দীর্ঘ ১৩ দিনের অচলাবস্থা কাটিয়ে অবশেষে রাঙ্গামাটি-বান্দরবান সড়কপথে যান চলাচল পুনরায় শুরু হয়েছে। তবে বান্দরবান জেলা বাসমালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক নুরুল আলম জানিয়েছেন, প্রাথমিক পর্যায়ে সীমিত পরিসরে যান চলাচল দেখা যেতে পারে।
গত ২৫শে জুলাই শনিবার সকাল থেকে সকল প্রকার যানবাহন এই পথে চলাচল শুরু করে।
উল্লেখ্য, গত ১২ই জুলাই একটি বেইলি সেতুর একাংশ আকস্মিকভাবে ধসে পড়লে সড়কটি যানচলাচলের জন্য বন্ধ হয়ে যায়। ক্ষতিগ্রস্ত অংশের নিবিড় পুনর্নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হওয়ার পর শনিবার থেকে সেতুটি সকলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়।
বান্দরবান সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের আওতাধীন এই বেইলি সেতুটি চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার পদুয়া ইউনিয়নের দুধপুকুরিয়া এলাকায় শিলক খালের উপর অবস্থিত।
বান্দরবান সওজের নির্বাহী প্রকৌশলী সাখাওয়াত হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, সেতুর ধসে পড়া অংশের পুনর্নির্মাণ কাজ গত ২৩শে জুলাই বৃহস্পতিবার রাতেই সমাপ্ত হয়। এর পরদিন, ২৪শে জুলাই শুক্রবার পরীক্ষামূলকভাবে অটোরিকশাসহ হালকা যান চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়। অবশেষে, ২৫শে জুলাই শনিবার সকাল থেকে সেতুটি সকল প্রকার যানবাহনের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়।
গত ১২ই জুলাই পাহাড়ি ঢলের প্রলয়ংকরী স্রোত একটি রাবার ড্যামে বাধাপ্রাপ্ত হয়ে দিক পরিবর্তন করে সরাসরি সেতুর উপর আছড়ে পড়ে। এর ফলশ্রুতিতে সেতুর একাংশ ভেঙে যায় এবং সংযোগ সড়কসহ প্রায় ১৫০ ফুট এলাকা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
প্রকৌশলী সাখাওয়াত হোসেন আরও উল্লেখ করেন, ক্ষতিগ্রস্ত সংযোগ সড়ক ও সেতু মেরামতের জন্য প্রকৌশলীরা নিরলসভাবে দিন-রাত কাজ করেছেন। এই মহৎ প্রচেষ্টার ফলস্বরূপ সড়কটিতে এখন স্বাভাবিক যান চলাচল সম্ভব হয়েছে।
অপরদিকে, বান্দরবান জেলা বাসমালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক নুরুল আলম জানিয়েছেন যে, বান্দরবান ও রাঙ্গামাটির মধ্যে যাত্রীবাহী বাস পরিষেবা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে, যেহেতু বহু যাত্রী এখনো সড়ক চালুর বিষয়ে অবগত নন, সেহেতু প্রথম দিনে নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী সকল বাস চলাচল নাও করতে পারে।
গত ২৫শে জুলাই শনিবার সকাল থেকে সকল প্রকার যানবাহন এই পথে চলাচল শুরু করে।
উল্লেখ্য, গত ১২ই জুলাই একটি বেইলি সেতুর একাংশ আকস্মিকভাবে ধসে পড়লে সড়কটি যানচলাচলের জন্য বন্ধ হয়ে যায়। ক্ষতিগ্রস্ত অংশের নিবিড় পুনর্নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হওয়ার পর শনিবার থেকে সেতুটি সকলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়।
বান্দরবান সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের আওতাধীন এই বেইলি সেতুটি চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার পদুয়া ইউনিয়নের দুধপুকুরিয়া এলাকায় শিলক খালের উপর অবস্থিত।
বান্দরবান সওজের নির্বাহী প্রকৌশলী সাখাওয়াত হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, সেতুর ধসে পড়া অংশের পুনর্নির্মাণ কাজ গত ২৩শে জুলাই বৃহস্পতিবার রাতেই সমাপ্ত হয়। এর পরদিন, ২৪শে জুলাই শুক্রবার পরীক্ষামূলকভাবে অটোরিকশাসহ হালকা যান চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়। অবশেষে, ২৫শে জুলাই শনিবার সকাল থেকে সেতুটি সকল প্রকার যানবাহনের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়।
গত ১২ই জুলাই পাহাড়ি ঢলের প্রলয়ংকরী স্রোত একটি রাবার ড্যামে বাধাপ্রাপ্ত হয়ে দিক পরিবর্তন করে সরাসরি সেতুর উপর আছড়ে পড়ে। এর ফলশ্রুতিতে সেতুর একাংশ ভেঙে যায় এবং সংযোগ সড়কসহ প্রায় ১৫০ ফুট এলাকা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
প্রকৌশলী সাখাওয়াত হোসেন আরও উল্লেখ করেন, ক্ষতিগ্রস্ত সংযোগ সড়ক ও সেতু মেরামতের জন্য প্রকৌশলীরা নিরলসভাবে দিন-রাত কাজ করেছেন। এই মহৎ প্রচেষ্টার ফলস্বরূপ সড়কটিতে এখন স্বাভাবিক যান চলাচল সম্ভব হয়েছে।
অপরদিকে, বান্দরবান জেলা বাসমালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক নুরুল আলম জানিয়েছেন যে, বান্দরবান ও রাঙ্গামাটির মধ্যে যাত্রীবাহী বাস পরিষেবা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে, যেহেতু বহু যাত্রী এখনো সড়ক চালুর বিষয়ে অবগত নন, সেহেতু প্রথম দিনে নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী সকল বাস চলাচল নাও করতে পারে।
