জনপ্রিয় অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া ২০১৩ সালে আদনান আল রাজীব পরিচালিত ‘অল টাইম দৌড়ের উপর’ নাটকের মাধ্যমে তার অভিনয় জীবনে পদার্পণ করেন। এরপর তিনি ছোট পর্দায় অসংখ্য জনপ্রিয় নাটক উপহার দিয়ে দর্শকদের মাঝে নিজের অবস্থান সুদৃঢ় করেন এবং একসময় তার জনপ্রিয়তা তুঙ্গে ছিল।
তবে বিগত কিছু সময় ধরে তিনি আর নিয়মিত অভিনয়ে সক্রিয় নন, যা নিয়ে দর্শক ও গণমাধ্যম মহলে প্রায়শই প্রশ্ন উঠেছে। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এই প্রসঙ্গে তিনি নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন।
গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে শবনম ফারিয়া বলেন, “আমি এখন জীবনের যে পর্যায়ে আছি, সেখান থেকে মাসে ২২-২৩ দিন নিয়মিত শুটিং করা আমার পক্ষে সম্ভব নয়। আমি অভিনয় করতে চাই, কিন্তু নিয়মিত কাজের পরিবর্তে বছরে মাত্র ৫-৬টি নির্বাচিত প্রকল্পে কাজ করতে ইচ্ছুক।”
ফারিয়া অভিনীত উল্লেখযোগ্য খণ্ড নাটকের তালিকায় রয়েছে— ‘কালো বরফ’, ‘মাকে আমার পরে না মনে’, ‘বুক ভরা ভালোবাসা’, ‘তবু ভালোবাসি তোমায়’, ‘মাছ পাখি ও তুমি’ ইত্যাদি। তার অভিনীত জনপ্রিয় ধারাবাহিক নাটকগুলো হলো— ‘সোনার সেকল’, ‘দোস্ত দুশমন’, ‘ফ্যামিলি ক্রাইসিস’, ‘বকুলপুর’, ‘শান্তিপুরীতে অশান্তি’, ইত্যাদি।
উল্লেখ্য, ২০১৮ সালে তিনি ‘দেবী’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক করেন, যা তার অভিনয় জীবনের এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে।
তবে বিগত কিছু সময় ধরে তিনি আর নিয়মিত অভিনয়ে সক্রিয় নন, যা নিয়ে দর্শক ও গণমাধ্যম মহলে প্রায়শই প্রশ্ন উঠেছে। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এই প্রসঙ্গে তিনি নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন।
গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে শবনম ফারিয়া বলেন, “আমি এখন জীবনের যে পর্যায়ে আছি, সেখান থেকে মাসে ২২-২৩ দিন নিয়মিত শুটিং করা আমার পক্ষে সম্ভব নয়। আমি অভিনয় করতে চাই, কিন্তু নিয়মিত কাজের পরিবর্তে বছরে মাত্র ৫-৬টি নির্বাচিত প্রকল্পে কাজ করতে ইচ্ছুক।”
ফারিয়া অভিনীত উল্লেখযোগ্য খণ্ড নাটকের তালিকায় রয়েছে— ‘কালো বরফ’, ‘মাকে আমার পরে না মনে’, ‘বুক ভরা ভালোবাসা’, ‘তবু ভালোবাসি তোমায়’, ‘মাছ পাখি ও তুমি’ ইত্যাদি। তার অভিনীত জনপ্রিয় ধারাবাহিক নাটকগুলো হলো— ‘সোনার সেকল’, ‘দোস্ত দুশমন’, ‘ফ্যামিলি ক্রাইসিস’, ‘বকুলপুর’, ‘শান্তিপুরীতে অশান্তি’, ইত্যাদি।
উল্লেখ্য, ২০১৮ সালে তিনি ‘দেবী’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক করেন, যা তার অভিনয় জীবনের এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে।
