নিট প্রশ্নপত্র ফাঁস কাণ্ডকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে চলমান ছাত্র আন্দোলন এবং এর প্রতিক্রিয়ায় সামাজিক মাধ্যমে তারকাদের মুখ খুলতে দেখা যাচ্ছে। এই বিতর্কে অভিনেতা সালমান খান প্রথমে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের প্রতি সমর্থন জানালেও, পরবর্তীতে তাদের ঘরে ফিরে যাওয়ার অনুরোধ জানান, যা ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। একই সাথে তিনি সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুককেও তার অনশন ভাঙার আহ্বান জানান। এই অবস্থান পরিবর্তনের পর থেকেই বলিউডের এই জনপ্রিয় তারকা নেটিজেনদের তীব্র সমালোচনা ও ট্রলের শিকার হচ্ছেন।
নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যাকাউন্টে সালমান খান ‘বিয়িং হিউম্যান’ লেখা একটি মগ হাতে নিজের একটি ছবি পোস্ট করেন। ছবিটির ক্যাপশনে তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে লেখেন, ‘শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা এবং নিরাপত্তা, উভয়ই আমাদের কাছে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। তাই শিক্ষার্থী এবং তাদের অভিভাবকদের উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেই। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এই বিষয়ে টুইট করেছেন এবং আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, প্রশ্নপত্র ফাঁসের এই ঘটনায় জড়িত সকলের বিরুদ্ধে তিনি কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। তাই আমি শিক্ষার্থীদের বিনীত অনুরোধ করছি, আপনারা অনুগ্রহ করে নিজেদের বাড়িতে, বাবা–মায়ের কাছে ফিরে যান।’ একই পোস্টে তিনি সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুককে উদ্দেশ করে আরও লেখেন, ‘সোনম, এবার যথেষ্ট হয়েছে। বিষয়টি আর দীর্ঘায়িত করো না। প্রয়োজন হলে এই মনোবল অন্য কোনো দিনের জন্য সঞ্চয় করে রেখো (যদিও আমার মনে হয়, তার দরকার পড়বে না)। কিছু খাওদাও। চাইলে আমি তোমার জন্য বাড়ি থেকে খাবার পাঠিয়ে দিতে পারি।’
শিক্ষার্থীদের আন্দোলন বন্ধ করার এই আহ্বান জানানোর পর থেকে সালমান খানকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে। অসংখ্য ব্যবহারকারী তার এই বক্তব্যকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে আখ্যায়িত করেছেন। একজন মন্তব্য করেছেন, ‘সালমান খানকে রাজনৈতিকভাবে হাইজ্যাক করা হয়েছে।’ আরেকজন ব্যঙ্গ করে লিখেছেন, ‘ভাই, আপনার এই পোস্ট আপনার শেষ তিনটি ছবির চেয়েও খারাপ।’ আরও একজন নেটিজেন কটাক্ষ করে বলেছেন, ‘শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের কষ্ট উপলব্ধি করতে হলে আগে আপনার বিয়ে করে সন্তান নেওয়া উচিত।’ অন্য একজন ব্যবহারকারী তার বক্তব্যের ধারাবাহিকতার অভাবের সমালোচনা করে লিখেছেন, ‘সালমান খান ভাই তার বক্তব্যও নিজের ছবির শিরোনামের মতো বদলে ফেলছেন। যেমন “ব্যাটল অব গালওয়া”–এর বদলে “মাতৃভূমি” করা হয়েছে।’
তবে, এই সমালোচনার মাঝেও সালমান খানের অসংখ্য ভক্ত তার সমর্থনে এগিয়ে এসেছেন। এদিকে, সরকারের কাছ থেকে লিখিত আশ্বাস পাওয়ার পর ২৬ দিন ধরে চলা অনশন শেষ করেছেন সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক। এই ঘটনার পর সালমান খানের পোস্টের মন্তব্যে তার ভক্তরা লিখেছেন, ‘ভাই যখন বলেছেন, তখন সেটাই করতে হবে।’
নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যাকাউন্টে সালমান খান ‘বিয়িং হিউম্যান’ লেখা একটি মগ হাতে নিজের একটি ছবি পোস্ট করেন। ছবিটির ক্যাপশনে তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে লেখেন, ‘শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা এবং নিরাপত্তা, উভয়ই আমাদের কাছে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। তাই শিক্ষার্থী এবং তাদের অভিভাবকদের উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেই। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এই বিষয়ে টুইট করেছেন এবং আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, প্রশ্নপত্র ফাঁসের এই ঘটনায় জড়িত সকলের বিরুদ্ধে তিনি কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। তাই আমি শিক্ষার্থীদের বিনীত অনুরোধ করছি, আপনারা অনুগ্রহ করে নিজেদের বাড়িতে, বাবা–মায়ের কাছে ফিরে যান।’ একই পোস্টে তিনি সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুককে উদ্দেশ করে আরও লেখেন, ‘সোনম, এবার যথেষ্ট হয়েছে। বিষয়টি আর দীর্ঘায়িত করো না। প্রয়োজন হলে এই মনোবল অন্য কোনো দিনের জন্য সঞ্চয় করে রেখো (যদিও আমার মনে হয়, তার দরকার পড়বে না)। কিছু খাওদাও। চাইলে আমি তোমার জন্য বাড়ি থেকে খাবার পাঠিয়ে দিতে পারি।’
শিক্ষার্থীদের আন্দোলন বন্ধ করার এই আহ্বান জানানোর পর থেকে সালমান খানকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে। অসংখ্য ব্যবহারকারী তার এই বক্তব্যকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে আখ্যায়িত করেছেন। একজন মন্তব্য করেছেন, ‘সালমান খানকে রাজনৈতিকভাবে হাইজ্যাক করা হয়েছে।’ আরেকজন ব্যঙ্গ করে লিখেছেন, ‘ভাই, আপনার এই পোস্ট আপনার শেষ তিনটি ছবির চেয়েও খারাপ।’ আরও একজন নেটিজেন কটাক্ষ করে বলেছেন, ‘শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের কষ্ট উপলব্ধি করতে হলে আগে আপনার বিয়ে করে সন্তান নেওয়া উচিত।’ অন্য একজন ব্যবহারকারী তার বক্তব্যের ধারাবাহিকতার অভাবের সমালোচনা করে লিখেছেন, ‘সালমান খান ভাই তার বক্তব্যও নিজের ছবির শিরোনামের মতো বদলে ফেলছেন। যেমন “ব্যাটল অব গালওয়া”–এর বদলে “মাতৃভূমি” করা হয়েছে।’
তবে, এই সমালোচনার মাঝেও সালমান খানের অসংখ্য ভক্ত তার সমর্থনে এগিয়ে এসেছেন। এদিকে, সরকারের কাছ থেকে লিখিত আশ্বাস পাওয়ার পর ২৬ দিন ধরে চলা অনশন শেষ করেছেন সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক। এই ঘটনার পর সালমান খানের পোস্টের মন্তব্যে তার ভক্তরা লিখেছেন, ‘ভাই যখন বলেছেন, তখন সেটাই করতে হবে।’
