মাত্র ছত্রিশ বছর বয়সে তাঁর বর্ণময় জীবনের পরিসমাপ্তি ঘটেছিল, এবং তাঁর কর্মজীবন ছিল মাত্র সতেরো বছরের। কিন্তু এই নশ্বর পৃথিবী ছেড়ে গেলেও রুপালি পর্দায় তাঁর উপস্থিতি হয়েছে চিরন্তন। তাঁকে ঘিরে নির্মিত হয়েছে অসংখ্য তথ্যচিত্র ও পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র। তাঁর ৬৪তম মৃত্যুবার্ষিকী স্মরণে, মনরোকে নিয়ে নির্মিত বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য সিনেমা ও তথ্যচিত্র সম্পর্কে আলোকপাত করা হলো।
মেরিলিন মনরোর প্রয়াণ ঘটেছিল ১৯৬২ সালে। এর ঠিক এক বছর পরেই, ১৯৬৩ সালে তাঁর জীবন অবলম্বনে নির্মিত হয় তথ্যচিত্র ‘মনরো’। পরিচালক হ্যারল্ড মেডফোর্ড এই প্রামাণ্যচিত্রে পঞ্চাশের দশকের এই ‘সেক্স সিম্বল’-এর বর্ণাঢ্য জীবনকে উপস্থাপন করেন। মার্কিন অভিনেতা রক হাডসন এই তথ্যচিত্রে ধারা বর্ণনা করেছিলেন। যদিও এই প্রামাণ্যচিত্রে মূলত টোয়েন্টিথ সেঞ্চুরি ফক্সের ব্যানারে মনরোর অভিনীত চলচ্চিত্রগুলিই প্রাধান্য পেয়েছিল, তথাপি এটি অদ্যাবধি ডিভিডি বা অন্য কোনো মাধ্যমে মুক্তি পায়নি।
মনরোর জীবনকে কেন্দ্র করে নির্মিত পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘গুডবাই, নর্মা জিন’ ১৯৭৬ সালে মুক্তি পায়। ল্যারি বুচনান পরিচালিত এই চলচ্চিত্রে মিস্টি রোওয়ে মনরোর চরিত্রে অভিনয় করেন। তবে ছবিটি সমালোচকদের কাছে তেমন গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করতে পারেনি। মিস্টি রোওয়ে ১৯৮৯ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘গুডনাইট, সুইট মেরিলিন’ ছবিতে পুনরায় তরুণী মনরোর ভূমিকায় অবতীর্ণ হন, যেটি ল্যারি বুচনানই পরিচালনা করেছিলেন। এই ছবিতে পূর্ণবয়স্ক মনরোর চরিত্রে অভিনয় করেন পাওলা লেন।
১৯৯৩ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘ক্যালেন্ডার গার্ল’ চলচ্চিত্রটি সরাসরি মনরোকে নিয়ে নির্মিত না হয়ে, বরং মনরোর প্রতি মোহগ্রস্ত এক যুবকের গল্প তুলে ধরে, যে তাঁর প্রিয় অভিনেত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের উদ্দেশ্যে হলিউডে পাড়ি জমায়। এই চলচ্চিত্রে মনরোর উপস্থিতি ছিল ক্ষণিকের, এবং সেই চরিত্রে অভিনয় করেন স্টেফানি অ্যান্ডারসন। ১৯৯১ সালের টিভি চলচ্চিত্র ‘মেরিলিন অ্যান্ড মি’-এর প্রেক্ষাপট কিছুটা ভিন্ন। এটি মূলত মার্কিন লেখক রবার্ট স্লাটজারের জীবনকে কেন্দ্র করে আবর্তিত, যিনি দাবি করেন যে মেরিলিন মনরোর সঙ্গে তাঁর বিবাহ হয়েছিল। এই ছবিতে সুসান গ্রিফিথস মনরোর চরিত্রে রূপদান করেন।
মনরোকে নিয়ে নির্মিত প্রশংসিত টিভি চলচ্চিত্র ‘মেরিলিন: দ্য আনটোল্ড স্টোরি’ ১৯৮০ সালে মুক্তি লাভ করে। এতে ক্যাথেরিন হিকস মনরোর চরিত্রে অনবদ্য অভিনয় করে পর্দায় আবির্ভূত হন। এই ছবিটি চারটি ভিন্ন শাখায় এমি মনোনয়ন অর্জন করে। ২০১১ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘মাই উইক উইথ মনরো’ আরেকটি উল্লেখযোগ্য সৃষ্টি। সিমন কার্টিস পরিচালিত এই চলচ্চিত্রটি মূলত ১৯৫৭ সালের ‘দ্য প্রিন্স অ্যান্ড দ্য শো গার্ল’ সিনেমার নির্মাণ প্রক্রিয়ার গল্প অবলম্বনে তৈরি। প্রখ্যাত মার্কিন অভিনেত্রী মিশেল উইলিয়ামস এই চলচ্চিত্রে মনরোর চরিত্রে প্রাণবন্ত অভিনয় করেন। সমালোচকদের প্রশংসা এবং বাণিজ্যিক সাফল্যের পাশাপাশি চলচ্চিত্রটি অস্কারের জন্যও মনোনীত হয়েছিল।
চলতি বছরে নেটফ্লিক্সে অভিনেত্রীকে নিয়ে একটি বহুল আলোচিত তথ্যচিত্র মুক্তি পেয়েছে। এমা কুমার পরিচালিত ‘দ্য মিস্ট্রি অব মেরিলিন মনরো: দ্য আনহিয়ার্ড টেপস’ প্রধানত অভিনেত্রীর জীবন ও তাঁর রহস্যজনক মৃত্যু নিয়ে আলোকপাত করে। মুক্তির মাত্র কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই এই তথ্যচিত্রটি বিশ্বব্যাপী প্রায় ২৩ মিলিয়ন দর্শক কর্তৃক প্রদর্শিত হয়েছে।
মেরিলিন মনরোকে নিয়ে নির্মিত চলচ্চিত্র ‘ব্লন্ড’ ২০২২ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর মুক্তি লাভ করেছে। অস্ট্রেলিয়ান পরিচালক অ্যান্ড্রু ডোমিনিক পরিচালিত এই চলচ্চিত্রে আনা ডে আরমাস মনরোর চরিত্রে অভিনয় করেছেন।
মেরিলিন মনরোর প্রয়াণ ঘটেছিল ১৯৬২ সালে। এর ঠিক এক বছর পরেই, ১৯৬৩ সালে তাঁর জীবন অবলম্বনে নির্মিত হয় তথ্যচিত্র ‘মনরো’। পরিচালক হ্যারল্ড মেডফোর্ড এই প্রামাণ্যচিত্রে পঞ্চাশের দশকের এই ‘সেক্স সিম্বল’-এর বর্ণাঢ্য জীবনকে উপস্থাপন করেন। মার্কিন অভিনেতা রক হাডসন এই তথ্যচিত্রে ধারা বর্ণনা করেছিলেন। যদিও এই প্রামাণ্যচিত্রে মূলত টোয়েন্টিথ সেঞ্চুরি ফক্সের ব্যানারে মনরোর অভিনীত চলচ্চিত্রগুলিই প্রাধান্য পেয়েছিল, তথাপি এটি অদ্যাবধি ডিভিডি বা অন্য কোনো মাধ্যমে মুক্তি পায়নি।
মনরোর জীবনকে কেন্দ্র করে নির্মিত পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘গুডবাই, নর্মা জিন’ ১৯৭৬ সালে মুক্তি পায়। ল্যারি বুচনান পরিচালিত এই চলচ্চিত্রে মিস্টি রোওয়ে মনরোর চরিত্রে অভিনয় করেন। তবে ছবিটি সমালোচকদের কাছে তেমন গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করতে পারেনি। মিস্টি রোওয়ে ১৯৮৯ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘গুডনাইট, সুইট মেরিলিন’ ছবিতে পুনরায় তরুণী মনরোর ভূমিকায় অবতীর্ণ হন, যেটি ল্যারি বুচনানই পরিচালনা করেছিলেন। এই ছবিতে পূর্ণবয়স্ক মনরোর চরিত্রে অভিনয় করেন পাওলা লেন।
১৯৯৩ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘ক্যালেন্ডার গার্ল’ চলচ্চিত্রটি সরাসরি মনরোকে নিয়ে নির্মিত না হয়ে, বরং মনরোর প্রতি মোহগ্রস্ত এক যুবকের গল্প তুলে ধরে, যে তাঁর প্রিয় অভিনেত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের উদ্দেশ্যে হলিউডে পাড়ি জমায়। এই চলচ্চিত্রে মনরোর উপস্থিতি ছিল ক্ষণিকের, এবং সেই চরিত্রে অভিনয় করেন স্টেফানি অ্যান্ডারসন। ১৯৯১ সালের টিভি চলচ্চিত্র ‘মেরিলিন অ্যান্ড মি’-এর প্রেক্ষাপট কিছুটা ভিন্ন। এটি মূলত মার্কিন লেখক রবার্ট স্লাটজারের জীবনকে কেন্দ্র করে আবর্তিত, যিনি দাবি করেন যে মেরিলিন মনরোর সঙ্গে তাঁর বিবাহ হয়েছিল। এই ছবিতে সুসান গ্রিফিথস মনরোর চরিত্রে রূপদান করেন।
মনরোকে নিয়ে নির্মিত প্রশংসিত টিভি চলচ্চিত্র ‘মেরিলিন: দ্য আনটোল্ড স্টোরি’ ১৯৮০ সালে মুক্তি লাভ করে। এতে ক্যাথেরিন হিকস মনরোর চরিত্রে অনবদ্য অভিনয় করে পর্দায় আবির্ভূত হন। এই ছবিটি চারটি ভিন্ন শাখায় এমি মনোনয়ন অর্জন করে। ২০১১ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘মাই উইক উইথ মনরো’ আরেকটি উল্লেখযোগ্য সৃষ্টি। সিমন কার্টিস পরিচালিত এই চলচ্চিত্রটি মূলত ১৯৫৭ সালের ‘দ্য প্রিন্স অ্যান্ড দ্য শো গার্ল’ সিনেমার নির্মাণ প্রক্রিয়ার গল্প অবলম্বনে তৈরি। প্রখ্যাত মার্কিন অভিনেত্রী মিশেল উইলিয়ামস এই চলচ্চিত্রে মনরোর চরিত্রে প্রাণবন্ত অভিনয় করেন। সমালোচকদের প্রশংসা এবং বাণিজ্যিক সাফল্যের পাশাপাশি চলচ্চিত্রটি অস্কারের জন্যও মনোনীত হয়েছিল।
চলতি বছরে নেটফ্লিক্সে অভিনেত্রীকে নিয়ে একটি বহুল আলোচিত তথ্যচিত্র মুক্তি পেয়েছে। এমা কুমার পরিচালিত ‘দ্য মিস্ট্রি অব মেরিলিন মনরো: দ্য আনহিয়ার্ড টেপস’ প্রধানত অভিনেত্রীর জীবন ও তাঁর রহস্যজনক মৃত্যু নিয়ে আলোকপাত করে। মুক্তির মাত্র কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই এই তথ্যচিত্রটি বিশ্বব্যাপী প্রায় ২৩ মিলিয়ন দর্শক কর্তৃক প্রদর্শিত হয়েছে।
মেরিলিন মনরোকে নিয়ে নির্মিত চলচ্চিত্র ‘ব্লন্ড’ ২০২২ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর মুক্তি লাভ করেছে। অস্ট্রেলিয়ান পরিচালক অ্যান্ড্রু ডোমিনিক পরিচালিত এই চলচ্চিত্রে আনা ডে আরমাস মনরোর চরিত্রে অভিনয় করেছেন।
