গত শনিবার রাত সোয়া ৯টার দিকে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের বিএম কনটেইনার ডিপো লোডিং স্টেশন এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়। এর দেড় ঘণ্টা পর একটি কনটেইনারে থাকা রাসায়নিক বিস্ফোরিত হয়ে হতাহতের সংখ্যা বেড়ে যায়।
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের সোনাইছড়ি ইউনিয়নের বিএম কনটেইনার ডিপোতে আরও দুজনের লাশের অংশবিশেষ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিস। আজ বেলা একটার দিকে লাশ দুটি উদ্ধার উদ্ধার করা হয়। ফেনী ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক পূর্ণ চন্দ্র মুৎসুদ্দি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
উদ্ধার হওয়া দুটি লাশের মধ্যে একটি লাশ ফায়ার সার্ভিসের এক কর্মীর ও অপর লাশটি কারখানার নিরাপত্তা প্রহরীর বলে ধারণা করছে ফায়ার সার্ভিস। এ নিয়ে গত তিন দিনে ৪৩ জনের লাশ উদ্ধার করা হলো। এর আগে ৪১ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছিল।
অন্যদিকে, এ ঘটনায় এখনো পর্যন্ত নিহত ৪১ জনের মধ্যে ১৬ জনের লাশ শনাক্ত করা যায়নি। সীতাকুণ্ড থানার ওসি (তদন্ত) সুমন বণিক বলেন, আগুনে বেশিরভাগ লাশই পুড়ে বিকৃত হয়ে গেছে। তাদের চেনা যাচ্ছে না। জামা কাপড় ও বিভিন্ন চিহ্ন দেখে মানুষ তাদের আপনজন বলে নিয়ে যাচ্ছেন। এ ক্ষেত্রে ভুল হবার সম্ভাবনা আছে। একজনের লাশ অন্যজন নিয়ে যেতে পারেন। তাই যারা লাশ নিচ্ছেন তাদেরও ডিএনএ সংগ্রহ করা হচ্ছে। আর যারা নেবেন তাদেরও ডিএনএ করা হবে। মৃত ব্যক্তির ডিএনএর প্রোফাইল তৈরি করা হচ্ছে। এছাড়া আজ বিকাল থেকে ঘটনার তদন্ত শুরু করবে ডিআইডির ফরেনসনিক বিভাগ।
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের সোনাইছড়ি ইউনিয়নের বিএম কনটেইনার ডিপোতে আরও দুজনের লাশের অংশবিশেষ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিস। আজ বেলা একটার দিকে লাশ দুটি উদ্ধার উদ্ধার করা হয়। ফেনী ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক পূর্ণ চন্দ্র মুৎসুদ্দি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
উদ্ধার হওয়া দুটি লাশের মধ্যে একটি লাশ ফায়ার সার্ভিসের এক কর্মীর ও অপর লাশটি কারখানার নিরাপত্তা প্রহরীর বলে ধারণা করছে ফায়ার সার্ভিস। এ নিয়ে গত তিন দিনে ৪৩ জনের লাশ উদ্ধার করা হলো। এর আগে ৪১ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছিল।
অন্যদিকে, এ ঘটনায় এখনো পর্যন্ত নিহত ৪১ জনের মধ্যে ১৬ জনের লাশ শনাক্ত করা যায়নি। সীতাকুণ্ড থানার ওসি (তদন্ত) সুমন বণিক বলেন, আগুনে বেশিরভাগ লাশই পুড়ে বিকৃত হয়ে গেছে। তাদের চেনা যাচ্ছে না। জামা কাপড় ও বিভিন্ন চিহ্ন দেখে মানুষ তাদের আপনজন বলে নিয়ে যাচ্ছেন। এ ক্ষেত্রে ভুল হবার সম্ভাবনা আছে। একজনের লাশ অন্যজন নিয়ে যেতে পারেন। তাই যারা লাশ নিচ্ছেন তাদেরও ডিএনএ সংগ্রহ করা হচ্ছে। আর যারা নেবেন তাদেরও ডিএনএ করা হবে। মৃত ব্যক্তির ডিএনএর প্রোফাইল তৈরি করা হচ্ছে। এছাড়া আজ বিকাল থেকে ঘটনার তদন্ত শুরু করবে ডিআইডির ফরেনসনিক বিভাগ।