১২ মার্চ শাকিব খান, অপু বিশ্বাস দম্পতির তালাক কার্যকর

১২ মার্চ শাকিব খান, অপু বিশ্বাস দম্পতির তালাক কার্যকর

চিত্রতারকা দম্পতি শাকিব খান ও অপু বিশ্বাস আজ থেকে আর স্বামী-স্ত্রী নন এমন কথা চলচ্চিত্রপাড়ায় তো বটে এমন কি বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) অঞ্চল-৩-এর নির্বাহী কর্মকর্তা হেমায়েত হোসেন জানান তা বিষয়টি সঠিক নয়।

হেমায়েত হোসেন বলেন, ‘শাকিব-অপুর তৃতীয় ও শেষ শুনানি হবে আগামী ১২ মার্চ। তালাক কার্যকরের বিষয়ে সেদিন সবকিছু চূড়ান্ত হবে।’

হেমায়েত হোসেন জানান, অপু বিশ্বাস গত ১২ ডিসেম্বর এই চিঠি হাতে পান। তালাকের নোটিশের চিঠি হাতে পাওয়ার পর গত ১২ জানুয়ারি ডিনএসিসি প্রথম সালিশি বৈঠকের আয়োজন করে।

 

২০১৭ সালের ২২ নভেম্বর শাকিব খান তার আইনজীবী শেখ সিরাজুল ইসলামের মাধ্যমে অপুর কাছে তালাকের নোটিশ পাঠান। একই সঙ্গে তিনি শাকিব খানের পক্ষে ডিনএসিসির মেয়র কার্যালয়, অপু বিশ্বাসের ঢাকার নিকেতনের বাসা এবং বগুড়ার ঠিকানায়ও তালাকের এই নোটিশ পাঠান।

 

প্রথম বৈঠকে অপু উপস্থিত থাকলেও শুটিংয়ের ব্যস্ততায় তখন থাকতে পারেননি শাকিব। ১২ ফেব্রুয়ারি দ্বিতীয় বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন না শাকিব এবং অপু। ওই সময় শাকিব শুটিংয়ে ছিলেন অস্ট্রেলিয়ায়। তবে দেশে থাকলেও বৈঠকে যাননি অপু।

 

২০০৮ সালের ১৮ এপ্রিল গোপনে বিয়ে করেন বাংলাদেশি ছবির জনপ্রিয় জুটি শাকিব খান ও অপু বিশ্বাস। ২০১৬ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর জন্ম হয় তাদের সন্তান আব্রাম খান জয়। শাকিব-অপু দুজনেই সন্তানের জন্মের বিষয়টি গোপন রাখেন।

 

২০১৭ সালের ১০ এপ্রিলে একটি টিভি চ্যানেলের সরাসরি অনুষ্ঠানে এসে বিয়ে ও সন্তানের খবর ফাঁস করেন অপু বিশ্বাস। এ সময় তার সঙ্গে ছিল ছয় মাস বয়সী ছেলে আব্রাম। সেদিন অপু বলেন, ‘আমি শাকিবের স্ত্রী, আমাদের ছেলে আছে।’

 

সেদিন বিয়ের খবর জনসমক্ষে আসার পর দুজনের সম্পর্কের টানাপোড়েন তৈরি হয়। পরিস্থিতি এমন অবস্থায় পৌঁছায় যে শাকিব খান ও অপু বিশ্বাস নিজেদের মধ্যে মুখ দেখাদেখি বন্ধ করে দেন। শুধু ছেলে আব্রামের কারণে মাঝেমধ্যে দেখা হলেও কথা হয়নি দুজনের। গত বছর ২২ নভেম্বর শাকিব খান তার আইনজীবী শেখ সিরাজুল ইসলামের মাধ্যমে অপুর কাছে তালাকের নোটিশ পাঠান।