প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন আজ মঙ্গলবার জানিয়েছেন যে, নির্বাচন কমিশন আসন্ন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আয়োজনের জন্য সম্পূর্ণরূপে প্রস্তুত। তবে, এই নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট দিনক্ষণ এখনো নির্ধারিত হয়নি। নির্বাচন আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় ভোটার তালিকা ইতোমধ্যে প্রস্তুত করা হয়েছে।
তিনি জাতীয় সংসদে ভারপ্রাপ্ত স্পিকার কায়সার কামালের কার্যালয়ে তার সঙ্গে সাক্ষাতের পর সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। এ সময় সিইসি'র সঙ্গে চার কমিশনার এবং নির্বাচন কমিশন সচিবও উপস্থিত ছিলেন।
বেলা ১১টায় অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে উল্লেখ করে সিইসি জানান, নির্বাচনের দিনক্ষণ পরবর্তীতে জানানো হবে। তিনি বলেন, 'আপনারা যথাক্রমে জানতে পারবেন। সূর্য উঠলে আপনারা সবাই দেখতে পাবেন। কোনো অসুবিধা নেই। এটি আমরা পরবর্তী আলোচনা হলে জানিয়ে দেব।'
সিইসি নিশ্চিত করেছেন যে, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন জাতীয় সংসদেই অনুষ্ঠিত হবে। তিনি আরও বলেন, 'রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে সামনে রেখে আমরা বিস্তারিত আলোচনা করেছি।' নাসির উদ্দিন উল্লেখ করেন, 'সাবেক স্পিকার দায়িত্ব নিয়েছেন। আমাদের রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হবে। এটি নির্বাচন কমিশনের দায়িত্বের মধ্যে পড়ে।' তিনি ১৯৯১ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইনের কথা উল্লেখ করে বলেন, 'নির্বাচন কমিশনের এই দায়িত্ব-রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করার জন্য ১৯৯১ সালের একটি আইন আছে। সেখানে বলা আছে, স্পিকারের সঙ্গে পরামর্শক্রমে, আলোচনাক্রমে প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে।'
আইনে নির্বাচনের দিনক্ষণ নির্ধারণ, মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া, স্ক্রুটিনি এবং বিভিন্ন পরিস্থিতিতে (যেমন: প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক বনাম একক প্রার্থী, সংসদ অধিবেশন থাকা বনাম না থাকা) করণীয় সম্পর্কে বিস্তারিত নির্দেশনা রয়েছে।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ৯০ দিনের মধ্যে করার সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা সম্পর্কে জানতে চাইলে সিইসি বলেন, 'আমরা প্রস্তুত। আমরা যেকোনো সময় রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত। কারণ, আমাদের আবার স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি আছে। সুতরাং এটা আমরা করে ফেলব।' তিনি পুনরায় নিশ্চিত করেন যে, ভোটার তালিকা প্রস্তুত।
সংসদ অধিবেশন চলাকালীন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হবে কিনা জানতে চাইলে সিইসি জানান, সংসদ সেশন থাকুক বা না থাকুক, কীভাবে এই নির্বাচন হবে, তা আইনের মধ্যে সুনির্দিষ্টভাবে বলা আছে।
তিনি জাতীয় সংসদে ভারপ্রাপ্ত স্পিকার কায়সার কামালের কার্যালয়ে তার সঙ্গে সাক্ষাতের পর সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। এ সময় সিইসি'র সঙ্গে চার কমিশনার এবং নির্বাচন কমিশন সচিবও উপস্থিত ছিলেন।
বেলা ১১টায় অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে উল্লেখ করে সিইসি জানান, নির্বাচনের দিনক্ষণ পরবর্তীতে জানানো হবে। তিনি বলেন, 'আপনারা যথাক্রমে জানতে পারবেন। সূর্য উঠলে আপনারা সবাই দেখতে পাবেন। কোনো অসুবিধা নেই। এটি আমরা পরবর্তী আলোচনা হলে জানিয়ে দেব।'
সিইসি নিশ্চিত করেছেন যে, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন জাতীয় সংসদেই অনুষ্ঠিত হবে। তিনি আরও বলেন, 'রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে সামনে রেখে আমরা বিস্তারিত আলোচনা করেছি।' নাসির উদ্দিন উল্লেখ করেন, 'সাবেক স্পিকার দায়িত্ব নিয়েছেন। আমাদের রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হবে। এটি নির্বাচন কমিশনের দায়িত্বের মধ্যে পড়ে।' তিনি ১৯৯১ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইনের কথা উল্লেখ করে বলেন, 'নির্বাচন কমিশনের এই দায়িত্ব-রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করার জন্য ১৯৯১ সালের একটি আইন আছে। সেখানে বলা আছে, স্পিকারের সঙ্গে পরামর্শক্রমে, আলোচনাক্রমে প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে।'
আইনে নির্বাচনের দিনক্ষণ নির্ধারণ, মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া, স্ক্রুটিনি এবং বিভিন্ন পরিস্থিতিতে (যেমন: প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক বনাম একক প্রার্থী, সংসদ অধিবেশন থাকা বনাম না থাকা) করণীয় সম্পর্কে বিস্তারিত নির্দেশনা রয়েছে।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ৯০ দিনের মধ্যে করার সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা সম্পর্কে জানতে চাইলে সিইসি বলেন, 'আমরা প্রস্তুত। আমরা যেকোনো সময় রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত। কারণ, আমাদের আবার স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি আছে। সুতরাং এটা আমরা করে ফেলব।' তিনি পুনরায় নিশ্চিত করেন যে, ভোটার তালিকা প্রস্তুত।
সংসদ অধিবেশন চলাকালীন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হবে কিনা জানতে চাইলে সিইসি জানান, সংসদ সেশন থাকুক বা না থাকুক, কীভাবে এই নির্বাচন হবে, তা আইনের মধ্যে সুনির্দিষ্টভাবে বলা আছে।
