নেয় এবং পর্ষদ পুনর্গঠন সম্পন্ন হতে ৬-৮ সপ্তাহ সময় লাগতে পারে।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর অর্থ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে বিএসইসি বেক্সিমকো ফার্মায় ৯ জন স্বতন্ত্র পরিচালক নিয়োগ দিয়েছিল। ওই নিয়োগকে চ্যালেঞ্জ করে কোম্পানিটি আদালতে যায়। এরপর থেকে কোম্পানিটির হিসাব অনুমোদন বা আর্থিক ফলাফল প্রকাশের জন্য পর্ষদের কোনো সভা অনুষ্ঠিত হয়নি। ফলে গত বছরের জুনে লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জ থেকে কোম্পানিটির তালিকাচ্যুত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছিল। পরবর্তীতে বিএসইসি কোম্পানিটিকে পর্ষদ সভা করার এবং বকেয়া হিসাব অনুমোদনের অনুমতি দেওয়ার পর সমস্যার সমাধান হয়।
বিএসইসির মুখপাত্র মো. আবুল কালাম গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন যে, তারা চিঠিটি পেয়েছেন। তিনি বলেন, সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে কোম্পানিটি তাদের স্মারক, বিধি ও কোম্পানি আইন অনুযায়ী পর্ষদ পুনর্গঠন করতে পারে। তিনি আরও যোগ করেন, নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে তারা পরীক্ষা করে দেখবেন কোম্পানিটি করপোরেট গভর্ন্যান্স কোড মেনে চলছে কি না, যার মধ্যে অন্তত এক-পঞ্চমাংশ স্বতন্ত্র পরিচালক থাকার বাধ্যবাধকতা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
আজ ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের শেয়ার দর ১.৪২ শতাংশ বেড়ে ১৪৯ টাকা ৭০ পয়সায় পৌঁছেছে।
উল্লেখ্য, পূর্বে বিভ্রান্তিকর নামে বন্ড এনে বিনিয়োগকারীদের বিভ্রান্ত করার দায়ে বিএসইসি ইতোমধ্যে সালমান এফ রহমানকে শেয়ারবাজার থেকে স্থায়ীভাবে নিষিদ্ধ করেছে।
