নব্বইয়ের দশকের বলিউড পর্দায় অক্ষয় কুমার ও শিল্পা শেঠির জুটি ছিল দর্শকপ্রিয়তার শীর্ষে। কেবল রূপালি পর্দায় নয়, বাস্তব জীবনেও তাঁদের প্রেম ছিল সে সময় বলিউডের অন্যতম প্রধান আলোচনার বিষয়। সম্প্রতি নির্মাতা সুনীল দর্শন নিশ্চিত করেছেন যে তাঁদের সম্পর্ক একসময় প্রায় বিয়ের পিঁড়ি পর্যন্ত গড়িয়েছিল।
১৯৯৯ সালে অক্ষয় কুমার ও শিল্পা শেঠিকে নিয়ে দর্শকনন্দিত চলচ্চিত্র ‘জানওয়ার’ নির্মাণ করেছিলেন সুনীল দর্শন। এক সাম্প্রতিক সাক্ষাৎকারে তিনি সেই সময়ের স্মৃতিচারণ করে জানান, অক্ষয় ও শিল্পার সম্পর্ক তখন বেশ গভীর ছিল। তাঁর পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, তাঁদের বিবাহ প্রায় নিশ্চিত ছিল, কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে কিছু ভুল বোঝাবুঝির জেরে সম্পর্কটি ছিন্ন হয়।
পরিচালক সুনীলের ভাষ্যমতে, “অক্ষয় কুমার ও শিল্পা শেঠির সম্পর্ক তখন অত্যন্ত সুদৃঢ় ছিল। আমার দৃঢ় বিশ্বাস ছিল যে তাঁরা খুব শীঘ্রই বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হবেন। তবে, কিছু ভুল বোঝাবুঝির কারণে তাঁদের বিচ্ছেদ ঘটে।”
নব্বইয়ের দশকের শেষভাগে অক্ষয় ও শিল্পার প্রেম বলিউডের অন্যতম প্রধান আলোচনার কেন্দ্রে ছিল। একাধিক চলচ্চিত্রে একসঙ্গে কাজের সুবাদে তাঁদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা বৃদ্ধি পায়। ‘ম্যায় খিলাড়ি তু আনাড়ি’, ‘ইনসাফ’ এবং ‘জানওয়ার’-এর মতো ছবিতে তাঁদের পর্দা-জুটি দর্শকের মন জয় করলেও, তাঁদের বাস্তব জীবনের সম্পর্কের পরিসমাপ্তি সুখকর ছিল না।
**‘জানওয়ার’: অক্ষয়ের ক্যারিয়ারের মোড় ঘোরানো অধ্যায়**
শিল্পার সঙ্গে অক্ষয়ের ব্যক্তিগত সম্পর্কের পাশাপাশি সুনীল দর্শন অভিনেতার পেশাগত জীবনের এক কঠিন অধ্যায়ের কথাও উল্লেখ করেন। নব্বইয়ের দশকের শেষদিকে অক্ষয় কুমারের একের পর এক ছবি বক্স অফিসে মুখ থুবড়ে পড়ছিল। ১৯৯৬ সালের ‘সপূত’, ১৯৯৭ সালের ‘লহু কে দো রং’, ‘ইনসাফ: দ্য ফাইনাল জাস্টিস’, ‘দাভা’ এবং ‘তারাজু’র মতো বেশ কয়েকটি চলচ্চিত্র দর্শক প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হয়েছিল।
এমন এক সংকটপূর্ণ সময়ে ১৯৯৯ সালের ‘জানওয়ার’ চলচ্চিত্রটি অক্ষয়ের ক্যারিয়ারে এক যুগান্তকারী পরিবর্তন নিয়ে আসে। সুনীলের মতে, এটি ছিল অক্ষয়ের জন্য এক অপরিহার্য সাফল্য, যা তাঁর তারকাখ্যাতির পথ প্রশস্ত করে। নির্মাতার কথায়, “‘জানওয়ার’ মুক্তির পর ব্যাপক সাফল্য অর্জন করে, যা অক্ষয় কুমারের তারকা জীবনে প্রথম বৃহৎ উত্থান।”
‘জানওয়ার’-এর অভাবনীয় সাফল্যের পর অক্ষয়ের পূর্বে আটকে থাকা বেশ কয়েকটি চলচ্চিত্র মুক্তির সুযোগ পায়, যার মধ্যে পরবর্তীতে জনপ্রিয় হওয়া ‘হেরা ফেরি’ ও ‘ধড়কন’ উল্লেখযোগ্য। এই ধারাবাহিক সাফল্যের হাত ধরে অক্ষয়ের ক্যারিয়ার আরও সুদৃঢ় হয়।
পরিচালক সুনীল দর্শনের সঙ্গে অক্ষয়ের একটি দীর্ঘ এবং ফলপ্রসূ পেশাগত সম্পর্ক ছিল। নির্মাতা জানিয়েছেন যে তিনি অক্ষয়ের সঙ্গে মোট সাতটি চলচ্চিত্রে কাজ করেছেন। তাঁর পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, ‘জানওয়ার’-এর পর বিগত প্রায় পঁচিশ বছর ধরে অক্ষয়ের ক্যারিয়ার অবিচলভাবে উন্নতির পথে চলেছে।
**একটি কৌতূহলোদ্দীপক ভুল বোঝাবুঝি**
অক্ষয়ের সঙ্গে কাজ করতে গিয়ে সুনীল দর্শন নিজেও একবার এক মজাদার ভুল বোঝাবুঝির শিকার হয়েছিলেন। ‘জানওয়ার’-এর সাফল্যের পর বাজারে এমন গুঞ্জন ছড়ায় যে সুনীল তাঁর পরবর্তী চলচ্চিত্রে হৃতিক রোশনকে নিচ্ছেন। এই খবর অক্ষয়ের কানে পৌঁছালে তিনি সরাসরি পরিচালকের সঙ্গে কথা বলতে যান।
সুনীল জানান, অক্ষয় তাঁকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন যে তাঁর পক্ষ থেকে কোনো ভুল হয়েছে কিনা। প্রকৃত ঘটনা ছিল, পরিচালক হৃতিকের বাড়িতে গেলেও তাঁকে কোনো চলচ্চিত্রের জন্য চুক্তিবদ্ধ করেননি। এটি কেবলই একটি ভুল যোগাযোগের ফল ছিল। এরপর অক্ষয় পরিহাসচ্ছলে সুনীলের কাছ থেকে তাঁর সঙ্গে ১০০টি চলচ্চিত্রে কাজ করার প্রতিশ্রুতি আদায় করে নেন, এবং সুনীলও সেই প্রস্তাবে সায় দেন।
**অক্ষয় কুমারের বর্তমান পেশাগত ব্যস্ততা: ‘হাইওয়ান’**
বর্তমানে পেশাগত জীবনে অক্ষয় কুমার তাঁর নতুন চলচ্চিত্র ‘হাইওয়ান’ নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন। প্রিয়দর্শন পরিচালিত এই সিনেমায় তাঁর সহ-অভিনেতা হিসেবে রয়েছেন সাইফ আলী খান। ২০০৮ সালের ‘তাশান’-এর পর প্রায় সতেরো বছর পর এই দুই তারকাকে আবারও একই পর্দায় দেখা যাবে।
‘হাইওয়ান’ চলচ্চিত্রে বোমান ইরানি, শরিব হাশমি, সাইয়ামি খের এবং শ্রিয়া পিলগাঁওকরের মতো অন্যান্য প্রতিভাবান অভিনেতারাও অভিনয় করেছেন।
১৯৯৯ সালে অক্ষয় কুমার ও শিল্পা শেঠিকে নিয়ে দর্শকনন্দিত চলচ্চিত্র ‘জানওয়ার’ নির্মাণ করেছিলেন সুনীল দর্শন। এক সাম্প্রতিক সাক্ষাৎকারে তিনি সেই সময়ের স্মৃতিচারণ করে জানান, অক্ষয় ও শিল্পার সম্পর্ক তখন বেশ গভীর ছিল। তাঁর পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, তাঁদের বিবাহ প্রায় নিশ্চিত ছিল, কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে কিছু ভুল বোঝাবুঝির জেরে সম্পর্কটি ছিন্ন হয়।
পরিচালক সুনীলের ভাষ্যমতে, “অক্ষয় কুমার ও শিল্পা শেঠির সম্পর্ক তখন অত্যন্ত সুদৃঢ় ছিল। আমার দৃঢ় বিশ্বাস ছিল যে তাঁরা খুব শীঘ্রই বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হবেন। তবে, কিছু ভুল বোঝাবুঝির কারণে তাঁদের বিচ্ছেদ ঘটে।”
নব্বইয়ের দশকের শেষভাগে অক্ষয় ও শিল্পার প্রেম বলিউডের অন্যতম প্রধান আলোচনার কেন্দ্রে ছিল। একাধিক চলচ্চিত্রে একসঙ্গে কাজের সুবাদে তাঁদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা বৃদ্ধি পায়। ‘ম্যায় খিলাড়ি তু আনাড়ি’, ‘ইনসাফ’ এবং ‘জানওয়ার’-এর মতো ছবিতে তাঁদের পর্দা-জুটি দর্শকের মন জয় করলেও, তাঁদের বাস্তব জীবনের সম্পর্কের পরিসমাপ্তি সুখকর ছিল না।
**‘জানওয়ার’: অক্ষয়ের ক্যারিয়ারের মোড় ঘোরানো অধ্যায়**
শিল্পার সঙ্গে অক্ষয়ের ব্যক্তিগত সম্পর্কের পাশাপাশি সুনীল দর্শন অভিনেতার পেশাগত জীবনের এক কঠিন অধ্যায়ের কথাও উল্লেখ করেন। নব্বইয়ের দশকের শেষদিকে অক্ষয় কুমারের একের পর এক ছবি বক্স অফিসে মুখ থুবড়ে পড়ছিল। ১৯৯৬ সালের ‘সপূত’, ১৯৯৭ সালের ‘লহু কে দো রং’, ‘ইনসাফ: দ্য ফাইনাল জাস্টিস’, ‘দাভা’ এবং ‘তারাজু’র মতো বেশ কয়েকটি চলচ্চিত্র দর্শক প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হয়েছিল।
এমন এক সংকটপূর্ণ সময়ে ১৯৯৯ সালের ‘জানওয়ার’ চলচ্চিত্রটি অক্ষয়ের ক্যারিয়ারে এক যুগান্তকারী পরিবর্তন নিয়ে আসে। সুনীলের মতে, এটি ছিল অক্ষয়ের জন্য এক অপরিহার্য সাফল্য, যা তাঁর তারকাখ্যাতির পথ প্রশস্ত করে। নির্মাতার কথায়, “‘জানওয়ার’ মুক্তির পর ব্যাপক সাফল্য অর্জন করে, যা অক্ষয় কুমারের তারকা জীবনে প্রথম বৃহৎ উত্থান।”
‘জানওয়ার’-এর অভাবনীয় সাফল্যের পর অক্ষয়ের পূর্বে আটকে থাকা বেশ কয়েকটি চলচ্চিত্র মুক্তির সুযোগ পায়, যার মধ্যে পরবর্তীতে জনপ্রিয় হওয়া ‘হেরা ফেরি’ ও ‘ধড়কন’ উল্লেখযোগ্য। এই ধারাবাহিক সাফল্যের হাত ধরে অক্ষয়ের ক্যারিয়ার আরও সুদৃঢ় হয়।
পরিচালক সুনীল দর্শনের সঙ্গে অক্ষয়ের একটি দীর্ঘ এবং ফলপ্রসূ পেশাগত সম্পর্ক ছিল। নির্মাতা জানিয়েছেন যে তিনি অক্ষয়ের সঙ্গে মোট সাতটি চলচ্চিত্রে কাজ করেছেন। তাঁর পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, ‘জানওয়ার’-এর পর বিগত প্রায় পঁচিশ বছর ধরে অক্ষয়ের ক্যারিয়ার অবিচলভাবে উন্নতির পথে চলেছে।
**একটি কৌতূহলোদ্দীপক ভুল বোঝাবুঝি**
অক্ষয়ের সঙ্গে কাজ করতে গিয়ে সুনীল দর্শন নিজেও একবার এক মজাদার ভুল বোঝাবুঝির শিকার হয়েছিলেন। ‘জানওয়ার’-এর সাফল্যের পর বাজারে এমন গুঞ্জন ছড়ায় যে সুনীল তাঁর পরবর্তী চলচ্চিত্রে হৃতিক রোশনকে নিচ্ছেন। এই খবর অক্ষয়ের কানে পৌঁছালে তিনি সরাসরি পরিচালকের সঙ্গে কথা বলতে যান।
সুনীল জানান, অক্ষয় তাঁকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন যে তাঁর পক্ষ থেকে কোনো ভুল হয়েছে কিনা। প্রকৃত ঘটনা ছিল, পরিচালক হৃতিকের বাড়িতে গেলেও তাঁকে কোনো চলচ্চিত্রের জন্য চুক্তিবদ্ধ করেননি। এটি কেবলই একটি ভুল যোগাযোগের ফল ছিল। এরপর অক্ষয় পরিহাসচ্ছলে সুনীলের কাছ থেকে তাঁর সঙ্গে ১০০টি চলচ্চিত্রে কাজ করার প্রতিশ্রুতি আদায় করে নেন, এবং সুনীলও সেই প্রস্তাবে সায় দেন।
**অক্ষয় কুমারের বর্তমান পেশাগত ব্যস্ততা: ‘হাইওয়ান’**
বর্তমানে পেশাগত জীবনে অক্ষয় কুমার তাঁর নতুন চলচ্চিত্র ‘হাইওয়ান’ নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন। প্রিয়দর্শন পরিচালিত এই সিনেমায় তাঁর সহ-অভিনেতা হিসেবে রয়েছেন সাইফ আলী খান। ২০০৮ সালের ‘তাশান’-এর পর প্রায় সতেরো বছর পর এই দুই তারকাকে আবারও একই পর্দায় দেখা যাবে।
‘হাইওয়ান’ চলচ্চিত্রে বোমান ইরানি, শরিব হাশমি, সাইয়ামি খের এবং শ্রিয়া পিলগাঁওকরের মতো অন্যান্য প্রতিভাবান অভিনেতারাও অভিনয় করেছেন।