বলিউড সুপারস্টার শাহরুখ খানের ঐতিহ্যবাহী আবাস 'মান্নাত'-এর সংস্কার ও সম্প্রসারণ প্রকল্প ঘিরে পরিবেশকর্মী ও বিভিন্ন সংগঠনের আপত্তি দীর্ঘদিনের। এই বিষয়ে একাধিকবার আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন অনেকে। তবে, এবার কিং খানের ভক্তদের জন্য এসেছে স্বস্তির খবর। বাড়িটির সংস্কার ও দুটি অতিরিক্ত তলা নির্মাণের পথে থাকা একটি গুরুত্বপূর্ণ আইনি বাধা অপসারিত হয়েছে। ভারতের সুপ্রিম কোর্ট মান্নাতে দুটি অতিরিক্ত তলা নির্মাণের অনুমোদনের বিরুদ্ধে দায়ের করা একটি আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন।
প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চ ২০২৫ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর দেওয়া ন্যাশনাল গ্রিন ট্রাইব্যুনালের (এনজিটি) রায়ে হস্তক্ষেপ করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। আদালতের শুনানিতে বলা হয়েছে, "এটি তাঁদের নিজস্ব সম্পত্তি। সেখানে অতিরিক্ত তলা নির্মাণ করা হলে তা তাঁদের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। এক্ষেত্রে আইনের কোনো বড় ধরনের লঙ্ঘন ঘটেনি। প্রতিবেশী বা অন্য কারও এতে হস্তক্ষেপের কোনো কারণ নেই।"
আবেদনকারী পরিবেশকর্মী সন্তোষ দৌণ্ডকরের পক্ষে আইনজীবী শোয়েব আলম আদালতে যুক্তি দেন যে, শাহরুখ খান একজন তারকা হওয়ায় বিষয়টি ভিন্নভাবে বিচার করা উচিত নয়। তাঁর মূল অভিযোগ ছিল, মহারাষ্ট্র কোস্টাল জোন ম্যানেজমেন্ট অথরিটি উপকূলীয় নিয়ন্ত্রণ অঞ্চল (সিআরজেড) সংক্রান্ত অনুমোদন দেওয়ার ক্ষেত্রে ত্রুটি করেছে।
তবে, ন্যাশনাল গ্রিন ট্রাইব্যুনাল (এনজিটি) পূর্ববর্তী রায়ে স্পষ্ট জানিয়েছিল যে, অনুমোদন প্রক্রিয়ায় কোনো পদ্ধতিগত ত্রুটি বা আইনি অসংগতি মেলেনি। ফলস্বরূপ, আবেদনটি খারিজ করা হয়েছিল। যেহেতু 'মান্নাত' একটি গ্রেড-৩ ঐতিহ্যবাহী স্থাপনা, তাই এতে যেকোনো ধরনের পরিবর্তনের জন্য বিশেষ অনুমোদনের প্রয়োজন হয়, আর এই কারণেই সংস্কার প্রকল্পটি শুরু থেকেই জনমহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল।
উল্লেখ্য, ২০১৯ সালে যখন সম্পত্তির মালিকানা স্থায়ী করা হচ্ছিল, তখন অতিরিক্ত অর্থ পরিশোধের কারণে মহারাষ্ট্র সরকার শাহরুখ খান ও তাঁর স্ত্রী গৌরী খানকে প্রায় ৯ কোটি রুপি ফেরত দেয়। হিসাবের ত্রুটি চিহ্নিত হওয়ার পর তাঁদের আবেদন অনুযায়ী এই অর্থ ফেরত দেওয়া হয়। প্রায় ২,৪৬৬ বর্গমিটার জায়গা জুড়ে বিস্তৃত 'মান্নাত' শাহরুখ ও গৌরী খানের নামে নিবন্ধিত। এই আইকনিক ভবনটি এখন শুধু একজন তারকার বাসস্থানই নয়, মুম্বাইয়ের অন্যতম প্রধান পর্যটন আকর্ষণ কেন্দ্র হিসেবেও বিবেচিত।
প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চ ২০২৫ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর দেওয়া ন্যাশনাল গ্রিন ট্রাইব্যুনালের (এনজিটি) রায়ে হস্তক্ষেপ করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। আদালতের শুনানিতে বলা হয়েছে, "এটি তাঁদের নিজস্ব সম্পত্তি। সেখানে অতিরিক্ত তলা নির্মাণ করা হলে তা তাঁদের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। এক্ষেত্রে আইনের কোনো বড় ধরনের লঙ্ঘন ঘটেনি। প্রতিবেশী বা অন্য কারও এতে হস্তক্ষেপের কোনো কারণ নেই।"
আবেদনকারী পরিবেশকর্মী সন্তোষ দৌণ্ডকরের পক্ষে আইনজীবী শোয়েব আলম আদালতে যুক্তি দেন যে, শাহরুখ খান একজন তারকা হওয়ায় বিষয়টি ভিন্নভাবে বিচার করা উচিত নয়। তাঁর মূল অভিযোগ ছিল, মহারাষ্ট্র কোস্টাল জোন ম্যানেজমেন্ট অথরিটি উপকূলীয় নিয়ন্ত্রণ অঞ্চল (সিআরজেড) সংক্রান্ত অনুমোদন দেওয়ার ক্ষেত্রে ত্রুটি করেছে।
তবে, ন্যাশনাল গ্রিন ট্রাইব্যুনাল (এনজিটি) পূর্ববর্তী রায়ে স্পষ্ট জানিয়েছিল যে, অনুমোদন প্রক্রিয়ায় কোনো পদ্ধতিগত ত্রুটি বা আইনি অসংগতি মেলেনি। ফলস্বরূপ, আবেদনটি খারিজ করা হয়েছিল। যেহেতু 'মান্নাত' একটি গ্রেড-৩ ঐতিহ্যবাহী স্থাপনা, তাই এতে যেকোনো ধরনের পরিবর্তনের জন্য বিশেষ অনুমোদনের প্রয়োজন হয়, আর এই কারণেই সংস্কার প্রকল্পটি শুরু থেকেই জনমহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল।
উল্লেখ্য, ২০১৯ সালে যখন সম্পত্তির মালিকানা স্থায়ী করা হচ্ছিল, তখন অতিরিক্ত অর্থ পরিশোধের কারণে মহারাষ্ট্র সরকার শাহরুখ খান ও তাঁর স্ত্রী গৌরী খানকে প্রায় ৯ কোটি রুপি ফেরত দেয়। হিসাবের ত্রুটি চিহ্নিত হওয়ার পর তাঁদের আবেদন অনুযায়ী এই অর্থ ফেরত দেওয়া হয়। প্রায় ২,৪৬৬ বর্গমিটার জায়গা জুড়ে বিস্তৃত 'মান্নাত' শাহরুখ ও গৌরী খানের নামে নিবন্ধিত। এই আইকনিক ভবনটি এখন শুধু একজন তারকার বাসস্থানই নয়, মুম্বাইয়ের অন্যতম প্রধান পর্যটন আকর্ষণ কেন্দ্র হিসেবেও বিবেচিত।