পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির তাঁর ব্রিটিশ নাগরিকত্ব ত্যাগের বিষয়টি নিয়ে উত্থাপিত প্রশ্নের সরাসরি জবাব দেননি। বরং তিনি পাল্টা প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছেন: কে এই সংবাদ পরিবেশন করেছে এবং কার এতে এত গাত্রদাহ?
আজ সোমবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির এই মন্তব্য করেন। একজন সাংবাদিক তাঁর ব্রিটিশ নাগরিকত্ব নিয়ে চলমান বিতর্ক এবং তা ত্যাগের বিষয়ে তাঁর বক্তব্য জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমি বাংলাদেশি। এখানে তো বাংলাদেশের... বাংলাদেশি। আমি মনে করি না এমন কেউ আছে যে আমার বাংলাদেশি নাগরিকত্ব বা আমার অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন করবে। মানে এখানে এসে বাংলাদেশের জন্য কাজ করা মানে তো কোনো সুবিধাবাদী লোক তো আর করবে না।’
সম্প্রতি বিএনপি সরকারের ছয় মাস পূর্ণ হওয়ার পর গত শুক্রবার নতুন পাঁচজন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন। তাঁদের মধ্যে হুমায়ুন কবির টেকনোক্র্যাট কোটায় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। এর আগে তিনি প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
শৈশবকাল থেকেই যুক্তরাজ্যে বেড়ে ওঠা হুমায়ুন কবির সেখানকার লেবার পার্টির রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। যুক্তরাজ্য বিএনপির একাধিক নেতা নিশ্চিত করেছেন যে তিনি ব্রিটিশ নাগরিক। তবে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পূর্বে তিনি ব্রিটিশ নাগরিকত্ব ত্যাগ (রিনাউন্স) করেছেন কি না, সে বিষয়ে তাঁরা নিশ্চিত নন। বাংলাদেশ সরকারের সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোও জানিয়েছে যে, হুমায়ুন কবির নাগরিকত্ব ত্যাগের জন্য আবেদন করেছেন এমন কোনো তথ্য তাদের কাছে নেই।
সংবিধান অনুযায়ী, নির্বাচিত সংসদ সদস্য নন এমন ‘অনধিক এক-দশমাংশ’ (সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ) ব্যক্তিকে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেওয়া যেতে পারে। তবে এই ধরনের ব্যক্তিকে ‘সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার যোগ্য’ হতে হবে। সংসদ সদস্য হওয়ার যোগ্যতার বিষয়ে সংবিধানের ৬৬ ধারার ২(গ) অনুচ্ছেদে স্পষ্ট উল্লেখ আছে যে, ‘কোনো ব্যক্তি সংসদের সদস্য নির্বাচিত হইবার এবং সংসদ সদস্য থাকিবার যোগ্য হইবেন না, যদি তিনি কোনো বিদেশি রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব অর্জন করেন কিংবা কোনো বিদেশি রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য ঘোষণা বা স্বীকার করেন।’
হুমায়ুন কবির প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণের পরপরই তাঁর ব্রিটিশ নাগরিকত্ব ত্যাগের বিষয়টি জনসমক্ষে আসে। এই প্রসঙ্গ টেনে সাংবাদিকরা উল্লেখ করেন যে, প্রতিমন্ত্রীর বাংলাদেশি নাগরিকত্ব বা দেশের প্রতি তাঁর অঙ্গীকার নিয়ে কোনো সন্দেহ না থাকলেও, গতকাল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারী (নেটিজেনরা) এই বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা ও বিতর্ক সৃষ্টি করেছেন।
এর জবাবে প্রতিমন্ত্রী পাল্টা প্রশ্ন করেন, ‘কোনটা? নেটিজেনরা? কোথায়?’
তখন একজন সাংবাদিক বলেন, ‘না, একটি সংবাদও প্রকাশিত হয়েছে...’
অন্য একজন সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, ‘যদি কারো দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকে, তাহলে মন্ত্রিত্ব গ্রহণ করার ক্ষেত্রে কোনো সাংবিধানিক বাধা আছে কি না...’
এরপর প্রতিমন্ত্রী প্রশ্ন করেন, ‘কে এই সংবাদ প্রচার করছে?’
তখন একজন সাংবাদিক জানান, ‘গতকাল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এটি ব্যাপকভাবে প্রচারিত (ভাইরাল) হয়েছে...’
এর উত্তরে প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেন, ‘আমি তো একজন নাগরিক (সিটিজেন) হিসেবে আছি, আপনি বলছেন নেটিজেন! মানে কোন নেটিজেন? আমি তো নাগরিক হিসেবে আছি, কাজ করি। আপনি বলছেন নেটিজেন! তাহলে কোন সংবাদপত্র? কার এত গাত্রদাহ যে আমাকে কাজ করতে দেবে না, হ্যাঁ? তো তার এই গাত্রদাহ কেন হচ্ছে? তার কি ২০০৮ সালের গাত্রদাহ আবার জেগে উঠছে? মইনউদ্দিন-ফখরুদ্দীনের সময়কার গাত্রদাহ আবার জেগে উঠছে নাকি?’
প্রতিমন্ত্রী আরও যোগ করেন, ‘দেশের পক্ষে জোরালো অবস্থান গ্রহণকারী সকল দেশপ্রেমিক মানুষ, দেশের পক্ষে যারা অবস্থান নেয়, এই সমস্ত... যারা গণমাধ্যম আছে, যারা দেশবাসী আছে, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ আছে, এখন আমরা সবাই মিলে ইনশা আল্লাহ এই দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাব।’
সম্প্রতি সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে স্বাক্ষরিত মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে বাংলাদেশের অংশগ্রহণের আগ্রহ প্রকাশের বিষয়ে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। এ বিষয়ে কোনো অগ্রগতি আছে কি না, একজন সাংবাদিক তা জানতে চান।
এর জবাবে প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেন, ‘আমরা মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছি। যেমনটি বলেছি, বাংলাদেশ এখন একটি স্বীকৃত রাষ্ট্র (ইজ আ কান্ট্রি অব রিকগনিশন) এবং এই বিষয়ে আমাদের আগ্রহ রয়েছে। মধ্যপ্রাচ্য এবং বিশ্বব্যাপী মুসলিম বিশ্বের যারা মূল অংশীদার (কি–স্টেকহোল্ডারস) রয়েছেন, তাঁরা এখন বাংলাদেশের নেতৃত্ব, বিশেষ করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বকে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অংশগ্রহণ করার জন্য আমন্ত্রণ জানাচ্ছেন।’
মক্কাকে বাংলাদেশের এবং মানুষের হৃদয়ে একটি বিশেষ স্থান হিসেবে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ‘মক্কা বাংলাদেশের হৃদয়ে, মানুষের হৃদয়ে। মধ্যপ্রাচ্যে যদি ইসলামিক রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে একটি নিরাপত্তা চুক্তি (সিকিউরিটি প্যাক্ট) হয়, তবে সেখানে আমাদের অংশগ্রহণ অস্বাভাবিক হবে না। দেখা যাক কী হয়। আমরা বিষয়টিকে ইতিবাচকভাবে দেখছি।’
আজ সোমবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির এই মন্তব্য করেন। একজন সাংবাদিক তাঁর ব্রিটিশ নাগরিকত্ব নিয়ে চলমান বিতর্ক এবং তা ত্যাগের বিষয়ে তাঁর বক্তব্য জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমি বাংলাদেশি। এখানে তো বাংলাদেশের... বাংলাদেশি। আমি মনে করি না এমন কেউ আছে যে আমার বাংলাদেশি নাগরিকত্ব বা আমার অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন করবে। মানে এখানে এসে বাংলাদেশের জন্য কাজ করা মানে তো কোনো সুবিধাবাদী লোক তো আর করবে না।’
সম্প্রতি বিএনপি সরকারের ছয় মাস পূর্ণ হওয়ার পর গত শুক্রবার নতুন পাঁচজন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন। তাঁদের মধ্যে হুমায়ুন কবির টেকনোক্র্যাট কোটায় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। এর আগে তিনি প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
শৈশবকাল থেকেই যুক্তরাজ্যে বেড়ে ওঠা হুমায়ুন কবির সেখানকার লেবার পার্টির রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। যুক্তরাজ্য বিএনপির একাধিক নেতা নিশ্চিত করেছেন যে তিনি ব্রিটিশ নাগরিক। তবে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পূর্বে তিনি ব্রিটিশ নাগরিকত্ব ত্যাগ (রিনাউন্স) করেছেন কি না, সে বিষয়ে তাঁরা নিশ্চিত নন। বাংলাদেশ সরকারের সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোও জানিয়েছে যে, হুমায়ুন কবির নাগরিকত্ব ত্যাগের জন্য আবেদন করেছেন এমন কোনো তথ্য তাদের কাছে নেই।
সংবিধান অনুযায়ী, নির্বাচিত সংসদ সদস্য নন এমন ‘অনধিক এক-দশমাংশ’ (সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ) ব্যক্তিকে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেওয়া যেতে পারে। তবে এই ধরনের ব্যক্তিকে ‘সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার যোগ্য’ হতে হবে। সংসদ সদস্য হওয়ার যোগ্যতার বিষয়ে সংবিধানের ৬৬ ধারার ২(গ) অনুচ্ছেদে স্পষ্ট উল্লেখ আছে যে, ‘কোনো ব্যক্তি সংসদের সদস্য নির্বাচিত হইবার এবং সংসদ সদস্য থাকিবার যোগ্য হইবেন না, যদি তিনি কোনো বিদেশি রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব অর্জন করেন কিংবা কোনো বিদেশি রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য ঘোষণা বা স্বীকার করেন।’
হুমায়ুন কবির প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণের পরপরই তাঁর ব্রিটিশ নাগরিকত্ব ত্যাগের বিষয়টি জনসমক্ষে আসে। এই প্রসঙ্গ টেনে সাংবাদিকরা উল্লেখ করেন যে, প্রতিমন্ত্রীর বাংলাদেশি নাগরিকত্ব বা দেশের প্রতি তাঁর অঙ্গীকার নিয়ে কোনো সন্দেহ না থাকলেও, গতকাল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারী (নেটিজেনরা) এই বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা ও বিতর্ক সৃষ্টি করেছেন।
এর জবাবে প্রতিমন্ত্রী পাল্টা প্রশ্ন করেন, ‘কোনটা? নেটিজেনরা? কোথায়?’
তখন একজন সাংবাদিক বলেন, ‘না, একটি সংবাদও প্রকাশিত হয়েছে...’
অন্য একজন সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, ‘যদি কারো দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকে, তাহলে মন্ত্রিত্ব গ্রহণ করার ক্ষেত্রে কোনো সাংবিধানিক বাধা আছে কি না...’
এরপর প্রতিমন্ত্রী প্রশ্ন করেন, ‘কে এই সংবাদ প্রচার করছে?’
তখন একজন সাংবাদিক জানান, ‘গতকাল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এটি ব্যাপকভাবে প্রচারিত (ভাইরাল) হয়েছে...’
এর উত্তরে প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেন, ‘আমি তো একজন নাগরিক (সিটিজেন) হিসেবে আছি, আপনি বলছেন নেটিজেন! মানে কোন নেটিজেন? আমি তো নাগরিক হিসেবে আছি, কাজ করি। আপনি বলছেন নেটিজেন! তাহলে কোন সংবাদপত্র? কার এত গাত্রদাহ যে আমাকে কাজ করতে দেবে না, হ্যাঁ? তো তার এই গাত্রদাহ কেন হচ্ছে? তার কি ২০০৮ সালের গাত্রদাহ আবার জেগে উঠছে? মইনউদ্দিন-ফখরুদ্দীনের সময়কার গাত্রদাহ আবার জেগে উঠছে নাকি?’
প্রতিমন্ত্রী আরও যোগ করেন, ‘দেশের পক্ষে জোরালো অবস্থান গ্রহণকারী সকল দেশপ্রেমিক মানুষ, দেশের পক্ষে যারা অবস্থান নেয়, এই সমস্ত... যারা গণমাধ্যম আছে, যারা দেশবাসী আছে, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ আছে, এখন আমরা সবাই মিলে ইনশা আল্লাহ এই দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাব।’
সম্প্রতি সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে স্বাক্ষরিত মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে বাংলাদেশের অংশগ্রহণের আগ্রহ প্রকাশের বিষয়ে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। এ বিষয়ে কোনো অগ্রগতি আছে কি না, একজন সাংবাদিক তা জানতে চান।
এর জবাবে প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেন, ‘আমরা মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছি। যেমনটি বলেছি, বাংলাদেশ এখন একটি স্বীকৃত রাষ্ট্র (ইজ আ কান্ট্রি অব রিকগনিশন) এবং এই বিষয়ে আমাদের আগ্রহ রয়েছে। মধ্যপ্রাচ্য এবং বিশ্বব্যাপী মুসলিম বিশ্বের যারা মূল অংশীদার (কি–স্টেকহোল্ডারস) রয়েছেন, তাঁরা এখন বাংলাদেশের নেতৃত্ব, বিশেষ করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বকে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অংশগ্রহণ করার জন্য আমন্ত্রণ জানাচ্ছেন।’
মক্কাকে বাংলাদেশের এবং মানুষের হৃদয়ে একটি বিশেষ স্থান হিসেবে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ‘মক্কা বাংলাদেশের হৃদয়ে, মানুষের হৃদয়ে। মধ্যপ্রাচ্যে যদি ইসলামিক রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে একটি নিরাপত্তা চুক্তি (সিকিউরিটি প্যাক্ট) হয়, তবে সেখানে আমাদের অংশগ্রহণ অস্বাভাবিক হবে না। দেখা যাক কী হয়। আমরা বিষয়টিকে ইতিবাচকভাবে দেখছি।’