পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশে মোটরগাড়ি রপ্তানির উদ্দেশ্য নিয়ে পাকিস্তানি প্রতিষ্ঠান এমজি জেডব্লিউ অটোমোবাইল এবং বাংলাদেশের স্বনামধন্য র্যানকন গ্রুপের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই তথ্য গত শুক্রবার (৩১ জুলাই) ঢাকায় অবস্থিত পাকিস্তান হাইকমিশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নিশ্চিত করা হয়।
পাকিস্তানের শিল্প ও উৎপাদন মন্ত্রণালয়ের সূত্রে জানা গেছে, এই চুক্তির অধীনে চলতি আর্থিক বছরের মধ্যেই বাংলাদেশে প্রাথমিকভাবে ১০০টি গাড়ি রপ্তানি করা হবে। পরবর্তী চার বছরের জন্য সর্বমোট ৫,৮০০টি গাড়ি রপ্তানির একটি উচ্চাভিলাষী লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয় যে, এই কৌশলগত অংশীদারত্বের ফলে বাংলাদেশের দ্রুত বর্ধনশীল মোটরগাড়ির বাজারে অত্যাধুনিক মডেলের নতুন যানবাহন প্রবেশ করবে, যা বাজার প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি করবে এবং ভোক্তাদের জন্য প্রতিযোগিতামূলক মূল্যে আরও বৈচিত্র্যময় বিকল্পের সুযোগ তৈরি করবে। একই সাথে, এটি বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে বিদ্যমান অর্থনৈতিক সহযোগিতা সুদৃঢ় করবে এবং উভয় দেশের বেসরকারি খাতের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ককে আরও গভীর ও সম্প্রসারিত করবে।
সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে র্যানকন গ্রুপের সম্মানিত নির্বাহী পরিচালক, মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রশীদ ভূঁইয়া, তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, এই চুক্তি বাংলাদেশের অটোমোবাইল শিল্পে একটি ইতিবাচক ও স্বাস্থ্যকর প্রতিযোগিতার পরিবেশ সৃষ্টি করবে। এর মাধ্যমে পাকিস্তানে উৎপাদিত উচ্চমানের মোটরগাড়ি বাংলাদেশের ভোক্তাদের দোরগোড়ায় পৌঁছানোর একটি সুবর্ণ সুযোগ তৈরি হবে।
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর শিল্প ও উৎপাদনবিষয়ক বিশেষ সহকারী, হারুন আখতার খান, এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানিয়েছেন। তিনি দৃঢ়তার সাথে বলেন যে, এ ধরনের অংশীদারত্ব বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে বিদ্যমান বাণিজ্যিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী ভিত্তির উপর স্থাপন করবে এবং উভয় দেশের বেসরকারি খাতের মধ্যে সহযোগিতার নতুন এবং উদ্ভাবনী পথ খুলে দেবে।
এই গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সরকারি প্রতিনিধি এবং বিশিষ্ট ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
পাকিস্তানের শিল্প ও উৎপাদন মন্ত্রণালয়ের সূত্রে জানা গেছে, এই চুক্তির অধীনে চলতি আর্থিক বছরের মধ্যেই বাংলাদেশে প্রাথমিকভাবে ১০০টি গাড়ি রপ্তানি করা হবে। পরবর্তী চার বছরের জন্য সর্বমোট ৫,৮০০টি গাড়ি রপ্তানির একটি উচ্চাভিলাষী লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয় যে, এই কৌশলগত অংশীদারত্বের ফলে বাংলাদেশের দ্রুত বর্ধনশীল মোটরগাড়ির বাজারে অত্যাধুনিক মডেলের নতুন যানবাহন প্রবেশ করবে, যা বাজার প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি করবে এবং ভোক্তাদের জন্য প্রতিযোগিতামূলক মূল্যে আরও বৈচিত্র্যময় বিকল্পের সুযোগ তৈরি করবে। একই সাথে, এটি বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে বিদ্যমান অর্থনৈতিক সহযোগিতা সুদৃঢ় করবে এবং উভয় দেশের বেসরকারি খাতের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ককে আরও গভীর ও সম্প্রসারিত করবে।
সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে র্যানকন গ্রুপের সম্মানিত নির্বাহী পরিচালক, মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রশীদ ভূঁইয়া, তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, এই চুক্তি বাংলাদেশের অটোমোবাইল শিল্পে একটি ইতিবাচক ও স্বাস্থ্যকর প্রতিযোগিতার পরিবেশ সৃষ্টি করবে। এর মাধ্যমে পাকিস্তানে উৎপাদিত উচ্চমানের মোটরগাড়ি বাংলাদেশের ভোক্তাদের দোরগোড়ায় পৌঁছানোর একটি সুবর্ণ সুযোগ তৈরি হবে।
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর শিল্প ও উৎপাদনবিষয়ক বিশেষ সহকারী, হারুন আখতার খান, এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানিয়েছেন। তিনি দৃঢ়তার সাথে বলেন যে, এ ধরনের অংশীদারত্ব বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে বিদ্যমান বাণিজ্যিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী ভিত্তির উপর স্থাপন করবে এবং উভয় দেশের বেসরকারি খাতের মধ্যে সহযোগিতার নতুন এবং উদ্ভাবনী পথ খুলে দেবে।
এই গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সরকারি প্রতিনিধি এবং বিশিষ্ট ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
