পরিচালক মোহাম্মদ ইকবালের নতুন চলচ্চিত্র ‘গুলশানের চামেলি’-তে অভিনয়ের ঘোষণা দেওয়ার পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন। এই আলোচনার রেশ ধরেই তিনি এবার তার সিদ্ধান্ত ও অবস্থান স্পষ্ট করে সমালোচকদের উদ্দেশে একটি বিশদ ফেসবুক পোস্ট দিয়েছেন।
ফেসবুক পোস্টে বাঁধন উল্লেখ করেন যে, এই চলচ্চিত্রে অভিনয়ের সম্মতি দেওয়া তার জন্য মোটেই সহজসাধ্য ছিল না। তবে, গল্পের অনন্য উপস্থাপনা এবং কাজ শুরুর পূর্ব থেকেই পুরো টিমের পক্ষ থেকে প্রাপ্ত অপরিসীম সম্মান ও সহযোগিতাই তাকে এই কঠিন সিদ্ধান্ত গ্রহণে অনুপ্রাণিত করেছে।
তিনি আরও যোগ করেন, “এই চলচ্চিত্রে কাজ করার সম্মতি দেওয়াটা আমার জন্য সত্যিই এক কঠিন সিদ্ধান্ত ছিল। কিন্তু এর গল্প আমাকে গভীরভাবে আকৃষ্ট করেছে। শুরু থেকেই পুরো টিমের কাছ থেকে যে সম্মান ও সহযোগিতা আমি পেয়েছি, তার জন্য আমি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ।”
নিজের দীর্ঘ অভিনয়জীবনের অভিজ্ঞতার কথা স্মরণ করে বাঁধন লেখেন, “বছরের পর বছর আমি অসংখ্য পরিচালক এবং বিচিত্র ধরনের প্রযোজনার সঙ্গে কাজ করেছি। প্রতিটি অভিজ্ঞতা আমাকে নতুন নতুন শিক্ষা দিয়েছে। কিছু অভিজ্ঞতা আনন্দদায়ক ছিল, কিছু ছিল চ্যালেঞ্জিং। তবে সবকিছুই আমাকে আজকের এই অবস্থানে পৌঁছাতে এবং ব্যক্তি হিসেবে বিকশিত হতে সাহায্য করেছে।”
আল্লাহর প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তিনি আরও উল্লেখ করেন, “জীবনে যা কিছু পেয়েছি এবং যে সকল অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে অতিক্রম করেছি, তার প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। প্রতিটি অভিজ্ঞতা আমাকে আরও দৃঢ় ও শক্তিশালী করেছে।”
সমালোচকদের প্রতি তার স্পষ্ট বার্তা ছিল: “একটি বিষয় আমি গভীরভাবে বিশ্বাস করি – আমার ব্যক্তিগত খরচ কেউ বহন করে না এবং আমার জীবনও অন্য কেউ আমার হয়ে যাপন করে না। অতএব, আমার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত নিয়ে দয়া করে আপনাদের মূল্যবান সময় নষ্ট করে আমাকে উপদেশ দেওয়ার প্রয়োজন নেই। আমার জীবনে এমন কিছু মানুষ আছেন, যাদের পরামর্শ আমি বিশ্বাস করি, সম্মান করি এবং অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে শুনি।”
পোস্টের সমাপ্তিতে বাঁধন দৃঢ়তার সঙ্গে লেখেন, “আমি আমার জীবন নিয়ে সুখী। ইনশাআল্লাহ, সময়ের পরিক্রমায় আমি আরও এগিয়ে যাব এবং আরও সুখী হব।”
ফেসবুক পোস্টে বাঁধন উল্লেখ করেন যে, এই চলচ্চিত্রে অভিনয়ের সম্মতি দেওয়া তার জন্য মোটেই সহজসাধ্য ছিল না। তবে, গল্পের অনন্য উপস্থাপনা এবং কাজ শুরুর পূর্ব থেকেই পুরো টিমের পক্ষ থেকে প্রাপ্ত অপরিসীম সম্মান ও সহযোগিতাই তাকে এই কঠিন সিদ্ধান্ত গ্রহণে অনুপ্রাণিত করেছে।
তিনি আরও যোগ করেন, “এই চলচ্চিত্রে কাজ করার সম্মতি দেওয়াটা আমার জন্য সত্যিই এক কঠিন সিদ্ধান্ত ছিল। কিন্তু এর গল্প আমাকে গভীরভাবে আকৃষ্ট করেছে। শুরু থেকেই পুরো টিমের কাছ থেকে যে সম্মান ও সহযোগিতা আমি পেয়েছি, তার জন্য আমি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ।”
নিজের দীর্ঘ অভিনয়জীবনের অভিজ্ঞতার কথা স্মরণ করে বাঁধন লেখেন, “বছরের পর বছর আমি অসংখ্য পরিচালক এবং বিচিত্র ধরনের প্রযোজনার সঙ্গে কাজ করেছি। প্রতিটি অভিজ্ঞতা আমাকে নতুন নতুন শিক্ষা দিয়েছে। কিছু অভিজ্ঞতা আনন্দদায়ক ছিল, কিছু ছিল চ্যালেঞ্জিং। তবে সবকিছুই আমাকে আজকের এই অবস্থানে পৌঁছাতে এবং ব্যক্তি হিসেবে বিকশিত হতে সাহায্য করেছে।”
আল্লাহর প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তিনি আরও উল্লেখ করেন, “জীবনে যা কিছু পেয়েছি এবং যে সকল অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে অতিক্রম করেছি, তার প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। প্রতিটি অভিজ্ঞতা আমাকে আরও দৃঢ় ও শক্তিশালী করেছে।”
সমালোচকদের প্রতি তার স্পষ্ট বার্তা ছিল: “একটি বিষয় আমি গভীরভাবে বিশ্বাস করি – আমার ব্যক্তিগত খরচ কেউ বহন করে না এবং আমার জীবনও অন্য কেউ আমার হয়ে যাপন করে না। অতএব, আমার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত নিয়ে দয়া করে আপনাদের মূল্যবান সময় নষ্ট করে আমাকে উপদেশ দেওয়ার প্রয়োজন নেই। আমার জীবনে এমন কিছু মানুষ আছেন, যাদের পরামর্শ আমি বিশ্বাস করি, সম্মান করি এবং অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে শুনি।”
পোস্টের সমাপ্তিতে বাঁধন দৃঢ়তার সঙ্গে লেখেন, “আমি আমার জীবন নিয়ে সুখী। ইনশাআল্লাহ, সময়ের পরিক্রমায় আমি আরও এগিয়ে যাব এবং আরও সুখী হব।”
