কক্সবাজারের উখিয়ায় অবস্থিত রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরের ৫ নম্বর ক্যাম্পে দেয়াল ধসে একটি মহিলা হেফজখানার (মাদ্রাসা) তিন ছাত্রীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। এই দুর্ঘটনায় ১৪ জন ছাত্রীকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা সম্ভব হলেও, আরও অনেকে চাপা পড়ে আছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। নিহত ও আহতদের বয়স ৯ থেকে ১৫ বছরের মধ্যে। তবে তাদের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করা যায়নি। আজ বুধবার বিকেলে প্রবল বর্ষণের ফলে দেয়াল ধসে পড়লে এই দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার সময় মাদ্রাসাটিতে শিশুরা পড়াশোনা করছিল। ফায়ার সার্ভিস, ক্যাম্প প্রশাসন, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) এবং রোহিঙ্গা স্বেচ্ছাসেবীরা সম্মিলিতভাবে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করছেন।
শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার (আরআরসি) ও অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ মিজানুর রহমান Desi Media Pointকে জানিয়েছেন যে, বিকেল চারটা পর্যন্ত মোট ১৭ জন শিশুকে উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে তিনজনের মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, মৃতের সংখ্যা বৃদ্ধি পেতে পারে এবং চাপা পড়া সবাই হেফজখানার ছাত্রী। পাহাড়ের খাদে নির্মিত দেয়াল মাদ্রাসার ওপর ধসে পড়ার কারণেই এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে।
রোহিঙ্গা নেতা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সকাল থেকেই আশ্রয়শিবিরে ভারী বৃষ্টিপাত হচ্ছিল। বেলা ২টার দিকে ৫ নম্বর ক্যাম্পের এ-৩ ব্লকের মোচরাবাজার এলাকায় পাহাড়ের নিচে স্থাপিত মহিলা হেফজখানার ওপর দেয়াল ধসে পড়ে। দুর্ঘটনার সময় ৪০ জনেরও বেশি রোহিঙ্গা শিশু মাদ্রাসার ভেতরে অবস্থান করছিল। হইচই ও চিৎকার শুনে স্থানীয় রোহিঙ্গারা এগিয়ে আসেন। স্থানীয় ক্যাম্প প্রশাসন, এপিবিএন ও স্বেচ্ছাসেবীদের দ্রুত পদক্ষেপে তিন শিশুর মৃতদেহ এবং ১৪ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান Desi Media Pointকে জানিয়েছেন যে, তাঁর কাছে এখন পর্যন্ত তিনজনের মৃত্যুর খবর রয়েছে, তবে তাদের পরিচয় এখনও শনাক্ত করা যায়নি।
আশ্রয়শিবিরের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা ১৪ এপিবিএন অধিনায়ক ও অ্যাডিশনাল ডিআইজি সিরাজ আমিন নিশ্চিত করেছেন যে, প্রবল বর্ষণের সময় দেয়ালের একটি অংশ ধসে হেফজখানার ওপর পড়লে তিন শিশুর প্রাণহানি ঘটে এবং আরও তিনজন গুরুতর আহত হয়েছেন। তিনি গত সোমবার রাতের ভূমিধসের ঘটনার কথাও উল্লেখ করেন, যেখানে নারী ও শিশুসহ অন্তত ৮ জন রোহিঙ্গার মৃত্যু হয়েছিল।
আশ্রয়শিবিরের রোহিঙ্গা নেতা (মাঝি) আবদুল হামিদ জানান, দেয়ালচাপায় নিহত শিশুদের বয়স ৯-১৫ বছর এবং নিহতের সংখ্যা আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার (আরআরসি) ও অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ মিজানুর রহমান Desi Media Pointকে জানিয়েছেন যে, বিকেল চারটা পর্যন্ত মোট ১৭ জন শিশুকে উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে তিনজনের মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, মৃতের সংখ্যা বৃদ্ধি পেতে পারে এবং চাপা পড়া সবাই হেফজখানার ছাত্রী। পাহাড়ের খাদে নির্মিত দেয়াল মাদ্রাসার ওপর ধসে পড়ার কারণেই এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে।
রোহিঙ্গা নেতা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সকাল থেকেই আশ্রয়শিবিরে ভারী বৃষ্টিপাত হচ্ছিল। বেলা ২টার দিকে ৫ নম্বর ক্যাম্পের এ-৩ ব্লকের মোচরাবাজার এলাকায় পাহাড়ের নিচে স্থাপিত মহিলা হেফজখানার ওপর দেয়াল ধসে পড়ে। দুর্ঘটনার সময় ৪০ জনেরও বেশি রোহিঙ্গা শিশু মাদ্রাসার ভেতরে অবস্থান করছিল। হইচই ও চিৎকার শুনে স্থানীয় রোহিঙ্গারা এগিয়ে আসেন। স্থানীয় ক্যাম্প প্রশাসন, এপিবিএন ও স্বেচ্ছাসেবীদের দ্রুত পদক্ষেপে তিন শিশুর মৃতদেহ এবং ১৪ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান Desi Media Pointকে জানিয়েছেন যে, তাঁর কাছে এখন পর্যন্ত তিনজনের মৃত্যুর খবর রয়েছে, তবে তাদের পরিচয় এখনও শনাক্ত করা যায়নি।
আশ্রয়শিবিরের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা ১৪ এপিবিএন অধিনায়ক ও অ্যাডিশনাল ডিআইজি সিরাজ আমিন নিশ্চিত করেছেন যে, প্রবল বর্ষণের সময় দেয়ালের একটি অংশ ধসে হেফজখানার ওপর পড়লে তিন শিশুর প্রাণহানি ঘটে এবং আরও তিনজন গুরুতর আহত হয়েছেন। তিনি গত সোমবার রাতের ভূমিধসের ঘটনার কথাও উল্লেখ করেন, যেখানে নারী ও শিশুসহ অন্তত ৮ জন রোহিঙ্গার মৃত্যু হয়েছিল।
আশ্রয়শিবিরের রোহিঙ্গা নেতা (মাঝি) আবদুল হামিদ জানান, দেয়ালচাপায় নিহত শিশুদের বয়স ৯-১৫ বছর এবং নিহতের সংখ্যা আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।